ঢাকা ০৪:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

রুনা লায়লার সুরে গাইলেন আঁখি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:২৯:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ অগাস্ট ২০১৭
  • ৩৫৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  উপমহাদেশের বরেণ্য সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। ৫২ বছরের পথচলায় তিনি চলচ্চিত্রে এবং মঞ্চে সমান জনপ্রিয়তা নিয়ে আজও গেয়ে চলেছেন। দীর্ঘ সংগীত জীবনের পথচলায় এবারই প্রথম রুনা লায়লা কোনো গানের সুর করেছেন।

চিত্রনায়ক আলমগীরের নতুন নির্মিতব্য ‘একটি সিনেমার গল্প’ ছবির একটি গানের সুর করেছেন তিনি। তাঁর সুর করা গানে কণ্ঠ দিয়েছেন আঁখি আলমগীর। বিষয়টি নিশ্চিত হতে আলমগীরকে ফোন করা হলে তিনি এর নিশ্চয়তা দেন।

বরেণ্য গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ারের লেখা ‘গল্প কথার ওই কল্পলোকে জানি, একদিন চলে যাব, কোথায় শুরু আর শেষ হবে কোথায়, সে কথা বলে যাব’- এমন জীবন ঘনিষ্ঠ গীতিকবিতার গানটিরই সুর করেছেন রুনা লায়লা। এরই মধ্যে গানটির রেকর্ডিং সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান রুনা লায়লা।

জীবনের প্রথম কোনো গানের সুর করা এবং আঁখি আলমগীরের গায়কী প্রসঙ্গে রুনা লায়লা বলেন, ‘সত্যি বলতে কী, আলমগীরের উৎসাহেই গানটির সুর করা। গানের কথা খুব ভালো লেগেছে আমার। আমি মনে করি একটি গানের সুর করাটাই হচ্ছে সবচেয়ে কঠিন কাজ। সেই কঠিন কাজটিই জীবনের প্রথম করেছি। যে কারণে আমাকে সুর নিয়ে বেশ ভাবতে হয়েছে। তবে আলমগীরের কাছে আমার শর্ত ছিল একটাই, তা হলো অ্যাকুস্টিক ইন্সট্রুম্যান্ট দিয়েই গানের পুরো কাজ শেষ করতে হবে এবং তাই হয়েছে। গানটি গাইবার আগে আঁখি ভীষণ ভয়ে ছিল। কিন্তু তার ভেতর আমি আত্মবিশ্বাসটা দেখেছি। গানটি যেহেতু ক্লাসিক্যাল, তাই আঁখি খুব কষ্ট করেছে গানটির চূড়ান্ত রেকর্ডিংয়ের আগ পর্যন্ত। অবশেষে আঁখি অসাধারণ গেয়েছে। আমার মনে হয় এ গানটি একটি মাইলস্টোন গান হবে।’

আঁখি আলমগীর বলেন, ‘আমার বাবা এবং রুনা আন্টির কাছে আমি ভীষণ কৃতজ্ঞ যে, আমার ওপর বিশ্বাস রেখে তারা আমাকে দিয়ে এমন একটি গান করিয়েছেন। আমার জীবনে এই গান এক ইতিহাস। আমি সত্যিই ভীষণ ভয়ে ছিলাম যে, ঠিকভাবে গাইতে পারব কিনা। তবে যেহেতু উচ্চাঙ্গ সংগীত আমার জানা, তাই আত্মবিশ্বাস ছিল, আমি সঠিকভাবে গাইতে পারব। রুনা আন্টি আমাকে এই গানের জন্য যেসব টেকনিক শিখিয়েছেন তাতে আমার গানের ধারাই পরিবর্তন হয়ে গেছে। গানটির রেকর্ডিং শেষে তিনি যখন আমাকে জড়িয়ে ধরেন তখন বাবা, আমি আর আন্টি কাঁদছিলাম। আর এটাই ছিল আমার এ গানের জন্য বড় প্রাপ্তি।’

আলমগীর জানান, এই গানটি ঋতুপর্ণার লিপে যাবে। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থেকে বিএফডিসিতে উত্তম গুহের তৈরি সেটে ‘একটি সিনেমার গল্প’ চলচ্চিত্রটির শুটিং শুরু হবে। এর কাহিনী, সংলাপ, চিত্রনাট্য আলমগীরের। আলমগীরের নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা ‘আইকন এন্টারটেইনমেন্ট’ এর ব্যানারে চলচ্চিত্রটি নির্মিত হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

