ঢাকা ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীর জন্য নতুন প্রজ্ঞাপন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:২২:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ অগাস্ট ২০১৭
  • ৩৫৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এখন থেকে শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর মৃত্যুর পর তার বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী ও প্রতিবন্ধী সন্তান চিকিৎসাভাতা ও বছরে দু’টি উৎসব ভাতা পাবেন। তবে বিধবা স্ত্রী ও প্রতিবন্ধী সন্তান আজীবন চিকিৎসা ও উৎসবভাতা পেলেও বিপত্নীক স্বামী তা পাবেন না।

এ ক্ষেত্রে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিপত্নীক স্বামী সর্বাধিক ১৫ বছর (শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী কর্মচারীর অবসর গ্রহণের তারিখ থেকে মোট ১৫ বছর মেয়াদ পূর্তির কোনো সময় অবশিষ্ট থাকলে শুধুমাত্র উক্ত সময় পূর্তি পর্যন্ত) মাসিক চিকিৎসাভাতা ও বছরে দু’টি উৎসবভাতা প্রাপ্য হবেন। এই সুবিধা ২০১৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

তবে পুনরায় বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হলে বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী এ সুবিধা প্রাপ্য হবেন না বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে আরো বলা হয়েছে- শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীরা শতভাগ পেনশন সমর্পণ না করলে যে পরিমাণ মাসিক নিট পেনশন প্রাপ্য হতেন তার ভিত্তিতে উৎসবভাতার পরিমাণ নির্ধারিত হবে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীর বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী ২০১৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারির পূর্বে কোনো চিকিৎসাভাতা বা উৎসবভাতা উত্তোলন করে থাকলে তা তাদের পরবর্তীকালে প্রাপ্য চিকিৎসা বা উৎসবভাতা হতে সমন্বয় করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীর জন্য নতুন প্রজ্ঞাপন

আপডেট টাইম : ০৮:২২:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ অগাস্ট ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এখন থেকে শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর মৃত্যুর পর তার বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী ও প্রতিবন্ধী সন্তান চিকিৎসাভাতা ও বছরে দু’টি উৎসব ভাতা পাবেন। তবে বিধবা স্ত্রী ও প্রতিবন্ধী সন্তান আজীবন চিকিৎসা ও উৎসবভাতা পেলেও বিপত্নীক স্বামী তা পাবেন না।

এ ক্ষেত্রে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিপত্নীক স্বামী সর্বাধিক ১৫ বছর (শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী কর্মচারীর অবসর গ্রহণের তারিখ থেকে মোট ১৫ বছর মেয়াদ পূর্তির কোনো সময় অবশিষ্ট থাকলে শুধুমাত্র উক্ত সময় পূর্তি পর্যন্ত) মাসিক চিকিৎসাভাতা ও বছরে দু’টি উৎসবভাতা প্রাপ্য হবেন। এই সুবিধা ২০১৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

তবে পুনরায় বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হলে বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী এ সুবিধা প্রাপ্য হবেন না বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে আরো বলা হয়েছে- শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীরা শতভাগ পেনশন সমর্পণ না করলে যে পরিমাণ মাসিক নিট পেনশন প্রাপ্য হতেন তার ভিত্তিতে উৎসবভাতার পরিমাণ নির্ধারিত হবে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীর বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী ২০১৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারির পূর্বে কোনো চিকিৎসাভাতা বা উৎসবভাতা উত্তোলন করে থাকলে তা তাদের পরবর্তীকালে প্রাপ্য চিকিৎসা বা উৎসবভাতা হতে সমন্বয় করা হবে।