ঢাকা ০৯:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

জামের অনেক গুণ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:১২:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০১৫
  • ২৩৩০ বার

জাম। গ্রীষ্মকালীন ফল। জামের পাশাপাশি গোলাপ জামও অধিক জনপ্রিয়। এটি টক ফল হিসেবেই বেশি পরিচিত। তবে সাধারণ জামের চেয়ে গোলাপ জাম একটু কম টক। সাধারণ জাম খেতে কিছুটা শক্ত ও কষ।

বিচির তুলনায় ভক্ষণযোগ্য অংশ পরিমাণে কম। কিন্তু গোলাপ জাম কিছুটা টক-মিষ্টি স্বাদের। এর চাহিদা বেশি। বিচির তুলনায় খাওয়া বা ভক্ষণযোগ্য অংশ পরিমাণে বেশি। তাই সাশ্রয়ীও।

প্রতি ১০০ গ্রাম কালোজামে থাকে প্রায় ৮৪ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি। গোলাপ জামের প্রতিটিতে রয়েছে প্রায় ৪০ কিলোক্যালরি। তাই ফলটি অনেক পুষ্টিগুণে ভরপুর।

প্রতি ১০০ গ্রাম জামে আছে আমিষ, শ্বেতসার, খনিজ লবণ, স্নেহ, ভিটামিন বি-এ, ভিটামিন বি-২, ভিটামিন-সি, পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম আয়রণ, ক্যারোটিন ও ফসফরাস। কালোজামের রস শরীরে রক্ত বাড়ায়। মুখের রুচি বাড়ায়। হজমশক্তিও বাড়ে।

তাছাড়া মুখে জ্বরঠুসা হলে তা দ্রুত সারায় জাম ও গোলাপ জাম। সব ধরনের জামই হাড় ও দাঁতের শক্তি বাড়ায়। ত্বক ও চুলের পুষ্টিবৃদ্ধির জন্যও অনন্য জাম। চোখের দৃষ্টিশক্তিও বাড়ায় জাম।

ভেষজ ওষুধ তৈরিতে সব ধরনের জামের বিচির ব্যাপক ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে। ডায়াবেটিস, হার্টের সমস্যা, অরুচি, বদহজম, রক্তচাপ ইত্যাদি রোগের ওষুধ তৈরিতে জামের বিচি বা বীজ ব্যবহার করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

জামের অনেক গুণ

আপডেট টাইম : ০৪:১২:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০১৫

জাম। গ্রীষ্মকালীন ফল। জামের পাশাপাশি গোলাপ জামও অধিক জনপ্রিয়। এটি টক ফল হিসেবেই বেশি পরিচিত। তবে সাধারণ জামের চেয়ে গোলাপ জাম একটু কম টক। সাধারণ জাম খেতে কিছুটা শক্ত ও কষ।

বিচির তুলনায় ভক্ষণযোগ্য অংশ পরিমাণে কম। কিন্তু গোলাপ জাম কিছুটা টক-মিষ্টি স্বাদের। এর চাহিদা বেশি। বিচির তুলনায় খাওয়া বা ভক্ষণযোগ্য অংশ পরিমাণে বেশি। তাই সাশ্রয়ীও।

প্রতি ১০০ গ্রাম কালোজামে থাকে প্রায় ৮৪ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি। গোলাপ জামের প্রতিটিতে রয়েছে প্রায় ৪০ কিলোক্যালরি। তাই ফলটি অনেক পুষ্টিগুণে ভরপুর।

প্রতি ১০০ গ্রাম জামে আছে আমিষ, শ্বেতসার, খনিজ লবণ, স্নেহ, ভিটামিন বি-এ, ভিটামিন বি-২, ভিটামিন-সি, পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম আয়রণ, ক্যারোটিন ও ফসফরাস। কালোজামের রস শরীরে রক্ত বাড়ায়। মুখের রুচি বাড়ায়। হজমশক্তিও বাড়ে।

তাছাড়া মুখে জ্বরঠুসা হলে তা দ্রুত সারায় জাম ও গোলাপ জাম। সব ধরনের জামই হাড় ও দাঁতের শক্তি বাড়ায়। ত্বক ও চুলের পুষ্টিবৃদ্ধির জন্যও অনন্য জাম। চোখের দৃষ্টিশক্তিও বাড়ায় জাম।

ভেষজ ওষুধ তৈরিতে সব ধরনের জামের বিচির ব্যাপক ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে। ডায়াবেটিস, হার্টের সমস্যা, অরুচি, বদহজম, রক্তচাপ ইত্যাদি রোগের ওষুধ তৈরিতে জামের বিচি বা বীজ ব্যবহার করা হয়।