ঢাকা ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
মুক্তিযোদ্ধা রতন: স্বদেশপ্রেমে কেঁদেছিল যাঁর মন শিশুর হাতে বই তুলে দেওয়ার দায়িত্ব রাষ্ট্রেরও প্রতিযোগিতা আমি নিজের সঙ্গেই করি : অপু বিশ্বাস ফ্যাসিবাদী আ. লীগের এ দেশে আর রাজনীতির সুযোগ হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশকে এআই প্রয়োগ ও উদ্ভাবনে সক্ষম দেশে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আমির হামজার ‘নারীসংক্রান্ত অডিও ও ভিডিও’ পাওয়ার দাবি রাশেদ খানের শান্তি ফিরেছে শিল্পাঞ্চলে, ছুটির দিনেও কর্মচাঞ্চল্য জলবায়ু ঝুঁকিতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৯ কোটি বাস্তুচ্যুত মানুষ আইজেনকোটকে ৬৭ এমপির সমর্থন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন নির্ধারণ রোববার মানবিক মূল্যবোধ, পেশাগত দক্ষতা ও সততাই আইনজীবীর প্রধান শক্তি: আইনমন্ত্রী

রুনা লায়লার সুরে গাইলেন আঁখি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:২৯:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ অগাস্ট ২০১৭
  • ৩৮৭ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  উপমহাদেশের বরেণ্য সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। ৫২ বছরের পথচলায় তিনি চলচ্চিত্রে এবং মঞ্চে সমান জনপ্রিয়তা নিয়ে আজও গেয়ে চলেছেন। দীর্ঘ সংগীত জীবনের পথচলায় এবারই প্রথম রুনা লায়লা কোনো গানের সুর করেছেন।

চিত্রনায়ক আলমগীরের নতুন নির্মিতব্য ‘একটি সিনেমার গল্প’ ছবির একটি গানের সুর করেছেন তিনি। তাঁর সুর করা গানে কণ্ঠ দিয়েছেন আঁখি আলমগীর। বিষয়টি নিশ্চিত হতে আলমগীরকে ফোন করা হলে তিনি এর নিশ্চয়তা দেন।

বরেণ্য গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ারের লেখা ‘গল্প কথার ওই কল্পলোকে জানি, একদিন চলে যাব, কোথায় শুরু আর শেষ হবে কোথায়, সে কথা বলে যাব’- এমন জীবন ঘনিষ্ঠ গীতিকবিতার গানটিরই সুর করেছেন রুনা লায়লা। এরই মধ্যে গানটির রেকর্ডিং সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান রুনা লায়লা।

জীবনের প্রথম কোনো গানের সুর করা এবং আঁখি আলমগীরের গায়কী প্রসঙ্গে রুনা লায়লা বলেন, ‘সত্যি বলতে কী, আলমগীরের উৎসাহেই গানটির সুর করা। গানের কথা খুব ভালো লেগেছে আমার। আমি মনে করি একটি গানের সুর করাটাই হচ্ছে সবচেয়ে কঠিন কাজ। সেই কঠিন কাজটিই জীবনের প্রথম করেছি। যে কারণে আমাকে সুর নিয়ে বেশ ভাবতে হয়েছে। তবে আলমগীরের কাছে আমার শর্ত ছিল একটাই, তা হলো অ্যাকুস্টিক ইন্সট্রুম্যান্ট দিয়েই গানের পুরো কাজ শেষ করতে হবে এবং তাই হয়েছে। গানটি গাইবার আগে আঁখি ভীষণ ভয়ে ছিল। কিন্তু তার ভেতর আমি আত্মবিশ্বাসটা দেখেছি। গানটি যেহেতু ক্লাসিক্যাল, তাই আঁখি খুব কষ্ট করেছে গানটির চূড়ান্ত রেকর্ডিংয়ের আগ পর্যন্ত। অবশেষে আঁখি অসাধারণ গেয়েছে। আমার মনে হয় এ গানটি একটি মাইলস্টোন গান হবে।’

আঁখি আলমগীর বলেন, ‘আমার বাবা এবং রুনা আন্টির কাছে আমি ভীষণ কৃতজ্ঞ যে, আমার ওপর বিশ্বাস রেখে তারা আমাকে দিয়ে এমন একটি গান করিয়েছেন। আমার জীবনে এই গান এক ইতিহাস। আমি সত্যিই ভীষণ ভয়ে ছিলাম যে, ঠিকভাবে গাইতে পারব কিনা। তবে যেহেতু উচ্চাঙ্গ সংগীত আমার জানা, তাই আত্মবিশ্বাস ছিল, আমি সঠিকভাবে গাইতে পারব। রুনা আন্টি আমাকে এই গানের জন্য যেসব টেকনিক শিখিয়েছেন তাতে আমার গানের ধারাই পরিবর্তন হয়ে গেছে। গানটির রেকর্ডিং শেষে তিনি যখন আমাকে জড়িয়ে ধরেন তখন বাবা, আমি আর আন্টি কাঁদছিলাম। আর এটাই ছিল আমার এ গানের জন্য বড় প্রাপ্তি।’