রুনা লায়লার সুরে গাইলেন আঁখি

আপডেট টাইম : ০৫:২৯:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ অগাস্ট ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  উপমহাদেশের বরেণ্য সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। ৫২ বছরের পথচলায় তিনি চলচ্চিত্রে এবং মঞ্চে সমান জনপ্রিয়তা নিয়ে আজও গেয়ে চলেছেন। দীর্ঘ সংগীত জীবনের পথচলায় এবারই প্রথম রুনা লায়লা কোনো গানের সুর করেছেন।

চিত্রনায়ক আলমগীরের নতুন নির্মিতব্য ‘একটি সিনেমার গল্প’ ছবির একটি গানের সুর করেছেন তিনি। তাঁর সুর করা গানে কণ্ঠ দিয়েছেন আঁখি আলমগীর। বিষয়টি নিশ্চিত হতে আলমগীরকে ফোন করা হলে তিনি এর নিশ্চয়তা দেন।

বরেণ্য গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ারের লেখা ‘গল্প কথার ওই কল্পলোকে জানি, একদিন চলে যাব, কোথায় শুরু আর শেষ হবে কোথায়, সে কথা বলে যাব’- এমন জীবন ঘনিষ্ঠ গীতিকবিতার গানটিরই সুর করেছেন রুনা লায়লা। এরই মধ্যে গানটির রেকর্ডিং সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান রুনা লায়লা।

জীবনের প্রথম কোনো গানের সুর করা এবং আঁখি আলমগীরের গায়কী প্রসঙ্গে রুনা লায়লা বলেন, ‘সত্যি বলতে কী, আলমগীরের উৎসাহেই গানটির সুর করা। গানের কথা খুব ভালো লেগেছে আমার। আমি মনে করি একটি গানের সুর করাটাই হচ্ছে সবচেয়ে কঠিন কাজ। সেই কঠিন কাজটিই জীবনের প্রথম করেছি। যে কারণে আমাকে সুর নিয়ে বেশ ভাবতে হয়েছে। তবে আলমগীরের কাছে আমার শর্ত ছিল একটাই, তা হলো অ্যাকুস্টিক ইন্সট্রুম্যান্ট দিয়েই গানের পুরো কাজ শেষ করতে হবে এবং তাই হয়েছে। গানটি গাইবার আগে আঁখি ভীষণ ভয়ে ছিল। কিন্তু তার ভেতর আমি আত্মবিশ্বাসটা দেখেছি। গানটি যেহেতু ক্লাসিক্যাল, তাই আঁখি খুব কষ্ট করেছে গানটির চূড়ান্ত রেকর্ডিংয়ের আগ পর্যন্ত। অবশেষে আঁখি অসাধারণ গেয়েছে। আমার মনে হয় এ গানটি একটি মাইলস্টোন গান হবে।’

আঁখি আলমগীর বলেন, ‘আমার বাবা এবং রুনা আন্টির কাছে আমি ভীষণ কৃতজ্ঞ যে, আমার ওপর বিশ্বাস রেখে তারা আমাকে দিয়ে এমন একটি গান করিয়েছেন। আমার জীবনে এই গান এক ইতিহাস। আমি সত্যিই ভীষণ ভয়ে ছিলাম যে, ঠিকভাবে গাইতে পারব কিনা। তবে যেহেতু উচ্চাঙ্গ সংগীত আমার জানা, তাই আত্মবিশ্বাস ছিল, আমি সঠিকভাবে গাইতে পারব। রুনা আন্টি আমাকে এই গানের জন্য যেসব টেকনিক শিখিয়েছেন তাতে আমার গানের ধারাই পরিবর্তন হয়ে গেছে। গানটির রেকর্ডিং শেষে তিনি যখন আমাকে জড়িয়ে ধরেন তখন বাবা, আমি আর আন্টি কাঁদছিলাম। আর এটাই ছিল আমার এ গানের জন্য বড় প্রাপ্তি।’

আলমগীর জানান, এই গানটি ঋতুপর্ণার লিপে যাবে। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থেকে বিএফডিসিতে উত্তম গুহের তৈরি সেটে ‘একটি সিনেমার গল্প’ চলচ্চিত্রটির শুটিং শুরু হবে। এর কাহিনী, সংলাপ, চিত্রনাট্য আলমগীরের। আলমগীরের নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা ‘আইকন এন্টারটেইনমেন্ট’ এর ব্যানারে চলচ্চিত্রটি নির্মিত হবে।