ঢাকা ০১:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক বগুড়াকে আধুনিক শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জুন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই শুরু হবে বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশাখী সাজে শোবিজ তারকারা জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর বিএনপি বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘লাল কাপড়ের মোড়ানো খাতা’ কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

জামের অনেক গুণ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:১২:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০১৫
  • ২৩১৬ বার

জাম। গ্রীষ্মকালীন ফল। জামের পাশাপাশি গোলাপ জামও অধিক জনপ্রিয়। এটি টক ফল হিসেবেই বেশি পরিচিত। তবে সাধারণ জামের চেয়ে গোলাপ জাম একটু কম টক। সাধারণ জাম খেতে কিছুটা শক্ত ও কষ।

বিচির তুলনায় ভক্ষণযোগ্য অংশ পরিমাণে কম। কিন্তু গোলাপ জাম কিছুটা টক-মিষ্টি স্বাদের। এর চাহিদা বেশি। বিচির তুলনায় খাওয়া বা ভক্ষণযোগ্য অংশ পরিমাণে বেশি। তাই সাশ্রয়ীও।

প্রতি ১০০ গ্রাম কালোজামে থাকে প্রায় ৮৪ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি। গোলাপ জামের প্রতিটিতে রয়েছে প্রায় ৪০ কিলোক্যালরি। তাই ফলটি অনেক পুষ্টিগুণে ভরপুর।

প্রতি ১০০ গ্রাম জামে আছে আমিষ, শ্বেতসার, খনিজ লবণ, স্নেহ, ভিটামিন বি-এ, ভিটামিন বি-২, ভিটামিন-সি, পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম আয়রণ, ক্যারোটিন ও ফসফরাস। কালোজামের রস শরীরে রক্ত বাড়ায়। মুখের রুচি বাড়ায়। হজমশক্তিও বাড়ে।

তাছাড়া মুখে জ্বরঠুসা হলে তা দ্রুত সারায় জাম ও গোলাপ জাম। সব ধরনের জামই হাড় ও দাঁতের শক্তি বাড়ায়। ত্বক ও চুলের পুষ্টিবৃদ্ধির জন্যও অনন্য জাম। চোখের দৃষ্টিশক্তিও বাড়ায় জাম।

ভেষজ ওষুধ তৈরিতে সব ধরনের জামের বিচির ব্যাপক ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে। ডায়াবেটিস, হার্টের সমস্যা, অরুচি, বদহজম, রক্তচাপ ইত্যাদি রোগের ওষুধ তৈরিতে জামের বিচি বা বীজ ব্যবহার করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

জামের অনেক গুণ

আপডেট টাইম : ০৪:১২:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০১৫

জাম। গ্রীষ্মকালীন ফল। জামের পাশাপাশি গোলাপ জামও অধিক জনপ্রিয়। এটি টক ফল হিসেবেই বেশি পরিচিত। তবে সাধারণ জামের চেয়ে গোলাপ জাম একটু কম টক। সাধারণ জাম খেতে কিছুটা শক্ত ও কষ।

বিচির তুলনায় ভক্ষণযোগ্য অংশ পরিমাণে কম। কিন্তু গোলাপ জাম কিছুটা টক-মিষ্টি স্বাদের। এর চাহিদা বেশি। বিচির তুলনায় খাওয়া বা ভক্ষণযোগ্য অংশ পরিমাণে বেশি। তাই সাশ্রয়ীও।

প্রতি ১০০ গ্রাম কালোজামে থাকে প্রায় ৮৪ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি। গোলাপ জামের প্রতিটিতে রয়েছে প্রায় ৪০ কিলোক্যালরি। তাই ফলটি অনেক পুষ্টিগুণে ভরপুর।

প্রতি ১০০ গ্রাম জামে আছে আমিষ, শ্বেতসার, খনিজ লবণ, স্নেহ, ভিটামিন বি-এ, ভিটামিন বি-২, ভিটামিন-সি, পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম আয়রণ, ক্যারোটিন ও ফসফরাস। কালোজামের রস শরীরে রক্ত বাড়ায়। মুখের রুচি বাড়ায়। হজমশক্তিও বাড়ে।

তাছাড়া মুখে জ্বরঠুসা হলে তা দ্রুত সারায় জাম ও গোলাপ জাম। সব ধরনের জামই হাড় ও দাঁতের শক্তি বাড়ায়। ত্বক ও চুলের পুষ্টিবৃদ্ধির জন্যও অনন্য জাম। চোখের দৃষ্টিশক্তিও বাড়ায় জাম।

ভেষজ ওষুধ তৈরিতে সব ধরনের জামের বিচির ব্যাপক ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে। ডায়াবেটিস, হার্টের সমস্যা, অরুচি, বদহজম, রক্তচাপ ইত্যাদি রোগের ওষুধ তৈরিতে জামের বিচি বা বীজ ব্যবহার করা হয়।