ঢাকা ০৫:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’ বোল্টের চেয়েও দ্রুত দৌড়ানো সেই চীনা রোবটের নতুন চমক মহানবী মুহাম্মদ (সা.) : সব সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ যিনি প্রধানমন্ত্রী ইসলামের আদর্শ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করছেন: মঈন খান চুলে রং করার পর যত্ন নেবেন যেভাবে নেপালে বন্যা: প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক, সহযোগিতার বার্তা নবীজি (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ ছাড়া বিশ্ব পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয় : ডিএসসিসি প্রশাসক চারণভূমি সুরক্ষা ও টেকসই ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ করতে হবে: আইনমন্ত্রী মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ

দেশের মানুষ জুলুম-অত্যাচারের অবসান চায়

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৪১:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০১৫
  • ৫৯৪ বার

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, দেশের মানুষ জুলুম-অত্যাচারের অবসান চায়। বর্তমান স্বৈরাচারী সরকার জনগণের ওপর জুলুম-অত্যাচার করছে। তারা নির্বাচনের নামে কারচুপি ও সহিংসতা করে জয়ী হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বর্তমান রাজনৈতিক ক্রান্তিকালে মুক্তিযোদ্ধাদের করণীয় শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে অন্ধ আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশন পত্র-পত্রিকা দেখলে বলতে পারতো না সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে।
এই যদি হয় সুষ্ঠু নির্বাচনের নমুনা তাহলে ভবিষ্যতে কেউ নির্বাচনে অংশ নেবে না।

খালেদা জিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ সব জায়গায় অক্টোপাসের মতো জড়িয়ে আছে। এ কঠিন অবস্থা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। আমরা শান্তি চাই, সহিংসতা চাই না।

তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে যৌন হয়রানির সঙ্গে জড়িতরা সরকারদলীয়। এ কারণেই তাদের আটক করছে না পুলিশ। বরং হামলার প্রতিবাদকারীদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এ সরকার পুলিশ ও র‌্যাব দিয়ে টিকে আছে। তারা জনবিচ্ছিন্ন। জনগণ তাদের আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। এই সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের ভয় পায়। যারা দেশ স্বাধীন করেছে তাদের ওপর হামলা করে। সরকার এই দেশটাকে কারাগারে পরিণত করেছে।

এ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহ, বিএনপির
চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, নির্বাহী কমিটির সদস্য মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইসতিয়াক আজিজ উলফাত, সাধারণ সম্পাদক এ কে এম শফিউজ্জামান খোকন, সিনিয়র সহ-সভাপতি সাদেক খান, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান লে. কর্নেল (অব.) সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম বীর প্রতিক, মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের সভাপতি শাম‍া ওবায়েদ এবং ৭০ জন মুক্তিযোদ্ধা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’

দেশের মানুষ জুলুম-অত্যাচারের অবসান চায়

আপডেট টাইম : ০৫:৪১:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০১৫

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, দেশের মানুষ জুলুম-অত্যাচারের অবসান চায়। বর্তমান স্বৈরাচারী সরকার জনগণের ওপর জুলুম-অত্যাচার করছে। তারা নির্বাচনের নামে কারচুপি ও সহিংসতা করে জয়ী হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বর্তমান রাজনৈতিক ক্রান্তিকালে মুক্তিযোদ্ধাদের করণীয় শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে অন্ধ আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশন পত্র-পত্রিকা দেখলে বলতে পারতো না সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে।
এই যদি হয় সুষ্ঠু নির্বাচনের নমুনা তাহলে ভবিষ্যতে কেউ নির্বাচনে অংশ নেবে না।

খালেদা জিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ সব জায়গায় অক্টোপাসের মতো জড়িয়ে আছে। এ কঠিন অবস্থা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। আমরা শান্তি চাই, সহিংসতা চাই না।

তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে যৌন হয়রানির সঙ্গে জড়িতরা সরকারদলীয়। এ কারণেই তাদের আটক করছে না পুলিশ। বরং হামলার প্রতিবাদকারীদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এ সরকার পুলিশ ও র‌্যাব দিয়ে টিকে আছে। তারা জনবিচ্ছিন্ন। জনগণ তাদের আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। এই সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের ভয় পায়। যারা দেশ স্বাধীন করেছে তাদের ওপর হামলা করে। সরকার এই দেশটাকে কারাগারে পরিণত করেছে।

এ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহ, বিএনপির
চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, নির্বাহী কমিটির সদস্য মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইসতিয়াক আজিজ উলফাত, সাধারণ সম্পাদক এ কে এম শফিউজ্জামান খোকন, সিনিয়র সহ-সভাপতি সাদেক খান, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান লে. কর্নেল (অব.) সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম বীর প্রতিক, মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের সভাপতি শাম‍া ওবায়েদ এবং ৭০ জন মুক্তিযোদ্ধা।