ঢাকা ১০:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ঢাকার যানজট নিরসনে ৭ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের আশ্বাস দিয়ে ৬০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ জ্বালানি সংকট ১৭ বছরের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া: তিতুমীর মন্ত্রিসভায় সোমবার ফাইল উঠলে বৃহস্পতিবারই গেজেট ছয় মাসে দেশে কোনো গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা ঘটেনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাসনাত আব্দুল্লাহর দুঃখ প্রকাশের পর কওমি ছাত্রদের কর্মসূচি প্রত্যাহার বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে গুম সবচেয়ে ভয়ংকর: প্রধানমন্ত্রী জনগণকে নিয়ে অপরাধ দমনের জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে নির্দেশ আইজিপির জলের বুকে লাল শাপলার নকশিকাঁথা শাড়িকাণ্ডের আরেক মামলায় তিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পায়নি পুলিশ, নারাজি দেবেন বাদী

শিক্ষার্থী নেই তবুও বিদ্যালয় জাতীয়করণের চেষ্টা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:২৬:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ জানুয়ারী ২০১৭
  • ২৮৬ বার

কাগজে-কলমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম থাকলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। একটি মাত্র টিনের খোলা ঘর। ঘরে সাঁটানো সাইনবোর্ড। যাতে লেখা আছে ‘রহিমা নগর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’। তবে কোনো শিক্ষার্থীর দেখা মেলেনি এ বিদ্যালয়ে। বলা যায় বিদ্যালয় আছে কিন্তু শিক্ষার্থী নেই। তবুও বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের দাবি তুলছেন সংশ্লিষ্টরা।
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নের রহিমানগর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নামের ‘জাতীয়করণের’ পাঁয়তারা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আগামীতে তৃতীয় ধাপে ‘জাতীয়করণের’ সুযোগ নিতেই দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন পাটগ্রামের ওই স্কুলের সংশ্লিষ্ট পরিচালনা কমিটিসহ শিক্ষকরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১৯৯৩ সালের ৫ অক্টোবর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের নামে প্রায় ৩৫ শতক জমি দান করেন ওই এলাকার আব্দুল হামিদ খন্দকার। এরপর একটি টিনের ঘর করে তাতে রহিমা নগর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় লেখা সম্বলিত সাইনবোর্ড টাঙানো হয়। নিয়োগ দেয়া হয় চারজন শিক্ষককে। কিন্তু স্কুলের কার্যক্রম না থাকায় তাদের অনেকেই চলে যান।
পরবর্তীতে ওই এলাকার আব্দুল হামিদ খন্দকারের ছেলের বউ ও এক মেয়েকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। আর স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান হামিদুল হক খন্দকারের বড় ছেলে ও জোংড়া ন্যাশনাল উচ্চ বিদ্যালয়ের বিএসসি শিক্ষক হুমায়ুন কবির খন্দকার রাজু।
সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায়, কাগজে-কলমে ১৯৯৩ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার কথা বলা হলেও গত ২৪ বছরের এক দিনও সেখানে কোনো প্রকার পাঠদান হয়নি। এরপরেও বর্তমানে অস্তিত্বহীন স্কুলটিকে জাতীয়করণের পাঁয়তারা চলছে বলেও অভিযোগ গ্রামবাসীর।
স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি হুমায়ুন কবির খন্দকার রাজু অবৈধভাবে শিক্ষক নিয়োগ ও জাতীয়করণের পাঁয়তারা সম্পর্কে জানতে চাইলে কোনো উত্তর দেননি।
পাটগ্রাম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফিরোজুল আলম বলেন, ওই স্কুলটি আমাদের তালিকায় নেই।
পাটগ্রাম উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা নূর-কুতুবুল আলম বলেন, ওই স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর তা বসে সমাধান করা হয়েছে। তবে এখনও স্কুলটি জাতীয়করণের জন্য কোনো প্রকার সুপারিশ করা হয়নি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার যানজট নিরসনে ৭ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষার্থী নেই তবুও বিদ্যালয় জাতীয়করণের চেষ্টা

আপডেট টাইম : ১২:২৬:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ জানুয়ারী ২০১৭

কাগজে-কলমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম থাকলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। একটি মাত্র টিনের খোলা ঘর। ঘরে সাঁটানো সাইনবোর্ড। যাতে লেখা আছে ‘রহিমা নগর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’। তবে কোনো শিক্ষার্থীর দেখা মেলেনি এ বিদ্যালয়ে। বলা যায় বিদ্যালয় আছে কিন্তু শিক্ষার্থী নেই। তবুও বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের দাবি তুলছেন সংশ্লিষ্টরা।
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নের রহিমানগর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নামের ‘জাতীয়করণের’ পাঁয়তারা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আগামীতে তৃতীয় ধাপে ‘জাতীয়করণের’ সুযোগ নিতেই দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন পাটগ্রামের ওই স্কুলের সংশ্লিষ্ট পরিচালনা কমিটিসহ শিক্ষকরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১৯৯৩ সালের ৫ অক্টোবর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের নামে প্রায় ৩৫ শতক জমি দান করেন ওই এলাকার আব্দুল হামিদ খন্দকার। এরপর একটি টিনের ঘর করে তাতে রহিমা নগর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় লেখা সম্বলিত সাইনবোর্ড টাঙানো হয়। নিয়োগ দেয়া হয় চারজন শিক্ষককে। কিন্তু স্কুলের কার্যক্রম না থাকায় তাদের অনেকেই চলে যান।
পরবর্তীতে ওই এলাকার আব্দুল হামিদ খন্দকারের ছেলের বউ ও এক মেয়েকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। আর স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান হামিদুল হক খন্দকারের বড় ছেলে ও জোংড়া ন্যাশনাল উচ্চ বিদ্যালয়ের বিএসসি শিক্ষক হুমায়ুন কবির খন্দকার রাজু।
সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায়, কাগজে-কলমে ১৯৯৩ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার কথা বলা হলেও গত ২৪ বছরের এক দিনও সেখানে কোনো প্রকার পাঠদান হয়নি। এরপরেও বর্তমানে অস্তিত্বহীন স্কুলটিকে জাতীয়করণের পাঁয়তারা চলছে বলেও অভিযোগ গ্রামবাসীর।
স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি হুমায়ুন কবির খন্দকার রাজু অবৈধভাবে শিক্ষক নিয়োগ ও জাতীয়করণের পাঁয়তারা সম্পর্কে জানতে চাইলে কোনো উত্তর দেননি।
পাটগ্রাম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফিরোজুল আলম বলেন, ওই স্কুলটি আমাদের তালিকায় নেই।
পাটগ্রাম উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা নূর-কুতুবুল আলম বলেন, ওই স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর তা বসে সমাধান করা হয়েছে। তবে এখনও স্কুলটি জাতীয়করণের জন্য কোনো প্রকার সুপারিশ করা হয়নি।