ঢাকা ১১:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ৫ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রশ্নবিদ্ধ হবে শিক্ষা খাতে অর্জন’অবসর সুবিধা বোর্ডসদস্য সচিব ‘অধ্যক্ষ আসাদুল হক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:৩৯:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০১৫
  • ৪৫৭ বার

জুলাই থেকে বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে অষ্টম জাতীয় পে-স্কেল। এ নিয়ে বেসরকারি শিক্ষকদের মধ্যে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। কারণ এই পে-স্কেলে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী অন্তর্ভুক্ত আছে কিনা তা এখনও পরিষ্কার নয়। শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা সচিব অবশ্য বলেছেন অতীতে যেহেতু বেসরকারি শিক্ষক- কর্মচারীরা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে জাতীয় পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন এবারও এর ব্যত্যয় ঘটবে না বলে মনে করেন। তারা এও বলেছেন বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে না- এ রকম কোন ঘোষণা সরকার থেকে যেহেতু দেয়া হয়নি এ নিয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই।  তবুও প্রশ্ন বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীরা পে-স্কেল নিয়ে কেন আস্থাহীনতায় ভুগছেন? এর প্রধানতম কারণ জাতীয় বেতন কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন সাহেবের বেতন কমিশন রিপোর্টের একটি বক্তব্য। তিনি বেতন কমিশন রিপোর্ট দেয়ার সময় বলেছিলেন বেসরকারি শিক্ষক- কর্মচারীদের ক্ষেত্রে নতুন জাতীয় বেতন স্কেল ১লা জুলাই থেকে কার্যকর হলেও বেসরকারি শিক্ষক- কর্মচারীদের ক্ষেত্রে তা ৬ মাস পর কার্যকর করা হবে। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেছিলেন বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের পাওনা হিসাবনিকাশ শেষ করা যায়নি। জাতীয় চাকরি ও বেতন কমিশনের চেয়ারম্যান যখন এ কথা বলেন তখন সঙ্গত কারণেই শিক্ষকরা বিক্ষুব্ধ হবেন- এটাই স্বাভাবিক। কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন দেশের একজন গুণী ব্যক্তি। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ছিলেন। একজন সফল আমলা। জাতীয় বেতন কমিশনের সঙ্গে বেসরকারি শিক্ষকদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি-দাওয়া নিয়ে শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দল তার জাতীয় বেতন কমিশনের কার্যালয়ে গিয়েছিলাম। তার সঙ্গে কথা বলে মনে হয়েছিল তিনি বেসরকারি শিক্ষা ও শিক্ষকদের সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা পোষণ করেন। আমরা সেদিন চেষ্টা করেছিলাম যুক্তি দিয়ে বেসরকারি শিক্ষকদের সমস্যাগুলো তুলে ধরতে। কমিশনের চেয়ারম্যানের কথার সূত্র ধরে আমরা এও বলেছিলাম বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সমস্ত আয় সরকারি কোষাগারে জমা করে হলেও শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ করা হোক। আমরা সেদিন তাকে এ কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলাম এদেশের মোট শিক্ষার প্রায় ৯৭ ভাগ বেসরকারিভাবে পরিচালিত হচ্ছে। তাদের উন্নয়ন ছাড়া শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন এবং শিক্ষার মানোন্নয়ন কোন ভাবেই সম্ভব নয়। শিক্ষকদের উপেক্ষা করে দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সুশাসন বাধাগ্রস্ত হবে। এদেশের শিক্ষক সমাজ বরাবরই উপেক্ষিত ছিল। সে সময় যারা শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত ছিলেন তারাও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে শিক্ষার আলো ছড়ানোর ব্রত নিয়েই শিক্ষকতায় আসেন। বিত্তবানদের সহযোগিতায় ক্রমে ক্রমে এ দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। শিক্ষকরা সে সময় আর্থিক কোন সুবিধা পেতেন না। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু যুদ্ধ বিধ্বস্ত অর্থনৈতিক দুরবস্থার মধ্যেও ৩৭ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করেছিলেন এবং মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষকদের জন্য ৭৫ টাকা এবং কলেজ শিক্ষকদের জন্য ১০০ টাকা বেতন ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু সরকারই বেসরকারি শিক্ষক- কর্মচারীদের জন্য কল্যাণ ট্রাস্ট চালু করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। পর্যায়ক্রমে বেসরকারি শিক্ষকদের আন্দোলনের ফলে তাদের মূল বেতনের ৫০%, ৬০%, ৭০%, ৮০%, ৯০% এবং এক পর্যায়ে ১০০% বেতন কার্যকর হয়। এক সময় জাতীয় পে-স্কেলে শিক্ষকরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না। শিক্ষকদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে