ঢাকা ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক বগুড়াকে আধুনিক শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জুন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই শুরু হবে বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশাখী সাজে শোবিজ তারকারা জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর বিএনপি বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘লাল কাপড়ের মোড়ানো খাতা’ কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

সিগারেটের উৎসে কর আদায়ে জটিলতা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:২৪:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০১৫
  • ৫৭৪ বার

চলতি অর্থবছর থেকে সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের ওপর ৩ শতাংশ হারে উৎসে কর আরোপ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। কিন্তু বিদ্যমান আইনে এ বিষয়ে নানা জটিলতায় এখন পর্যন্ত ওই কর আদায় করতে পারছে না প্রতিষ্ঠানটি। তাই ওই আইনি জটিলতা দূর করে আরোপিত কর আদায়ে আয়কর শাখাকে উদ্যোগ নিতে বলেছে এনবিআর।

এনবিআরের একটি সূত্র বিষয়টি রাইজিংবিডিকে নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, সম্প্রতি এনবিআরের মূসক শাখা এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করেছে। পরিপত্রে আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪ এর ৫২বি ধারায় সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের ওপর ৩ শতাংশ হারে উৎসে কর আদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) একটি স্বয়ংক্রিয় কর ব্যবস্থা। এ ব্যবস্থায় করদাতা নিজেই নির্ধারিত মূসক সরকারি কোষাগারে জমা করে এবং মাস শেষে সংশ্লিষ্ট সার্কেল অফিসে প্রেরণ করতে পারে। মূসক কর্তৃপক্ষ শুধু মূসক জমার বিষয়টি তত্ত্বাবধান করে থাকে। কিন্তু মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯১ এর বিধি ২৪ অনুযায়ী সার্কেল অফিসে যে দাখিলপত্র প্রেরণ করা হয় এর মাধ্যমে আয়কর আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। অন্যদিকে মূসক জমার হিসাব করদাতা চলতি হিসাবের মাধ্যমে সম্পন্ন করে থাকে। এর ফলে এখানেও আয়কর আদায়ের কোনো সুযোগ নেই।

সুতরাং বিদ্যমান পদ্ধতিতে সিগারেটের ওপর আরোপিত ৩ শতাংশ উৎসে কর আদায়ে জটিলতা পরিলক্ষিত হয়। বাজেটে আরোপিত ওই কর আদায়ে নতুন কিছু পদক্ষেপ জরুরি। তাই ওই জটিলতা নিরসনে আয়কর বিভাগকে উদ্যোগী হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, করদাতা কর্তৃক প্রতি মাসের দাখিলপত্রে উল্লেখিত বিক্রয়ের ওপর ভিত্তি করে ৩ শতাংশ অগ্রিম আয়কর সরকারি কোষাগারে জমা করে চালানের কপি সংশ্লিষ্ট আয়কর অফিসে সরাসরি জমা দেওয়া যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে ট্রেজারি চালানের সঙ্গে মূসক-১৯ এর সত্যায়িত অনুলিপি আয়কর অফিসে দাখিলের বিধান করা যেতে পারে। এ বিষয়ে আয়কর শাখা হতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হল।

এ বিষয়ে এনবিআরের মূসক বিভাগের সচিব পর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘এতদিন সিগারেটের ওপর শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট আদায় করা হতো। কিন্তু ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এ খাতে ৩ শতাংশ উৎসে কর আরোপ করা হয়েছে। এ কর আদায়ে আইনি কিছু জটিলতা থাকায় আয়কর বিভাগকে ওই পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

সিগারেটের উৎসে কর আদায়ে জটিলতা

আপডেট টাইম : ১১:২৪:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০১৫

চলতি অর্থবছর থেকে সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের ওপর ৩ শতাংশ হারে উৎসে কর আরোপ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। কিন্তু বিদ্যমান আইনে এ বিষয়ে নানা জটিলতায় এখন পর্যন্ত ওই কর আদায় করতে পারছে না প্রতিষ্ঠানটি। তাই ওই আইনি জটিলতা দূর করে আরোপিত কর আদায়ে আয়কর শাখাকে উদ্যোগ নিতে বলেছে এনবিআর।

এনবিআরের একটি সূত্র বিষয়টি রাইজিংবিডিকে নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, সম্প্রতি এনবিআরের মূসক শাখা এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করেছে। পরিপত্রে আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪ এর ৫২বি ধারায় সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের ওপর ৩ শতাংশ হারে উৎসে কর আদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) একটি স্বয়ংক্রিয় কর ব্যবস্থা। এ ব্যবস্থায় করদাতা নিজেই নির্ধারিত মূসক সরকারি কোষাগারে জমা করে এবং মাস শেষে সংশ্লিষ্ট সার্কেল অফিসে প্রেরণ করতে পারে। মূসক কর্তৃপক্ষ শুধু মূসক জমার বিষয়টি তত্ত্বাবধান করে থাকে। কিন্তু মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯১ এর বিধি ২৪ অনুযায়ী সার্কেল অফিসে যে দাখিলপত্র প্রেরণ করা হয় এর মাধ্যমে আয়কর আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। অন্যদিকে মূসক জমার হিসাব করদাতা চলতি হিসাবের মাধ্যমে সম্পন্ন করে থাকে। এর ফলে এখানেও আয়কর আদায়ের কোনো সুযোগ নেই।

সুতরাং বিদ্যমান পদ্ধতিতে সিগারেটের ওপর আরোপিত ৩ শতাংশ উৎসে কর আদায়ে জটিলতা পরিলক্ষিত হয়। বাজেটে আরোপিত ওই কর আদায়ে নতুন কিছু পদক্ষেপ জরুরি। তাই ওই জটিলতা নিরসনে আয়কর বিভাগকে উদ্যোগী হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, করদাতা কর্তৃক প্রতি মাসের দাখিলপত্রে উল্লেখিত বিক্রয়ের ওপর ভিত্তি করে ৩ শতাংশ অগ্রিম আয়কর সরকারি কোষাগারে জমা করে চালানের কপি সংশ্লিষ্ট আয়কর অফিসে সরাসরি জমা দেওয়া যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে ট্রেজারি চালানের সঙ্গে মূসক-১৯ এর সত্যায়িত অনুলিপি আয়কর অফিসে দাখিলের বিধান করা যেতে পারে। এ বিষয়ে আয়কর শাখা হতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হল।

এ বিষয়ে এনবিআরের মূসক বিভাগের সচিব পর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘এতদিন সিগারেটের ওপর শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট আদায় করা হতো। কিন্তু ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এ খাতে ৩ শতাংশ উৎসে কর আরোপ করা হয়েছে। এ কর আদায়ে আইনি কিছু জটিলতা থাকায় আয়কর বিভাগকে ওই পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।’