ঢাকা ০৯:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ুতি (রহ.) তাফসির শাস্ত্রের কিংবদন্তি যিনি আগস্টের ৫ তারিখ যেভাবে ‘৩৬ জুলাই’ হলো মাটি ও মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণে রূপান্তরের অঙ্গীকার আনসার-ভিডিপির ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ আর কখনো নির্ভরশীল রাষ্ট্র হবে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বপ্নযাত্রায় ধীরগতি তারা বলে ডিসেম্বরে দেশে আসবে, আসেন দেখা হবে রাজপথে: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি আপনার দলের লোকেরাই আপনাকে পদচ্যুত করার ষড়যন্ত্র করছে: প্রধানমন্ত্রীকে কর্নেল অলি সরকার জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই জাদুঘর নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রেরণার কেন্দ্র : ড. ইউনূস

ফরিদপুরে বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ করা হচ্ছে বারি আম-৪

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৩৭:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অগাস্ট ২০১৭
  • ৩৪৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বারি আম-৪-এর বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদে সফলতা পেয়েছেন চাষিরা। দেড়বছর আগে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে ২ বিঘা জমিতে বারি আম-৪ আবাদ শুরু করেন কৃষক অহিদুজ্জামান।

একই জমিতে সাথী ফসল হিসেবে চাষ করছেন ধান, গম ও তিল। একই জমিতে আমসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করতে পেরে লাভও হচ্ছে ভালো। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৯৯৩ সালে বারি আম-৪ উদ্ভাবন করে।

 শুধু ওহিদুজ্জামানই নয়, এ আম চাষ করে লাভবান হচ্ছেন উপজেলার শিলারাণী ও জাকারিয়াসহ ২৫ থেকে ৩০ জন চাষী। তারা জানান, আমের চারা রোপণের দেড় বছরের মাথায় গাছে প্রচুর আম ধরেছে। তারা আশা করছেন, আম বিক্রি করে ভালো টাকা আয় করতে পারবেন। কারণ বাজার থেকে যখন সব আম শেষ হয়ে যাবে, তখন তাদের আম পাকতে শুরু করবে। এতে আমের চাহিদাও থাকবে, দামও ভালো পাওয়া যাবে। তারা আরো জানান, এলাকার অনেকেই এসব বাগান দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে আম চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

বারি আম-৪ এ ফাল্গুন মাসে মুকুল এলেও আম পাকে শ্রাবণ মাসে। প্রতিটি ফলের ওজন হয় ৫০০ থেকে ৬০০ গ্রাম পর্যন্ত। দ্বিতীয় শস্য বহুমুখী প্রকল্পের আওতায় বারী আম-৪, বারী আম-৮, ব্যানানা ও গোরমতি জাতের আমের বাগান করতে বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছেন জেলার কৃষি কর্মকর্তারা। এ বিষয়ে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা আশুতোষ কুমার বিশ্বাস জানান, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দেড় বছরের মধ্যে ৩০টি বাগান স্থাপিত হয়েছে। এ ছাড়া বসতবাড়িতে বিক্ষিপ্তভাবে আড়াই হাজার চারা রোপণ করা হয়েছে।

এভাবে আম চাষ অব্যাহত থাকলে আগামী ১০ বছরে উৎপাদিত আম জেলার চাহিদা মিটিয়ে অন্যান্য অঞ্চলেও রপ্তানি করা যাবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ুতি (রহ.) তাফসির শাস্ত্রের কিংবদন্তি যিনি

ফরিদপুরে বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ করা হচ্ছে বারি আম-৪

আপডেট টাইম : ০৫:৩৭:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অগাস্ট ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বারি আম-৪-এর বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদে সফলতা পেয়েছেন চাষিরা। দেড়বছর আগে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে ২ বিঘা জমিতে বারি আম-৪ আবাদ শুরু করেন কৃষক অহিদুজ্জামান।

একই জমিতে সাথী ফসল হিসেবে চাষ করছেন ধান, গম ও তিল। একই জমিতে আমসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করতে পেরে লাভও হচ্ছে ভালো। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৯৯৩ সালে বারি আম-৪ উদ্ভাবন করে।

 শুধু ওহিদুজ্জামানই নয়, এ আম চাষ করে লাভবান হচ্ছেন উপজেলার শিলারাণী ও জাকারিয়াসহ ২৫ থেকে ৩০ জন চাষী। তারা জানান, আমের চারা রোপণের দেড় বছরের মাথায় গাছে প্রচুর আম ধরেছে। তারা আশা করছেন, আম বিক্রি করে ভালো টাকা আয় করতে পারবেন। কারণ বাজার থেকে যখন সব আম শেষ হয়ে যাবে, তখন তাদের আম পাকতে শুরু করবে। এতে আমের চাহিদাও থাকবে, দামও ভালো পাওয়া যাবে। তারা আরো জানান, এলাকার অনেকেই এসব বাগান দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে আম চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

বারি আম-৪ এ ফাল্গুন মাসে মুকুল এলেও আম পাকে শ্রাবণ মাসে। প্রতিটি ফলের ওজন হয় ৫০০ থেকে ৬০০ গ্রাম পর্যন্ত। দ্বিতীয় শস্য বহুমুখী প্রকল্পের আওতায় বারী আম-৪, বারী আম-৮, ব্যানানা ও গোরমতি জাতের আমের বাগান করতে বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছেন জেলার কৃষি কর্মকর্তারা। এ বিষয়ে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা আশুতোষ কুমার বিশ্বাস জানান, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দেড় বছরের মধ্যে ৩০টি বাগান স্থাপিত হয়েছে। এ ছাড়া বসতবাড়িতে বিক্ষিপ্তভাবে আড়াই হাজার চারা রোপণ করা হয়েছে।

এভাবে আম চাষ অব্যাহত থাকলে আগামী ১০ বছরে উৎপাদিত আম জেলার চাহিদা মিটিয়ে অন্যান্য অঞ্চলেও রপ্তানি করা যাবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।