এক পর্যায়ে জাতীয় পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত হয়। কেবলমাত্র ১৯৯৭ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপে বেসরকারি শিক্ষকরা কোন প্রকার আন্দোলন ছাড়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে জাতীয় পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত হয়। পরবর্তীতে ২০০৫ এবং ২০০৯ সালে ধারাবাহিকভাবে তা অব্যাহত থাকে। এমনকি সর্বশেষ ২০১৩ সালে সরকার ঘোষিত ২০% মহার্ঘ্যভাতা সরকারি কর্মকর্তা- কর্মচারীদের সঙ্গে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীরা প্রাপ্ত হন। সর্বশেষ অষ্টম বেতন স্কেলেও বেসরকারি শিক্ষক- কর্মচারীরা অন্তর্ভুক্ত হবেন- এটাই স্বাভাবিক এবং শিক্ষক-কর্মচারীরা সেটাই আশা করেছিল। আমরা আশা করি, সরকার অবশ্যই এ ব্যাপারে আন্তরিক হবেন। শিক্ষা খাতে বর্তমান সরকারের অর্জন অবশ্যই উল্লেখ করার মতো। শিক্ষানীতি প্রণয়ন, ২৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ, ১৬২৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তকরণ, বিনামূল্যে নতুন বই প্রদান, স্কুল পর্যায়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক ও সহকারী লাইব্রেরিয়ান পদ সৃষ্টি, মাদরাসার শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য লাঘব, কলেজ শিক্ষকদের স্থগিতকৃত টাইম স্কেল পুনঃচালুকরণ, মাদরাসায় অনার্স চালু, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরও বেশ কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এসবই বর্তমান সরকারের অর্জন। নতুন পে-স্কেলে বেসরকারি শিক্ষক- কর্মচারীদের অন্তর্ভুক্ত করা না হলে শিক্ষায় বর্তমান সরকারের সকল অর্জন ধূলিসাৎ হয়ে যাবে। বিষয়টি নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টির সুযোগে তৃতীয় কোন পক্ষ শিক্ষকদের ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা নেয়ার চেষ্টা করতে পারে। এছাড়া, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষকদের ব্যাপারে যথেষ্ট সহানুভূতিশীল, অতীতে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তা প্রমাণিত হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিতে বিষয়টি যাবার পর অবশ্যই তিনি বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলে অন্তর্র্ভুক্ত করার নির্দেশ দেবেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রশ্নবিদ্ধ হবে শিক্ষা খাতে অর্জন’অবসর সুবিধা বোর্ডসদস্য সচিব ‘অধ্যক্ষ আসাদুল হক

আপডেট টাইম : ০৬:৩৯:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০১৫

জুলাই থেকে বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে অষ্টম জাতীয় পে-স্কেল। এ নিয়ে বেসরকারি শিক্ষকদের মধ্যে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। কারণ এই পে-স্কেলে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী অন্তর্ভুক্ত আছে কিনা তা এখনও পরিষ্কার নয়। শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা সচিব অবশ্য বলেছেন অতীতে যেহেতু বেসরকারি শিক্ষক- কর্মচারীরা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে জাতীয় পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন এবারও এর ব্যত্যয় ঘটবে না বলে মনে করেন। তারা এও বলেছেন বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে না- এ রকম কোন ঘোষণা সরকার থেকে যেহেতু দেয়া হয়নি এ নিয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই।  তবুও প্রশ্ন বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীরা পে-স্কেল নিয়ে কেন আস্থাহীনতায় ভুগছেন? এর প্রধানতম কারণ জাতীয় বেতন কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন সাহেবের বেতন কমিশন রিপোর্টের একটি বক্তব্য। তিনি বেতন কমিশন রিপোর্ট দেয়ার সময় বলেছিলেন বেসরকারি শিক্ষক- কর্মচারীদের ক্ষেত্রে নতুন জাতীয় বেতন স্কেল ১লা জুলাই থেকে কার্যকর হলেও বেসরকারি শিক্ষক- কর্মচারীদের ক্ষেত্রে তা ৬ মাস পর কার্যকর করা হবে। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেছিলেন বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের পাওনা হিসাবনিকাশ শেষ করা যায়নি। জাতীয় চাকরি ও বেতন কমিশনের চেয়ারম্যান যখন এ কথা বলেন তখন সঙ্গত কারণেই শিক্ষকরা বিক্ষুব্ধ হবেন- এটাই স্বাভাবিক। কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন দেশের একজন গুণী ব্যক্তি। