ঢাকা ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

টেলিকম খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় সরকার, করছাড়েরও ইঙ্গিত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:২২:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
  • ১৮ বার

দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ করজালে আটকে আছে দেশের টেলিকম খাত। তবে আগামী অর্থবছরের বাজেটে এই খাতের কর কাঠামোতে নেওয়া হচ্ছে বেশকিছু ইতিবাচক সিদ্ধান্ত। বাজেটে সিম ট্যাক্সের ওপর আরোপিত শুল্ক সহনীয় করার উদ্যোগ আসছে। আরোপিত শুল্ক ৩শ’ টাকার পরিবর্তে নামিয়ে আনা হতে পারে দুইশ টাকায়।

এছাড়া, সিম রিপ্লেসমেন্টের জন্য বহাল থাকা ৩শ’ টাকা শুল্ক হার পুরোপুরি প্রত্যাহার হতে যাচ্ছে। শুল্কমুক্ত রাখা হবে আইওটি সিমও।

রবি আজিয়াটার চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম বললেন, এখনও ৫০ শতাংশ লোককে ইন্টারনেটের আওতায় আনতে পারিনি। এটা যদি আনতে হয়, সিম ট্যাক্সটা কমাতে হবে। সিম রিপ্লেসমেন্ট ট্যাক্স একটা আছে। একবার সিম ট্যাক্স দিয়েছে; সিম রিপ্লেস করতে গেলে, সিমটা নষ্টা হোক বা হারিয়ে যাক আবারও সেই সিম ট্যাক্স দিতে হচ্ছে। এটা ডুয়েল ট্যাক্স।

আগামী ৫ বছরে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিপুল কর্মসংস্থান তৈরির পরিকল্পনা করছে সরকার। পাশাপাশি ১০ বছরের মধ্যে শীর্ষ দশ ডিজিটাল ইকোনমির দেশে অন্তর্ভূক্তির পরিকল্পনাও আছে বর্তমান সরকারের। মোবাইল অপারেটরদের অভিমত, শুল্ক কাঠামোর ব্যাপক সংস্কার এবং সহায়ক বিনিয়োগ নীতিমালা তৈরি ছাড়া লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে।

মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (অ্যামটব) মহাসচিব লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ জুলফিকার বলেন, করনীতির যে সামঞ্জস্যতা, তারপরে টেলিকম নীতির যে সামঞ্জস্যতা, এরপর সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ আসার ক্ষেত্রে ওয়ান স্টপ সেবা সরকার যতদিন নিশ্চিত করতে পারবো না, এই বিনিয়োগগুলো আমাদের দিকে না এসে অন্য দেশে চলে যাবে।

টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির পরিকল্পনা আছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। দেড় দশকে এ খাতে ৬০ থেকে ৭০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হলেও এ খাতের তেমন উন্নতি হয়নি বলে মনে করেন তিনি।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ৬০-৭০ হাজার কোটি টাকা খরচের পরে আমরা কিছু দেখতে পাচ্ছি না। সুতরাং প্রযুক্তি খাতে অনেক সমস্যা। আমরা অতটুকু বলতে পারি, যারা আইটি খাতে আছেন, তাদের জন্য ভালো দিন আসছে।

বর্তমানে গ্রাহকের প্রতি ১০০ টাকা রিচার্জের ৩৯ টাকা সরাসরি চলে যায় সরকারি কোষাগারে। যার মধ্যে আছে ২০ শতাংশ সম্পুরক শুল্ক, কার্যকরী ভ্যাট ১৮ শতাংশ। আর পদ্মা সেতুর জন্য মোবাইল সেবায় আরোপিত ১ শতাংশ সারচার্জ। এই ১ শতাংশ সারচার্জ বাতিলের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাছে দাবি জানিয়েছেন মোবাইল অপারেটরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

টেলিকম খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় সরকার, করছাড়েরও ইঙ্গিত

আপডেট টাইম : ০৪:২২:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ করজালে আটকে আছে দেশের টেলিকম খাত। তবে আগামী অর্থবছরের বাজেটে এই খাতের কর কাঠামোতে নেওয়া হচ্ছে বেশকিছু ইতিবাচক সিদ্ধান্ত। বাজেটে সিম ট্যাক্সের ওপর আরোপিত শুল্ক সহনীয় করার উদ্যোগ আসছে। আরোপিত শুল্ক ৩শ’ টাকার পরিবর্তে নামিয়ে আনা হতে পারে দুইশ টাকায়।

এছাড়া, সিম রিপ্লেসমেন্টের জন্য বহাল থাকা ৩শ’ টাকা শুল্ক হার পুরোপুরি প্রত্যাহার হতে যাচ্ছে। শুল্কমুক্ত রাখা হবে আইওটি সিমও।

রবি আজিয়াটার চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম বললেন, এখনও ৫০ শতাংশ লোককে ইন্টারনেটের আওতায় আনতে পারিনি। এটা যদি আনতে হয়, সিম ট্যাক্সটা কমাতে হবে। সিম রিপ্লেসমেন্ট ট্যাক্স একটা আছে। একবার সিম ট্যাক্স দিয়েছে; সিম রিপ্লেস করতে গেলে, সিমটা নষ্টা হোক বা হারিয়ে যাক আবারও সেই সিম ট্যাক্স দিতে হচ্ছে। এটা ডুয়েল ট্যাক্স।

আগামী ৫ বছরে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিপুল কর্মসংস্থান তৈরির পরিকল্পনা করছে সরকার। পাশাপাশি ১০ বছরের মধ্যে শীর্ষ দশ ডিজিটাল ইকোনমির দেশে অন্তর্ভূক্তির পরিকল্পনাও আছে বর্তমান সরকারের। মোবাইল অপারেটরদের অভিমত, শুল্ক কাঠামোর ব্যাপক সংস্কার এবং সহায়ক বিনিয়োগ নীতিমালা তৈরি ছাড়া লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে।

মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (অ্যামটব) মহাসচিব লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ জুলফিকার বলেন, করনীতির যে সামঞ্জস্যতা, তারপরে টেলিকম নীতির যে সামঞ্জস্যতা, এরপর সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ আসার ক্ষেত্রে ওয়ান স্টপ সেবা সরকার যতদিন নিশ্চিত করতে পারবো না, এই বিনিয়োগগুলো আমাদের দিকে না এসে অন্য দেশে চলে যাবে।

টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির পরিকল্পনা আছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। দেড় দশকে এ খাতে ৬০ থেকে ৭০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হলেও এ খাতের তেমন উন্নতি হয়নি বলে মনে করেন তিনি।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ৬০-৭০ হাজার কোটি টাকা খরচের পরে আমরা কিছু দেখতে পাচ্ছি না। সুতরাং প্রযুক্তি খাতে অনেক সমস্যা। আমরা অতটুকু বলতে পারি, যারা আইটি খাতে আছেন, তাদের জন্য ভালো দিন আসছে।

বর্তমানে গ্রাহকের প্রতি ১০০ টাকা রিচার্জের ৩৯ টাকা সরাসরি চলে যায় সরকারি কোষাগারে। যার মধ্যে আছে ২০ শতাংশ সম্পুরক শুল্ক, কার্যকরী ভ্যাট ১৮ শতাংশ। আর পদ্মা সেতুর জন্য মোবাইল সেবায় আরোপিত ১ শতাংশ সারচার্জ। এই ১ শতাংশ সারচার্জ বাতিলের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাছে দাবি জানিয়েছেন মোবাইল অপারেটরা।