রোনালদোর বিয়ে; এমন খবর ছড়াতেই পর্তুগালের মাদেইরার একটি ক্যাথেড্রালের সামনে ভিড় জমালেন হাজারো ভক্ত। কিন্তু সেখানে গিয়ে তাদের অপেক্ষা করছিল বড় ধরনের চমক। কারণ, ফুটবল মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও তার দীর্ঘদিনের সঙ্গী জর্জিনা রদ্রিগেজের বিয়ে নয়, ওই দিন বিয়ে হচ্ছিল স্থানীয় এক দম্পতির। রোনালদোর বিয়ের গুজবে শেষ পর্যন্ত আসল বর-কনের বিয়ের অনুষ্ঠান নিয়ে দেখা দিলো বিপাক।
রোনালদো গোপনে জর্জিনাকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন; সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার পর ২ হাজারের বেশি ভক্ত মাদেইরার ঐতিহাসিক ১৫ শতকের ফুনশাল ক্যাথেড্রালের সামনে জড়ো হন। তাদের অনেকের পরনে ছিল রোনালদোর বিখ্যাত পর্তুগাল দলের ৭ নম্বর জার্সি।
বিপুলসংখ্যক ভক্তের উপস্থিতিতে ক্যাথেড্রালের প্রবেশপথে তৈরি হয় তীব্র ভিড় ও বিশৃঙ্খলা। এতে যে দম্পতির বিয়ে হওয়ার কথা, তাদের পরিবার, স্বজন ও অতিথিদেরও অনুষ্ঠানে ঢুকতে বেশ বেগ পেতে হয়।
রোনালদোর বোন কাতিয়া আভেইরো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিবারের একটি ‘পার্টি’ উপলক্ষে মাদেইরায় যাওয়ার কথা জানানোর পরই গুঞ্জনের শুরু। ভক্তদের ধারণা হয়, রোনালদো হয়তো ছদ্মনাম ব্যবহার করে ফুনশাল ক্যাথেড্রাল বুক করেছেন এবং সেখানে জর্জিনাকে গোপনে বিয়ে করবেন।

গুজব দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা বিশ্বাস করে মাদেইরায় ছুটে আসেন রোনালদোর ভক্তরা।
শেষ পর্যন্ত ক্যাথেড্রালের পুরোহিত ফাদার মার্কোস গনসালভেস বিষয়টি পরিষ্কার করেন। তিনি জানান, ওই দিন সেখানে কোনো তারকার বিয়ে নয়; বিয়ে করছেন স্থানীয় এক দম্পতি- ফ্যাবিও ও ফাতিমা।
অর্থাৎ রোনালদোর বিয়ের আশায় জড়ো হওয়া ভক্তরা ভুল জায়গায় এসে হাজির হয়েছিলেন।
এদিকে নিজের বিয়ের গুজব ও তা ঘিরে মাদেইরায় তৈরি হওয়া পরিস্থিতির খবর রোনালদোর কানেও পৌঁছে যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটি নিয়ে করা একটি পোস্টে হাসির ইমোজি দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান পর্তুগিজ এই ফুটবল তারকা।
ফলে রোনালদো-জর্জিনার বিয়ের আশায় ক্যাথেড্রালের সামনে জড়ো হওয়া হাজারো ভক্তকে শেষ পর্যন্ত হতাশ হয়েই ফিরতে হয়। আর তাঁদের কারণে স্থানীয় ফ্যাবিও-ফাতিমার বিশেষ দিনটি পরিণত হয় এক অপ্রত্যাশিত কৌতূহল ও হুলস্থুলের ঘটনায়।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
Reporter Name 

























