ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

সিগারেটের উৎসে কর আদায়ে জটিলতা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:২৪:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০১৫
  • ৫৯৬ বার

চলতি অর্থবছর থেকে সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের ওপর ৩ শতাংশ হারে উৎসে কর আরোপ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। কিন্তু বিদ্যমান আইনে এ বিষয়ে নানা জটিলতায় এখন পর্যন্ত ওই কর আদায় করতে পারছে না প্রতিষ্ঠানটি। তাই ওই আইনি জটিলতা দূর করে আরোপিত কর আদায়ে আয়কর শাখাকে উদ্যোগ নিতে বলেছে এনবিআর।

এনবিআরের একটি সূত্র বিষয়টি রাইজিংবিডিকে নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, সম্প্রতি এনবিআরের মূসক শাখা এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করেছে। পরিপত্রে আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪ এর ৫২বি ধারায় সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের ওপর ৩ শতাংশ হারে উৎসে কর আদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) একটি স্বয়ংক্রিয় কর ব্যবস্থা। এ ব্যবস্থায় করদাতা নিজেই নির্ধারিত মূসক সরকারি কোষাগারে জমা করে এবং মাস শেষে সংশ্লিষ্ট সার্কেল অফিসে প্রেরণ করতে পারে। মূসক কর্তৃপক্ষ শুধু মূসক জমার বিষয়টি তত্ত্বাবধান করে থাকে। কিন্তু মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯১ এর বিধি ২৪ অনুযায়ী সার্কেল অফিসে যে দাখিলপত্র প্রেরণ করা হয় এর মাধ্যমে আয়কর আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। অন্যদিকে মূসক জমার হিসাব করদাতা চলতি হিসাবের মাধ্যমে সম্পন্ন করে থাকে। এর ফলে এখানেও আয়কর আদায়ের কোনো সুযোগ নেই।

সুতরাং বিদ্যমান পদ্ধতিতে সিগারেটের ওপর আরোপিত ৩ শতাংশ উৎসে কর আদায়ে জটিলতা পরিলক্ষিত হয়। বাজেটে আরোপিত ওই কর আদায়ে নতুন কিছু পদক্ষেপ জরুরি। তাই ওই জটিলতা নিরসনে আয়কর বিভাগকে উদ্যোগী হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, করদাতা কর্তৃক প্রতি মাসের দাখিলপত্রে উল্লেখিত বিক্রয়ের ওপর ভিত্তি করে ৩ শতাংশ অগ্রিম আয়কর সরকারি কোষাগারে জমা করে চালানের কপি সংশ্লিষ্ট আয়কর অফিসে সরাসরি জমা দেওয়া যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে ট্রেজারি চালানের সঙ্গে মূসক-১৯ এর সত্যায়িত অনুলিপি আয়কর অফিসে দাখিলের বিধান করা যেতে পারে। এ বিষয়ে আয়কর শাখা হতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হল।

এ বিষয়ে এনবিআরের মূসক বিভাগের সচিব পর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘এতদিন সিগারেটের ওপর শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট আদায় করা হতো। কিন্তু ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এ খাতে ৩ শতাংশ উৎসে কর আরোপ করা হয়েছে। এ কর আদায়ে আইনি কিছু জটিলতা থাকায় আয়কর বিভাগকে ওই পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

সিগারেটের উৎসে কর আদায়ে জটিলতা

আপডেট টাইম : ১১:২৪:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০১৫

চলতি অর্থবছর থেকে সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের ওপর ৩ শতাংশ হারে উৎসে কর আরোপ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। কিন্তু বিদ্যমান আইনে এ বিষয়ে নানা জটিলতায় এখন পর্যন্ত ওই কর আদায় করতে পারছে না প্রতিষ্ঠানটি। তাই ওই আইনি জটিলতা দূর করে আরোপিত কর আদায়ে আয়কর শাখাকে উদ্যোগ নিতে বলেছে এনবিআর।

এনবিআরের একটি সূত্র বিষয়টি রাইজিংবিডিকে নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, সম্প্রতি এনবিআরের মূসক শাখা এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করেছে। পরিপত্রে আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪ এর ৫২বি ধারায় সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের ওপর ৩ শতাংশ হারে উৎসে কর আদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) একটি স্বয়ংক্রিয় কর ব্যবস্থা। এ ব্যবস্থায় করদাতা নিজেই নির্ধারিত মূসক সরকারি কোষাগারে জমা করে এবং মাস শেষে সংশ্লিষ্ট সার্কেল অফিসে প্রেরণ করতে পারে। মূসক কর্তৃপক্ষ শুধু মূসক জমার বিষয়টি তত্ত্বাবধান করে থাকে। কিন্তু মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯১ এর বিধি ২৪ অনুযায়ী সার্কেল অফিসে যে দাখিলপত্র প্রেরণ করা হয় এর মাধ্যমে আয়কর আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। অন্যদিকে মূসক জমার হিসাব করদাতা চলতি হিসাবের মাধ্যমে সম্পন্ন করে থাকে। এর ফলে এখানেও আয়কর আদায়ের কোনো সুযোগ নেই।

সুতরাং বিদ্যমান পদ্ধতিতে সিগারেটের ওপর আরোপিত ৩ শতাংশ উৎসে কর আদায়ে জটিলতা পরিলক্ষিত হয়। বাজেটে আরোপিত ওই কর আদায়ে নতুন কিছু পদক্ষেপ জরুরি। তাই ওই জটিলতা নিরসনে আয়কর বিভাগকে উদ্যোগী হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, করদাতা কর্তৃক প্রতি মাসের দাখিলপত্রে উল্লেখিত বিক্রয়ের ওপর ভিত্তি করে ৩ শতাংশ অগ্রিম আয়কর সরকারি কোষাগারে জমা করে চালানের কপি সংশ্লিষ্ট আয়কর অফিসে সরাসরি জমা দেওয়া যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে ট্রেজারি চালানের সঙ্গে মূসক-১৯ এর সত্যায়িত অনুলিপি আয়কর অফিসে দাখিলের বিধান করা যেতে পারে। এ বিষয়ে আয়কর শাখা হতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হল।

এ বিষয়ে এনবিআরের মূসক বিভাগের সচিব পর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘এতদিন সিগারেটের ওপর শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট আদায় করা হতো। কিন্তু ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এ খাতে ৩ শতাংশ উৎসে কর আরোপ করা হয়েছে। এ কর আদায়ে আইনি কিছু জটিলতা থাকায় আয়কর বিভাগকে ওই পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।’