আলমগীর জানান, এই গানটি ঋতুপর্ণার লিপে যাবে। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থেকে বিএফডিসিতে উত্তম গুহের তৈরি সেটে ‘একটি সিনেমার গল্প’ চলচ্চিত্রটির শুটিং শুরু হবে। এর কাহিনী, সংলাপ, চিত্রনাট্য আলমগীরের। আলমগীরের নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা ‘আইকন এন্টারটেইনমেন্ট’ এর ব্যানারে চলচ্চিত্রটি নির্মিত হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

মুক্তিযোদ্ধা রতন: স্বদেশপ্রেমে কেঁদেছিল যাঁর মন

রুনা লায়লার সুরে গাইলেন আঁখি

আপডেট টাইম : ০৫:২৯:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ অগাস্ট ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  উপমহাদেশের বরেণ্য সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। ৫২ বছরের পথচলায় তিনি চলচ্চিত্রে এবং মঞ্চে সমান জনপ্রিয়তা নিয়ে আজও গেয়ে চলেছেন। দীর্ঘ সংগীত জীবনের পথচলায় এবারই প্রথম রুনা লায়লা কোনো গানের সুর করেছেন।

চিত্রনায়ক আলমগীরের নতুন নির্মিতব্য ‘একটি সিনেমার গল্প’ ছবির একটি গানের সুর করেছেন তিনি। তাঁর সুর করা গানে কণ্ঠ দিয়েছেন আঁখি আলমগীর। বিষয়টি নিশ্চিত হতে আলমগীরকে ফোন করা হলে তিনি এর নিশ্চয়তা দেন।

বরেণ্য গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ারের লেখা ‘গল্প কথার ওই কল্পলোকে জানি, একদিন চলে যাব, কোথায় শুরু আর শেষ হবে কোথায়, সে কথা বলে যাব’- এমন জীবন ঘনিষ্ঠ গীতিকবিতার গানটিরই সুর করেছেন রুনা লায়লা। এরই মধ্যে গানটির রেকর্ডিং সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান রুনা লায়লা।

জীবনের প্রথম কোনো গানের সুর করা এবং আঁখি আলমগীরের গায়কী প্রসঙ্গে রুনা লায়লা বলেন, ‘সত্যি বলতে কী, আলমগীরের উৎসাহেই গানটির সুর করা। গানের কথা খুব ভালো লেগেছে আমার। আমি মনে করি একটি গানের সুর করাটাই হচ্ছে সবচেয়ে কঠিন কাজ। সেই কঠিন কাজটিই জীবনের প্রথম করেছি। যে কারণে আমাকে সুর নিয়ে বেশ ভাবতে হয়েছে। তবে আলমগীরের কাছে আমার শর্ত ছিল একটাই, তা হলো অ্যাকুস্টিক ইন্সট্রুম্যান্ট দিয়েই গানের পুরো কাজ শেষ করতে হবে এবং তাই হয়েছে। গানটি গাইবার আগে আঁখি ভীষণ ভয়ে ছিল। কিন্তু তার ভেতর আমি আত্মবিশ্বাসটা দেখেছি। গানটি যেহেতু ক্লাসিক্যাল, তাই আঁখি খুব কষ্ট করেছে গানটির চূড়ান্ত রেকর্ডিংয়ের আগ পর্যন্ত। অবশেষে আঁখি অসাধারণ গেয়েছে। আমার মনে হয় এ গানটি একটি মাইলস্টোন গান হবে।’

আঁখি আলমগীর বলেন, ‘আমার বাবা এবং রুনা আন্টির কাছে আমি ভীষণ কৃতজ্ঞ যে, আমার ওপর বিশ্বাস রেখে তারা আমাকে দিয়ে এমন একটি গান করিয়েছেন। আমার জীবনে এই গান এক ইতিহাস। আমি সত্যিই ভীষণ ভয়ে ছিলাম যে, ঠিকভাবে গাইতে পারব কিনা। তবে যেহেতু উচ্চাঙ্গ সংগীত আমার জানা, তাই আত্মবিশ্বাস ছিল, আমি সঠিকভাবে গাইতে পারব। রুনা আন্টি আমাকে এই গানের জন্য যেসব টেকনিক শিখিয়েছেন তাতে আমার গানের ধারাই পরিবর্তন হয়ে গেছে। গানটির রেকর্ডিং শেষে তিনি যখন আমাকে জড়িয়ে ধরেন তখন বাবা, আমি আর আন্টি কাঁদছিলাম। আর এটাই ছিল আমার এ গানের জন্য বড় প্রাপ্তি।’

আলমগীর জানান, এই গানটি ঋতুপর্ণার লিপে যাবে। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থেকে বিএফডিসিতে উত্তম গুহের তৈরি সেটে ‘একটি সিনেমার গল্প’ চলচ্চিত্রটির শুটিং শুরু হবে। এর কাহিনী, সংলাপ, চিত্রনাট্য আলমগীরের। আলমগীরের নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা ‘আইকন এন্টারটেইনমেন্ট’ এর ব্যানারে চলচ্চিত্রটি নির্মিত হবে।