ঢাকা ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

হাওরের কৃষকদের ঘরে ধান না ওঠা পর্যন্ত সরকার তাদের পাশে থাকবে: ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:৫১:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ এপ্রিল ২০১৭
  • ৪০৪ বার

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ হাওরের কৃষকদের ঘরে ধান না ওঠা পর্যন্ত সরকার তাদের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া।মঙ্গলবার কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

ত্রাণমন্ত্রী বলেন, হাওরের লোকজনকে যত ধরণের সাহায্য সহযোগিতা করা দরকার, সরকার তা করবে। আগামী বোরো ফসল উঠার আগ পর্যন্ত, সরকার তাদের পাশে থাকবে।

“আপনাদের যতদিন পর্যন্ত কষ্ট লাঘব না হবে, আপনাদের ঘরে যতদিন ধান না উঠবে ততদিন পর্যন্ত খাওয়ার ব্যবস্থা আমরা করব।”

অসময়ে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় বোরো ধান তলিয়ে গেছে।

হাওরের বিস্তীর্ণ এলাকার ফসল তলিয়ে যাওয়ায় উৎকণ্ঠাও প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
হাওরে ফসল তলিয়ে যাওয়ায় এলাকাকে দুর্গত এলাকা ঘোষণার কৃষক-ক্ষেতমজুর সমিতির নেতাদের দাবি কথা উল্লেখ করে মায়া বলেন, হাওর এলাকাকে দুর্গত এলাকা ঘোষণার প্রয়োজন নেই। তা আর প্রয়োজন হবে না।

“অকাল বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে ফসলের যে ক্ষতি হয়েছে, তাতে দেশে খাদ্য ঘাটতি হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। ক্ষণিকের এ দুর্যোগ দ্রুত কাটিয়ে উঠবে এখানকার মানুষ।”

এর আগে মন্ত্রী স্পিডবোট যোগে মিঠামইন উপজেলার আতপাশা এবং ইটনা উপজেলার জয়সিদ্ধি ও মৃগা গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনের এক ফাঁকে আতপাশার আবদুল গনি ভূইয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ক্ষতিগ্রস্ত ১০৭ জন কৃষকের হাতে ২০ কেজি করে চাল তুলে দেন তিনি।

এ সময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামাল, কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আজিমুদ্দিন বিশ্বাস, পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন খান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সন্ধ্যায় মন্ত্রী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে মত বিনিময় করেন।

হাওরে যেসব কৃষকের ফসল নষ্ট হয়েছে তাদের ঋণ মওকুফে সরকারকে সুপারিশ করা হবে বলে রোববার সুনামগঞ্জে জানিয়েছিলৈন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

হাওরের কৃষকদের ঘরে ধান না ওঠা পর্যন্ত সরকার তাদের পাশে থাকবে: ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া

আপডেট টাইম : ০১:৫১:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ এপ্রিল ২০১৭

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ হাওরের কৃষকদের ঘরে ধান না ওঠা পর্যন্ত সরকার তাদের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া।মঙ্গলবার কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

ত্রাণমন্ত্রী বলেন, হাওরের লোকজনকে যত ধরণের সাহায্য সহযোগিতা করা দরকার, সরকার তা করবে। আগামী বোরো ফসল উঠার আগ পর্যন্ত, সরকার তাদের পাশে থাকবে।

“আপনাদের যতদিন পর্যন্ত কষ্ট লাঘব না হবে, আপনাদের ঘরে যতদিন ধান না উঠবে ততদিন পর্যন্ত খাওয়ার ব্যবস্থা আমরা করব।”

অসময়ে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় বোরো ধান তলিয়ে গেছে।

হাওরের বিস্তীর্ণ এলাকার ফসল তলিয়ে যাওয়ায় উৎকণ্ঠাও প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
হাওরে ফসল তলিয়ে যাওয়ায় এলাকাকে দুর্গত এলাকা ঘোষণার কৃষক-ক্ষেতমজুর সমিতির নেতাদের দাবি কথা উল্লেখ করে মায়া বলেন, হাওর এলাকাকে দুর্গত এলাকা ঘোষণার প্রয়োজন নেই। তা আর প্রয়োজন হবে না।

“অকাল বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে ফসলের যে ক্ষতি হয়েছে, তাতে দেশে খাদ্য ঘাটতি হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। ক্ষণিকের এ দুর্যোগ দ্রুত কাটিয়ে উঠবে এখানকার মানুষ।”

এর আগে মন্ত্রী স্পিডবোট যোগে মিঠামইন উপজেলার আতপাশা এবং ইটনা উপজেলার জয়সিদ্ধি ও মৃগা গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনের এক ফাঁকে আতপাশার আবদুল গনি ভূইয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ক্ষতিগ্রস্ত ১০৭ জন কৃষকের হাতে ২০ কেজি করে চাল তুলে দেন তিনি।

এ সময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামাল, কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আজিমুদ্দিন বিশ্বাস, পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন খান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সন্ধ্যায় মন্ত্রী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে মত বিনিময় করেন।

হাওরে যেসব কৃষকের ফসল নষ্ট হয়েছে তাদের ঋণ মওকুফে সরকারকে সুপারিশ করা হবে বলে রোববার সুনামগঞ্জে জানিয়েছিলৈন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান।