ঢাকা ১১:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক বগুড়াকে আধুনিক শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জুন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই শুরু হবে বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশাখী সাজে শোবিজ তারকারা জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর বিএনপি বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘লাল কাপড়ের মোড়ানো খাতা’ কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

পুলিশকে প্রতারণার তদন্ত ভার দেওয়ায় দুদকের সাধুবাদ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৫৬:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০১৫
  • ৫৪৪ বার

ব্যক্তি পর্যায়ে প্রতারণা ও জালিয়াতি সংক্রান্ত অপরাধের অনুসন্ধান ও তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ। এমন বিধান রেখে মন্ত্রিপরিষদে সংশোধিত খসড়া আইন পাস হওয়াকে সাধুবাদ জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কশিমন (দুদক)।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে সোমবার বিকেলে দুদকের খসড়া আইন পাসের বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়ায় দুদক কমিশনার (তদন্ত) মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু এ সাধুবাদ জানান।

সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বলেন, ‘দুদকের পক্ষে সীমিত জনবল নিয়ে ব্যক্তি পর্যায়ের প্রতারণা ও জালিয়াতির অপরাধের অনুসন্ধান ও তদন্ত করা সম্ভব হচ্ছিল না। ফলে সাধারণ জনগণকে পর্যাপ্ত ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। পুলিশের জনবল বেশি থাকায় তাদের পক্ষে ব্যক্তি পর্যায়ের প্রতারণা ও জালিয়াতির মামলা দেখা অধিকতর সহজ। এক সময় পুলিশই এ ধরনের মামলার দেখভাল করত।’

তিনি বলেন, ‘আজ সংশোধন করে খসড়া আইন পাস হয়েছে। এটা হলে দুদক তাদের সক্ষমতা অনুসারে কাজ করতে পারবে। একই সঙ্গে ব্যক্তি পর্যায়ে দুদকের দায়ের করা মামলাগুলো পুলিশের কাছে ফেরত নেওয়ার ব্যবস্থার গ্রহণ করা জরুরী।’

‘সরকারের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের দুর্নীতি দুদক দেখবে’ বলেও জানান তিনি।

দুদকের তফসিলভুক্ত মানিলন্ডারিং অপরাধের তদন্তভার পুলিশকে দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে চুপ্পু বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা আমাদের মতামত দিয়েছি। মানিলন্ডারিং অপরাধ দুদকের তফসিলভুক্ত অপরাধ। দুর্নীতি দমন ব্যুরোর আমলেও এ ক্ষমতা ছিল। ওই আইনের মাধ্যমেই প্রয়োজনে দুদক, সিআইডি কিংবা পুলিশকে দিয়ে মানিলন্ডারিং অপরাধ অনুসন্ধান ও তদন্ত করার সুযোগ ছিল। এরপরও নতুন করে আইন সংশোধন করে যদি পুলিশ কিংবা অন্য কাউকে দেওয়া হয় তবে তা হবে অপ্রয়োজনীয় ও অপ্রত্যাশিত।’

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দণ্ডবিধি ৪২০ ধারার অপরাধ প্রতারণা এবং ৪৬৭ ও ৪৬৮ ধারাসহ আত্মসাৎ ও জালিয়াতির মামলা দুদক আইন থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। আইন পাসের পর এ সব মামলার তদন্ত আর দুদককে করতে হবে না।

তবে সরকারি অর্থ-সম্পত্তি আত্মসাৎ সংক্রান্ত প্রতারণা, সরকারি কর্মকর্তা ও ব্যাংকের কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনকালে প্রতারণা ও জালিয়াতি মামলা তদন্ত করবে দুদক। আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে ‘দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৫’ এর খসড়ায় এ সব বিষয়ে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

পুলিশকে প্রতারণার তদন্ত ভার দেওয়ায় দুদকের সাধুবাদ

আপডেট টাইম : ০৯:৫৬:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০১৫

ব্যক্তি পর্যায়ে প্রতারণা ও জালিয়াতি সংক্রান্ত অপরাধের অনুসন্ধান ও তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ। এমন বিধান রেখে মন্ত্রিপরিষদে সংশোধিত খসড়া আইন পাস হওয়াকে সাধুবাদ জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কশিমন (দুদক)।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে সোমবার বিকেলে দুদকের খসড়া আইন পাসের বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়ায় দুদক কমিশনার (তদন্ত) মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু এ সাধুবাদ জানান।

সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বলেন, ‘দুদকের পক্ষে সীমিত জনবল নিয়ে ব্যক্তি পর্যায়ের প্রতারণা ও জালিয়াতির অপরাধের অনুসন্ধান ও তদন্ত করা সম্ভব হচ্ছিল না। ফলে সাধারণ জনগণকে পর্যাপ্ত ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। পুলিশের জনবল বেশি থাকায় তাদের পক্ষে ব্যক্তি পর্যায়ের প্রতারণা ও জালিয়াতির মামলা দেখা অধিকতর সহজ। এক সময় পুলিশই এ ধরনের মামলার দেখভাল করত।’

তিনি বলেন, ‘আজ সংশোধন করে খসড়া আইন পাস হয়েছে। এটা হলে দুদক তাদের সক্ষমতা অনুসারে কাজ করতে পারবে। একই সঙ্গে ব্যক্তি পর্যায়ে দুদকের দায়ের করা মামলাগুলো পুলিশের কাছে ফেরত নেওয়ার ব্যবস্থার গ্রহণ করা জরুরী।’

‘সরকারের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের দুর্নীতি দুদক দেখবে’ বলেও জানান তিনি।

দুদকের তফসিলভুক্ত মানিলন্ডারিং অপরাধের তদন্তভার পুলিশকে দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে চুপ্পু বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা আমাদের মতামত দিয়েছি। মানিলন্ডারিং অপরাধ দুদকের তফসিলভুক্ত অপরাধ। দুর্নীতি দমন ব্যুরোর আমলেও এ ক্ষমতা ছিল। ওই আইনের মাধ্যমেই প্রয়োজনে দুদক, সিআইডি কিংবা পুলিশকে দিয়ে মানিলন্ডারিং অপরাধ অনুসন্ধান ও তদন্ত করার সুযোগ ছিল। এরপরও নতুন করে আইন সংশোধন করে যদি পুলিশ কিংবা অন্য কাউকে দেওয়া হয় তবে তা হবে অপ্রয়োজনীয় ও অপ্রত্যাশিত।’

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দণ্ডবিধি ৪২০ ধারার অপরাধ প্রতারণা এবং ৪৬৭ ও ৪৬৮ ধারাসহ আত্মসাৎ ও জালিয়াতির মামলা দুদক আইন থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। আইন পাসের পর এ সব মামলার তদন্ত আর দুদককে করতে হবে না।

তবে সরকারি অর্থ-সম্পত্তি আত্মসাৎ সংক্রান্ত প্রতারণা, সরকারি কর্মকর্তা ও ব্যাংকের কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনকালে প্রতারণা ও জালিয়াতি মামলা তদন্ত করবে দুদক। আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে ‘দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৫’ এর খসড়ায় এ সব বিষয়ে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।