ঢাকা ০৪:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

আমাকে থামাতে হলে খুন করতে হবে’: বিদ্রোহীদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ আখ্যা দিয়ে মমতার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
  • ৩৪ বার

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর একের পর এক বড় ধাক্কা খাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে বেশিরভাগই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন দল গড়েছেন। লোকসভার সাংসদরাও আরেকটি ভাগ তৈরি করেছেন। কে আসল তৃণমূল, তা নিয়ে দলের ভেতরে চলছে তুমুল লড়াই। তবে এত কিছুর পরও দমে যাননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্টো বিরোধীদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন তিনি।

মমতা বিদ্রোহীদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে ডাকছেন। তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, তৃণমূলের দলীয় প্রতীক তার কাছেই থাকবে। এর মানে হলো, বিদ্রোহীদের এখন দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের মুখে পড়তে হবে। মমতা বলেন, দলীয় প্রতীক কোথাও যাবে না। আমাকে দমাতে হলে, আপনাদের আমাকে মারতে হবে।

এদিকে শনিবার দলের রাজ্য সভাপতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য পদত্যাগ করলে নতুন সংকটে পড়েন মমতা। মাত্র এক মাস আগে তাকে এই পদে বসানো হয়েছিল। মমতার অল্প কয়েকজন বিশ্বস্ত নেতার মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম। পরে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে দেখা গেছে। শুক্রবার ঋতব্রতের সমর্থকরা কলকাতায় দলের প্রধান কার্যালয় দখল করে নেন।

মমতা বলেন, চন্দ্রিমার ছেলে আগেই দলবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত ছিলেন। তাই তিনি যে পদত্যাগ করতে পারেন, তা তিনি আগেই জানতেন। তবে মমতা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি কোনোভাবেই বিদ্রোহীদের দলে যোগ দেবেন না। তিনি দাবি করেন, দলের অনেকেই চাপে পড়ে দল ছেড়েছেন। কিন্তু তিনি বা তার দল বিজেপির কাছে মাথা নত করবেন না।

নির্বাচনের মাত্র দুই মাস পর দলত্যাগ করাকে মমতা ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ বলেছেন। তিনি জানান, চন্দ্রিমার পদত্যাগের পর দলের সব দায়িত্ব তিনি নিজেই নিয়েছেন। এখন থেকে তার বাড়িই হবে তৃণমূলের প্রধান কার্যালয়। এদিকে নির্বাচন কমিশন দুই পক্ষকেই আগামী ৬ জুলাইয়ের মধ্যে তাদের দাবি জানাতে বলেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

মিঠামইনে বিএনপি সভাপতি হত্যা: যুবদল আহ্বায়ক নৌশাদ গ্রেপ্তার

আমাকে থামাতে হলে খুন করতে হবে’: বিদ্রোহীদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ আখ্যা দিয়ে মমতার

আপডেট টাইম : ০১:০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর একের পর এক বড় ধাক্কা খাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে বেশিরভাগই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন দল গড়েছেন। লোকসভার সাংসদরাও আরেকটি ভাগ তৈরি করেছেন। কে আসল তৃণমূল, তা নিয়ে দলের ভেতরে চলছে তুমুল লড়াই। তবে এত কিছুর পরও দমে যাননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্টো বিরোধীদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন তিনি।

মমতা বিদ্রোহীদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে ডাকছেন। তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, তৃণমূলের দলীয় প্রতীক তার কাছেই থাকবে। এর মানে হলো, বিদ্রোহীদের এখন দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের মুখে পড়তে হবে। মমতা বলেন, দলীয় প্রতীক কোথাও যাবে না। আমাকে দমাতে হলে, আপনাদের আমাকে মারতে হবে।

এদিকে শনিবার দলের রাজ্য সভাপতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য পদত্যাগ করলে নতুন সংকটে পড়েন মমতা। মাত্র এক মাস আগে তাকে এই পদে বসানো হয়েছিল। মমতার অল্প কয়েকজন বিশ্বস্ত নেতার মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম। পরে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে দেখা গেছে। শুক্রবার ঋতব্রতের সমর্থকরা কলকাতায় দলের প্রধান কার্যালয় দখল করে নেন।

মমতা বলেন, চন্দ্রিমার ছেলে আগেই দলবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত ছিলেন। তাই তিনি যে পদত্যাগ করতে পারেন, তা তিনি আগেই জানতেন। তবে মমতা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি কোনোভাবেই বিদ্রোহীদের দলে যোগ দেবেন না। তিনি দাবি করেন, দলের অনেকেই চাপে পড়ে দল ছেড়েছেন। কিন্তু তিনি বা তার দল বিজেপির কাছে মাথা নত করবেন না।

নির্বাচনের মাত্র দুই মাস পর দলত্যাগ করাকে মমতা ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ বলেছেন। তিনি জানান, চন্দ্রিমার পদত্যাগের পর দলের সব দায়িত্ব তিনি নিজেই নিয়েছেন। এখন থেকে তার বাড়িই হবে তৃণমূলের প্রধান কার্যালয়। এদিকে নির্বাচন কমিশন দুই পক্ষকেই আগামী ৬ জুলাইয়ের মধ্যে তাদের দাবি জানাতে বলেছে।