ঢাকা ০৮:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৫৭:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
  • ২১ বার

টানা দুই মাস নেতিবাচক প্রবণতায় থাকার পর জাতীয় সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে আবারও ইতিবাচক ধারা ফিরেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দশম মাস এপ্রিলে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি দাঁড়িয়েছে ২২৬০ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। অর্থাৎ এ মাসে আগের আসল ও সুদ পরিশোধের তুলনায় নতুন বিক্রি বেশি হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

তথ্য অনুযায়ী, এর আগের মাস মার্চে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি ছিল ঋণাত্মক ২ হাজার ১৩৫ কোটি ৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ ওই মাসে নতুন বিক্রির চেয়ে আগের আসল ও সুদ বাবদ পরিশোধের পরিমাণ বেশি ছিল। একইভাবে ফেব্রুয়ারিতেও নিট বিক্রি ছিল ঋণাত্মক ১ হাজার ১৬৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।

তবে জানুয়ারিতে পরিস্থিতি ছিল ইতিবাচক। ওই মাসে আগের আসল-সুদ পরিশোধের তুলনায় সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি হয়েছিল ১ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা। এরপর ফেব্রুয়ারি ও মার্চে টানা দুই মাস নেতিবাচক ধারায় থাকার পর এপ্রিলে আবারও ঘুরে দাঁড়ায় সঞ্চয়পত্র বিক্রি।

গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায়ও এপ্রিলে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের এপ্রিলে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি ছিল ১ হাজার ২৫৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, যা চলতি বছরের এপ্রিলের তুলনায় প্রায় এক হাজার কোটি টাকা কম।

তবে একক মাসে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেলেও সার্বিক চিত্র এখনও পুরোপুরি অনুকূলে আসেনি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি এখনও ঋণাত্মক রয়েছে। এ সময়ে নতুন বিক্রির তুলনায় আগের আসল ও সুদ বাবদ ৪২৯ কোটি ২৮ লাখ টাকা বেশি পরিশোধ করতে হয়েছে।

অবশ্য আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এ অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি ছিল ঋণাত্মক ৭ হাজার ৪৩১ কোটি ২৬ লাখ টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য আরও বলছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের পুরো ১২ মাসে (জুলাই-জুন) সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি ঋণাত্মক ৬ হাজার ৬৩ কোটি টাকা ছিল। আর ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ ঘাটতির পরিমাণ ছিল ২১ হাজার ১২৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

আপডেট টাইম : ১০:৫৭:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

টানা দুই মাস নেতিবাচক প্রবণতায় থাকার পর জাতীয় সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে আবারও ইতিবাচক ধারা ফিরেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দশম মাস এপ্রিলে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি দাঁড়িয়েছে ২২৬০ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। অর্থাৎ এ মাসে আগের আসল ও সুদ পরিশোধের তুলনায় নতুন বিক্রি বেশি হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

তথ্য অনুযায়ী, এর আগের মাস মার্চে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি ছিল ঋণাত্মক ২ হাজার ১৩৫ কোটি ৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ ওই মাসে নতুন বিক্রির চেয়ে আগের আসল ও সুদ বাবদ পরিশোধের পরিমাণ বেশি ছিল। একইভাবে ফেব্রুয়ারিতেও নিট বিক্রি ছিল ঋণাত্মক ১ হাজার ১৬৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।

তবে জানুয়ারিতে পরিস্থিতি ছিল ইতিবাচক। ওই মাসে আগের আসল-সুদ পরিশোধের তুলনায় সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি হয়েছিল ১ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা। এরপর ফেব্রুয়ারি ও মার্চে টানা দুই মাস নেতিবাচক ধারায় থাকার পর এপ্রিলে আবারও ঘুরে দাঁড়ায় সঞ্চয়পত্র বিক্রি।

গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায়ও এপ্রিলে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের এপ্রিলে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি ছিল ১ হাজার ২৫৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, যা চলতি বছরের এপ্রিলের তুলনায় প্রায় এক হাজার কোটি টাকা কম।

তবে একক মাসে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেলেও সার্বিক চিত্র এখনও পুরোপুরি অনুকূলে আসেনি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি এখনও ঋণাত্মক রয়েছে। এ সময়ে নতুন বিক্রির তুলনায় আগের আসল ও সুদ বাবদ ৪২৯ কোটি ২৮ লাখ টাকা বেশি পরিশোধ করতে হয়েছে।

অবশ্য আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এ অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি ছিল ঋণাত্মক ৭ হাজার ৪৩১ কোটি ২৬ লাখ টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য আরও বলছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের পুরো ১২ মাসে (জুলাই-জুন) সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি ঋণাত্মক ৬ হাজার ৬৩ কোটি টাকা ছিল। আর ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ ঘাটতির পরিমাণ ছিল ২১ হাজার ১২৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।