ঢাকা ০৪:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

জিয়াউর রহমানের বক্তৃতা ছিলো জাতির জন্য আলোকবর্তিকা : তথ্যমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১১:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
  • ৪ বার

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ‘জিয়াউর রহমানের বক্তৃতা ছিলো জাতির জন্য এক আলোকবর্তিকা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তান সামরিক বাহিনী থেকে বিদ্রোহ করে একতরফাভাবে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। এর আগে তিনি অন্যান্য সামরিক কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে তিনি নিজেই দায়িত্ব নিয়ে ঘোষণা দিয়েছিলেন।’

তিনি বলেন, পরেরদিন ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তৎকালীন রাজনৈতিক মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে দ্বিতীয়বার স্বাধীনতা ঘোষণা জাতীকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন।

শনিবার (৩ মে) বিকেলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে গৌরনদী উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ২৫ মার্চ শেখ মুজিব বন্ধি হলেন এবং ১০ এপ্রিল তাজ উদ্দিন বক্তৃতা করলেন। মাঝখানে এই সময়ে জিয়াউর রহমানের ঘোষণাই ছিলো জাতির জন্য এক আলোকবর্তিকা।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে একটি ব্যতিক্রমধর্মী নাম। তিনি কখনো চিন্তা করেন নাই যে, তিনি রাজনীতিবিদ হবেন। তিনি একজন পেশাদারি সামরিক কর্মকর্তা ছিলেন। ব্যক্তি জীবনে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে গেছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ এক দলীয় শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বহুদলীয় গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান রাজনৈতিকভাবে তৈরি করার জন্য তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদের কথা চিন্তা করে ১৯৭৮ সালে জাতীয়তাবাদী সব নেতাকর্মীদের নিয়ে বিএনপির জন্ম দিয়েছিলেন। সেই দল আজ ক্ষমতায়। একটি আদর্শ কতটা সঠিক হলে শহীদ জিয়ার হাত ধরে খালেদা জিয়ার মাধ্যমে আজ তারেক রহমানের হাতে শোভা পায়।

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লবের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল জেলা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা দেওয়ান মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, সদস্য সচিব মিজানুর রহমান খান মুকুল, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জহির সাজ্জাদ হান্নান শরিফ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বদিউজ্জামান মিন্টু, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মো. জাকির হোসেন শরীফ, সদস্য সচিব শফিকুর রহমান শরিফ স্বপন, জেলা উত্তর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাইয়েদুল আলম খান সেন্টু, পৌর বিএনপির ১ নং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কামরুজ্জামান খোকন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

আকাশে দেখা যাবে বিশেষ পূর্ণিমা, যে কারণে এটাকে বলা হয় ব্লু মুন

জিয়াউর রহমানের বক্তৃতা ছিলো জাতির জন্য আলোকবর্তিকা : তথ্যমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১১:১১:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ‘জিয়াউর রহমানের বক্তৃতা ছিলো জাতির জন্য এক আলোকবর্তিকা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তান সামরিক বাহিনী থেকে বিদ্রোহ করে একতরফাভাবে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। এর আগে তিনি অন্যান্য সামরিক কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে তিনি নিজেই দায়িত্ব নিয়ে ঘোষণা দিয়েছিলেন।’

তিনি বলেন, পরেরদিন ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তৎকালীন রাজনৈতিক মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে দ্বিতীয়বার স্বাধীনতা ঘোষণা জাতীকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন।

শনিবার (৩ মে) বিকেলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে গৌরনদী উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ২৫ মার্চ শেখ মুজিব বন্ধি হলেন এবং ১০ এপ্রিল তাজ উদ্দিন বক্তৃতা করলেন। মাঝখানে এই সময়ে জিয়াউর রহমানের ঘোষণাই ছিলো জাতির জন্য এক আলোকবর্তিকা।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে একটি ব্যতিক্রমধর্মী নাম। তিনি কখনো চিন্তা করেন নাই যে, তিনি রাজনীতিবিদ হবেন। তিনি একজন পেশাদারি সামরিক কর্মকর্তা ছিলেন। ব্যক্তি জীবনে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে গেছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ এক দলীয় শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বহুদলীয় গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান রাজনৈতিকভাবে তৈরি করার জন্য তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদের কথা চিন্তা করে ১৯৭৮ সালে জাতীয়তাবাদী সব নেতাকর্মীদের নিয়ে বিএনপির জন্ম দিয়েছিলেন। সেই দল আজ ক্ষমতায়। একটি আদর্শ কতটা সঠিক হলে শহীদ জিয়ার হাত ধরে খালেদা জিয়ার মাধ্যমে আজ তারেক রহমানের হাতে শোভা পায়।

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লবের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল জেলা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা দেওয়ান মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, সদস্য সচিব মিজানুর রহমান খান মুকুল, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জহির সাজ্জাদ হান্নান শরিফ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বদিউজ্জামান মিন্টু, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মো. জাকির হোসেন শরীফ, সদস্য সচিব শফিকুর রহমান শরিফ স্বপন, জেলা উত্তর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাইয়েদুল আলম খান সেন্টু, পৌর বিএনপির ১ নং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কামরুজ্জামান খোকন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।