ঢাকা ১০:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের নীতি বহাল, ট্রাম্পের আদেশ খারিজ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১০:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • ১৯ বার

যুক্তরাষ্ট্রের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব প্রদানের নীতিকে বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্ট। দেশটিতে জন্মসূত্রে নাগরিক হিসেবে গণ্য হওয়ার নীতি পরিবর্তনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচেষ্টা বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। খবর আলজাজিরার।

আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) ট্রাম্পের এ সংক্রান্ত নির্বাহী আদেশ খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। ওই আদেশে মা-বাবা অবৈধ বা অস্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করার সময় জন্ম নেওয়া শিশুকে দেশটির নাগরিকত্ব প্রদান না করার প্রস্তাব করা হয়েছিল।

আজ যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালতে ট্রাম্পের আদেশের বিপক্ষে ৬ জন এবং পক্ষে ৩ জন বিচারপতি ভোট দেন। এতে দেশটির ভূখণ্ডে জন্মগ্রহণকারী প্রায় সবার নাগরিকত্বের অধিকার বহাল রাখা হয়।

এর আগে নিম্ন আদালতও ট্রাম্পের নাগরিকত্ব প্রদানের নীতিতে পরিবর্তন আনার পদক্ষেপকে আটকে দিয়েছিল। প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্ট সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতির মতামতের ভিত্তিতে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব প্রদানের নীতি বহাল রাখতে সম্মত হন।

জন রবার্টস রায়ে উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ বা সাময়িকভাবে অবস্থানকারী মা-বাবার ঘরে জন্ম নেওয়া শিশুরা ‘এখতিয়ার সাপেক্ষে’ এবং সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর নাগরিকত্ব ধারা অনুসারে জন্মসূত্রে নাগরিক বলে গণ্য হবে।

প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, আমাদের দেশে নাগরিকত্বের অধিকার, অধিকার পাওয়ার অধিকার, আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গনে অবাধে অংশগ্রহণের অধিকার ছিল ও আছে। সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর প্রণেতারা সেই প্রতিশ্রুতি এদেশে জন্ম নেওয়া প্রত্যেক স্বাধীন ব্যক্তির জন্য প্রসারিত করেছিলেন। আমরা আজও সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে চলি।

২৬ পৃষ্ঠার রায়ে জন রবার্টস আরও বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের আইনজীবীরা এবং সুপ্রিম কোর্টের ভিন্নমতের বিচারপতিরা দীর্ঘদিনের আইনের পুনঃব্যাখ্যায় পর্যাপ্ত প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। তিনি বলেন, সমস্যা হলো-এই চরম সংশোধনবাদী দৃষ্টিভঙ্গির সপক্ষে প্রমাণ খুবই কম।

রবার্টসের সঙ্গে সহমত প্রকাশ করেন তার সহকর্মী রক্ষণশীল বিচারপতি অ্যামি কোনি ব্যারেট ও ব্রেট কাভানা। তাদের পক্ষে রয়েছেন আদালতের উদারপন্থি বিচারপতি সোনিয়া সোতোমায়র, কেতানজি ব্রাউন জ্যাকসন ও এলেনা কাগন।

ট্রাম্প এ রায়ের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি। তবে রায় ঘোষণার কিছু সময় আগে তিনি ট্রুথ সোশ্যালে একটি নিবন্ধ পোস্ট করেন। এতে তিনি বলেন, কংগ্রেস জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব প্রদানের নীতি পরিবর্তনের আইন পাস করতে পারে। তবে আইনপ্রণেতাদের মধ্যে এমনটা করার মতো রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকার সপক্ষে খুব কমই প্রমাণ রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের নীতি বহাল, ট্রাম্পের আদেশ খারিজ

আপডেট টাইম : ১১:১০:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব প্রদানের নীতিকে বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্ট। দেশটিতে জন্মসূত্রে নাগরিক হিসেবে গণ্য হওয়ার নীতি পরিবর্তনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচেষ্টা বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। খবর আলজাজিরার।

আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) ট্রাম্পের এ সংক্রান্ত নির্বাহী আদেশ খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। ওই আদেশে মা-বাবা অবৈধ বা অস্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করার সময় জন্ম নেওয়া শিশুকে দেশটির নাগরিকত্ব প্রদান না করার প্রস্তাব করা হয়েছিল।

আজ যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালতে ট্রাম্পের আদেশের বিপক্ষে ৬ জন এবং পক্ষে ৩ জন বিচারপতি ভোট দেন। এতে দেশটির ভূখণ্ডে জন্মগ্রহণকারী প্রায় সবার নাগরিকত্বের অধিকার বহাল রাখা হয়।

এর আগে নিম্ন আদালতও ট্রাম্পের নাগরিকত্ব প্রদানের নীতিতে পরিবর্তন আনার পদক্ষেপকে আটকে দিয়েছিল। প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্ট সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতির মতামতের ভিত্তিতে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব প্রদানের নীতি বহাল রাখতে সম্মত হন।

জন রবার্টস রায়ে উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ বা সাময়িকভাবে অবস্থানকারী মা-বাবার ঘরে জন্ম নেওয়া শিশুরা ‘এখতিয়ার সাপেক্ষে’ এবং সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর নাগরিকত্ব ধারা অনুসারে জন্মসূত্রে নাগরিক বলে গণ্য হবে।

প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, আমাদের দেশে নাগরিকত্বের অধিকার, অধিকার পাওয়ার অধিকার, আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গনে অবাধে অংশগ্রহণের অধিকার ছিল ও আছে। সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর প্রণেতারা সেই প্রতিশ্রুতি এদেশে জন্ম নেওয়া প্রত্যেক স্বাধীন ব্যক্তির জন্য প্রসারিত করেছিলেন। আমরা আজও সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে চলি।

২৬ পৃষ্ঠার রায়ে জন রবার্টস আরও বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের আইনজীবীরা এবং সুপ্রিম কোর্টের ভিন্নমতের বিচারপতিরা দীর্ঘদিনের আইনের পুনঃব্যাখ্যায় পর্যাপ্ত প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। তিনি বলেন, সমস্যা হলো-এই চরম সংশোধনবাদী দৃষ্টিভঙ্গির সপক্ষে প্রমাণ খুবই কম।

রবার্টসের সঙ্গে সহমত প্রকাশ করেন তার সহকর্মী রক্ষণশীল বিচারপতি অ্যামি কোনি ব্যারেট ও ব্রেট কাভানা। তাদের পক্ষে রয়েছেন আদালতের উদারপন্থি বিচারপতি সোনিয়া সোতোমায়র, কেতানজি ব্রাউন জ্যাকসন ও এলেনা কাগন।

ট্রাম্প এ রায়ের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি। তবে রায় ঘোষণার কিছু সময় আগে তিনি ট্রুথ সোশ্যালে একটি নিবন্ধ পোস্ট করেন। এতে তিনি বলেন, কংগ্রেস জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব প্রদানের নীতি পরিবর্তনের আইন পাস করতে পারে। তবে আইনপ্রণেতাদের মধ্যে এমনটা করার মতো রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকার সপক্ষে খুব কমই প্রমাণ রয়েছে।