ঢাকা ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
নিকলী-বাজিতপুরের সাবেক ইউএনও সোহানা নাসরিন এবার কিশোরগঞ্জের ডিসি জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক বগুড়াকে আধুনিক শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জুন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই শুরু হবে বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশাখী সাজে শোবিজ তারকারা জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর বিএনপি বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘লাল কাপড়ের মোড়ানো খাতা’

সূর্যমুখী চাষে লাভবান

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:৩৪:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মার্চ ২০১৭
  • ৩১৬ বার

গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলায় তেলবীজ হিসেবে সূর্যমুখী ফুলের চাষ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। স্বল্প ব্যয়ে লাভজনক হওয়ায় সূর্যমুখী চাষে বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। এবার মুকসুদপুর উপজেলায় পরীক্ষারমূলকভাবে পিরোজপুর, গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট সম্মলিত কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলা ১৩টি স্থানে সূর্যমুখী আবাদ করা হয়েছে। কৃষরা সাফল্য পাওয়ায় অন্যান্য কৃষকরা সূর্যমুখী চাষে ঝুঁকে পড়ছে। স্থানীয় চাষিরা জানান, বন্যা আক্রান্ত এলাকায় ব্যাপকভাবে সরিষার আবাদ করা হতো। কিন্তু সরিষার চেয়ে সূর্যমুখী লাভজনক শস্য হওয়ায় কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পে এ বছর সূর্যমুখী চাষে স্থানীয় কৃষকদের সচেতন করে রোপণের জন্য ফ্রি বিজ দেন, কৃষকরা জমিতে সূর্যমুখী চাষ শুরু করেন। চাষিরা জানান, অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে জমিতে সারিবদ্ধভাবে বীজ বপন করা হয়। প্রতি বিঘা জমিতে ৩ কেজি বীজ, সামান্য পরিমাণ রাসায়নিক সার ও দু’বার সেচ দিতে হয় এ ফসলে। সবকিছু মিলিয়ে প্রতি বিঘায় খরচ হয় প্রায় ২-৩ হাজার টাকা। ফলন ভালো হলে প্রতি বিঘায় ১০-১২ মণ তৈল বিজ হয়। সূর্যমুখী গাছ জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার করা যয়। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, উৎপাদিত সূর্যমুখী বীজ বাজারে ১৪০০-১৫০০ টাকা মণ দরে বিক্রি করা যাবে। আর তা থেকে একজন কৃষকের খরচ বাদে লাভ হবে বিঘায় ১৪০০০-১৫০০০ টাকা। উপজেলা পশারগাতী ইউনিয়নের কাউলদিয়া গ্রামের রাজ্জাক মোল্যার স্ত্রী আকলিমা বেগম জানান ‘আমরা দোফসলি জমিতে এ ফসলের চাষ করেছি অল্প পরিশ্রমে এ ফসল উৎপাদন করে লাভের মুখ দেখছি। মুকসুদপুর উপজেলা উপসহকারী কৃষি অফিসার সোলাইমান হোসেন জানান, সূর্যমুখী ভোজ্য তেল হিসেবে গুণগতমান ভালো। বাজারে সূর্যমুখীর চাহিদা ও দাম ভালো থাকায় চাষিদের হাসি ফুটবে। সূর্যমুখী চাষ দেখে কৃষকরা আগামীতে চাষ করার জন্য আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

নিকলী-বাজিতপুরের সাবেক ইউএনও সোহানা নাসরিন এবার কিশোরগঞ্জের ডিসি

সূর্যমুখী চাষে লাভবান

আপডেট টাইম : ০১:৩৪:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মার্চ ২০১৭

গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলায় তেলবীজ হিসেবে সূর্যমুখী ফুলের চাষ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। স্বল্প ব্যয়ে লাভজনক হওয়ায় সূর্যমুখী চাষে বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। এবার মুকসুদপুর উপজেলায় পরীক্ষারমূলকভাবে পিরোজপুর, গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট সম্মলিত কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলা ১৩টি স্থানে সূর্যমুখী আবাদ করা হয়েছে। কৃষরা সাফল্য পাওয়ায় অন্যান্য কৃষকরা সূর্যমুখী চাষে ঝুঁকে পড়ছে। স্থানীয় চাষিরা জানান, বন্যা আক্রান্ত এলাকায় ব্যাপকভাবে সরিষার আবাদ করা হতো। কিন্তু সরিষার চেয়ে সূর্যমুখী লাভজনক শস্য হওয়ায় কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পে এ বছর সূর্যমুখী চাষে স্থানীয় কৃষকদের সচেতন করে রোপণের জন্য ফ্রি বিজ দেন, কৃষকরা জমিতে সূর্যমুখী চাষ শুরু করেন। চাষিরা জানান, অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে জমিতে সারিবদ্ধভাবে বীজ বপন করা হয়। প্রতি বিঘা জমিতে ৩ কেজি বীজ, সামান্য পরিমাণ রাসায়নিক সার ও দু’বার সেচ দিতে হয় এ ফসলে। সবকিছু মিলিয়ে প্রতি বিঘায় খরচ হয় প্রায় ২-৩ হাজার টাকা। ফলন ভালো হলে প্রতি বিঘায় ১০-১২ মণ তৈল বিজ হয়। সূর্যমুখী গাছ জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার করা যয়। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, উৎপাদিত সূর্যমুখী বীজ বাজারে ১৪০০-১৫০০ টাকা মণ দরে বিক্রি করা যাবে। আর তা থেকে একজন কৃষকের খরচ বাদে লাভ হবে বিঘায় ১৪০০০-১৫০০০ টাকা। উপজেলা পশারগাতী ইউনিয়নের কাউলদিয়া গ্রামের রাজ্জাক মোল্যার স্ত্রী আকলিমা বেগম জানান ‘আমরা দোফসলি জমিতে এ ফসলের চাষ করেছি অল্প পরিশ্রমে এ ফসল উৎপাদন করে লাভের মুখ দেখছি। মুকসুদপুর উপজেলা উপসহকারী কৃষি অফিসার সোলাইমান হোসেন জানান, সূর্যমুখী ভোজ্য তেল হিসেবে গুণগতমান ভালো। বাজারে সূর্যমুখীর চাহিদা ও দাম ভালো থাকায় চাষিদের হাসি ফুটবে। সূর্যমুখী চাষ দেখে কৃষকরা আগামীতে চাষ করার জন্য আগ্রহ দেখাচ্ছেন।