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ছিলেন। একজন সফল আমলা। জাতীয় বেতন কমিশনের সঙ্গে বেসরকারি শিক্ষকদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি-দাওয়া নিয়ে শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দল তার জাতীয় বেতন কমিশনের কার্যালয়ে গিয়েছিলাম। তার সঙ্গে কথা বলে মনে হয়েছিল তিনি বেসরকারি শিক্ষা ও শিক্ষকদের সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা পোষণ করেন। আমরা সেদিন চেষ্টা করেছিলাম যুক্তি দিয়ে বেসরকারি শিক্ষকদের সমস্যাগুলো তুলে ধরতে। কমিশনের চেয়ারম্যানের কথার সূত্র ধরে আমরা এও বলেছিলাম বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সমস্ত আয় সরকারি কোষাগারে জমা করে হলেও শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ করা হোক। আমরা সেদিন তাকে এ কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলাম এদেশের মোট শিক্ষার প্রায় ৯৭ ভাগ বেসরকারিভাবে পরিচালিত হচ্ছে। তাদের উন্নয়ন ছাড়া শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন এবং শিক্ষার মানোন্নয়ন কোন ভাবেই সম্ভব নয়। শিক্ষকদের উপেক্ষা করে দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সুশাসন বাধাগ্রস্ত হবে। এদেশের শিক্ষক সমাজ বরাবরই উপেক্ষিত ছিল। সে সময় যারা শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত ছিলেন তারাও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে শিক্ষার আলো ছড়ানোর ব্রত নিয়েই শিক্ষকতায় আসেন। বিত্তবানদের সহযোগিতায় ক্রমে ক্রমে এ দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। শিক্ষকরা সে সময় আর্থিক কোন সুবিধা পেতেন না। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু যুদ্ধ বিধ্বস্ত অর্থনৈতিক দুরবস্থার মধ্যেও ৩৭ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করেছিলেন এবং মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষকদের জন্য ৭৫ টাকা এবং কলেজ শিক্ষকদের জন্য ১০০ টাকা বেতন ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু সরকারই বেসরকারি শিক্ষক- কর্মচারীদের জন্য কল্যাণ ট্রাস্ট চালু করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। পর্যায়ক্রমে বেসরকারি শিক্ষকদের আন্দোলনের ফলে তাদের মূল বেতনের ৫০%, ৬০%, ৭০%, ৮০%, ৯০% এবং এক পর্যায়ে ১০০% বেতন কার্যকর হয়। এক সময় জাতীয় পে-স্কেলে শিক্ষকরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না। শিক্ষকদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে এক পর্যায়ে জাতীয় পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত হয়। কেবলমাত্র ১৯৯৭ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপে বেসরকারি শিক্ষকরা কোন প্রকার আন্দোলন ছাড়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে জাতীয় পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত হয়। পরবর্তীতে ২০০৫ এবং ২০০৯ সালে ধারাবাহিকভাবে তা অব্যাহত থাকে। এমনকি সর্বশেষ ২০১৩ সালে সরকার ঘোষিত ২০% মহার্ঘ্যভাতা সরকারি কর্মকর্তা- কর্মচারীদের সঙ্গে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীরা প্রাপ্ত হন। সর্বশেষ অষ্টম বেতন স্কেলেও বেসরকারি শিক্ষক- কর্মচারীরা অন্তর্ভুক্ত হবেন- এটাই স্বাভাবিক এবং শিক্ষক-কর্মচারীরা সেটাই আশা করেছিল। আমরা আশা করি, সরকার অবশ্যই এ ব্যাপারে আন্তরিক হবেন। শিক্ষা খাতে বর্তমান সরকারের অর্জন অবশ্যই উল্লেখ করার মতো। শিক্ষানীতি প্রণয়ন, ২৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ, ১৬২৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তকরণ, বিনামূল্যে নতুন বই প্রদান, স্কুল পর্যায়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক ও সহকারী লাইব্রেরিয়ান পদ সৃষ্টি, মাদরাসার শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য লাঘব, কলেজ শিক্ষকদের স্থগিতকৃত টাইম স্কেল পুনঃচালুকরণ, মাদরাসায় অনার্স চালু, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরও বেশ কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এসবই বর্তমান সরকারের অর্জন। নতুন পে-স্কেলে বেসরকারি শিক্ষক- কর্মচারীদের অন্তর্ভুক্ত করা না হলে শিক্ষায় বর্তমান সরকারের সকল অর্জন ধূলিসাৎ হয়ে যাবে। বিষয়টি নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টির সুযোগে তৃতীয় কোন পক্ষ শিক্ষকদের ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা নেয়ার চেষ্টা করতে পারে। এছাড়া, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষকদের ব্যাপারে যথেষ্ট সহানুভূতিশীল, অতীতে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তা প্রমাণিত হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিতে বিষয়টি যাবার পর অবশ্যই তিনি বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলে অন্তর্র্ভুক্ত করার নির্দেশ দেবেন।