ঢাকা ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

বস্ত্র, ওষুধ ও সামুদ্রিক খাতে যৌথ উদ্যোগে আগ্রহী বাংলাদেশ ও মরক্কো

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:২৯:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • ১৪ বার

বস্ত্র, ওষুধ ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ গড়ার প্রস্তাব দিয়েছে মরক্কো। একই সঙ্গে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উচ্চপর্যায়ের সফর সম্প্রসারণের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদারে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে দুই দেশ।

বুধবার (১ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত মরক্কোর রাষ্ট্রদূত লাল্লা বুতাইনা আল কেরদুদি আল কুলালি এ প্রস্তাব দেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বৈঠকে রাষ্ট্রদূত বলেন, মরক্কোর কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান আফ্রিকা ও ইউরোপের বাজারে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বস্ত্র, ওষুধ ও সামুদ্রিক খাতে দুই দেশের মধ্যে যৌথ উদ্যোগ গড়ে তোলা যেতে পারে।

তিনি আরও জানান, দক্ষ ও অর্ধদক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তি নিয়োগসহ সব ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণে মরক্কো প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও মরক্কোর দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং ক্রমবর্ধমান দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।

বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ওষুধশিল্প, বস্ত্রশিল্প, পাট ও পাটজাত পণ্য, সামুদ্রিক বিষয়, জাহাজ নির্মাণ এবং জনশক্তি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

শামা ওবায়েদ ইসলাম ক্রীড়া, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতেও সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া বিনিময়, পারস্পরিক ভিসা অব্যাহতি চুক্তি, নিয়মিত দ্বিপক্ষীয় সংলাপ এবং উচ্চপর্যায়ের সফর বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

বস্ত্র, ওষুধ ও সামুদ্রিক খাতে যৌথ উদ্যোগে আগ্রহী বাংলাদেশ ও মরক্কো

আপডেট টাইম : ১০:২৯:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

বস্ত্র, ওষুধ ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ গড়ার প্রস্তাব দিয়েছে মরক্কো। একই সঙ্গে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উচ্চপর্যায়ের সফর সম্প্রসারণের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদারে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে দুই দেশ।

বুধবার (১ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত মরক্কোর রাষ্ট্রদূত লাল্লা বুতাইনা আল কেরদুদি আল কুলালি এ প্রস্তাব দেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বৈঠকে রাষ্ট্রদূত বলেন, মরক্কোর কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান আফ্রিকা ও ইউরোপের বাজারে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বস্ত্র, ওষুধ ও সামুদ্রিক খাতে দুই দেশের মধ্যে যৌথ উদ্যোগ গড়ে তোলা যেতে পারে।

তিনি আরও জানান, দক্ষ ও অর্ধদক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তি নিয়োগসহ সব ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণে মরক্কো প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও মরক্কোর দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং ক্রমবর্ধমান দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।

বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ওষুধশিল্প, বস্ত্রশিল্প, পাট ও পাটজাত পণ্য, সামুদ্রিক বিষয়, জাহাজ নির্মাণ এবং জনশক্তি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

শামা ওবায়েদ ইসলাম ক্রীড়া, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতেও সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া বিনিময়, পারস্পরিক ভিসা অব্যাহতি চুক্তি, নিয়মিত দ্বিপক্ষীয় সংলাপ এবং উচ্চপর্যায়ের সফর বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।