ঢাকা ১০:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

শিশু নিনাদ হত্যা মামলায় ‎নানা-নানির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৩২:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ২২ বার

ঢাকার মেরাদিয়া বনশ্রী ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্র সাফওয়ান আল নিনাদ (৮) হত্যা মামলায় নিহতের নানা (নিহতের মায়ের মামা) জহিরুল ইসলাম ওরফে লুড্ডু এবং লুড্ডুর স্ত্রী মোছা. খাদিজা আক্তার রাণীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। সোমবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আয়েশা আক্তার মৌসুমী এই রায় ঘোষণা করেন।

‎রায়ে আদালত যাবজ্জীবন দণ্ডের সঙ্গে প্রত্যেক আসামির ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড করেছেন। যার মধ্যে ১০ হাজার টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে এবং বাকি ৯০ হাজার টাকা ভুক্তভোগীমের পরিবারকে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

‎সংশ্লিষ্ট আদালতের অ্যাডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ ওয়ালিউল ইসলাম তুষার বলেন, রায় ঘোষণার আগে জামিনে থাকা দুই আসামি আদালতে হাজির হন। রায় শেষে তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর হয়।

‎‎২০১৮ সালের ১৫ জুন রাতে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয় নিনাদ। পরদিন (ঈদের দিন) দুপুরে বাড়ির পাশে বেকারির পণ্যবাহী একটি ভ্যানগাড়ির ভেতরে শিশুটির লাশ দেখতে পায় এলাকাবাসী। ওই দিনই অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে খিলগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিনাদের বাবা স্বপন বেপারী।

‎থানা পুলিশ, ডিবি ও পিবিআইয়ের পর সিআইডি এ মামলা তদন্ত করে। সিআইডি তদন্তভার পেয়ে দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে। নিনাদের মাকে বাবার বাড়ির সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে লুড্ডু ও রাণী তাদের নাতি নিনাদকে হত্যা করেন বলে তদন্তে উঠে আসে।

‎মামলাটি তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৮ জুন দুই জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা, সিআইডির পরিদর্শক মাইনুল ইসলাম।

‎পরের বছর ২২ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ২০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

শিশু নিনাদ হত্যা মামলায় ‎নানা-নানির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট টাইম : ১২:৩২:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকার মেরাদিয়া বনশ্রী ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্র সাফওয়ান আল নিনাদ (৮) হত্যা মামলায় নিহতের নানা (নিহতের মায়ের মামা) জহিরুল ইসলাম ওরফে লুড্ডু এবং লুড্ডুর স্ত্রী মোছা. খাদিজা আক্তার রাণীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। সোমবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আয়েশা আক্তার মৌসুমী এই রায় ঘোষণা করেন।

‎রায়ে আদালত যাবজ্জীবন দণ্ডের সঙ্গে প্রত্যেক আসামির ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড করেছেন। যার মধ্যে ১০ হাজার টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে এবং বাকি ৯০ হাজার টাকা ভুক্তভোগীমের পরিবারকে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

‎সংশ্লিষ্ট আদালতের অ্যাডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ ওয়ালিউল ইসলাম তুষার বলেন, রায় ঘোষণার আগে জামিনে থাকা দুই আসামি আদালতে হাজির হন। রায় শেষে তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর হয়।

‎‎২০১৮ সালের ১৫ জুন রাতে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয় নিনাদ। পরদিন (ঈদের দিন) দুপুরে বাড়ির পাশে বেকারির পণ্যবাহী একটি ভ্যানগাড়ির ভেতরে শিশুটির লাশ দেখতে পায় এলাকাবাসী। ওই দিনই অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে খিলগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিনাদের বাবা স্বপন বেপারী।

‎থানা পুলিশ, ডিবি ও পিবিআইয়ের পর সিআইডি এ মামলা তদন্ত করে। সিআইডি তদন্তভার পেয়ে দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে। নিনাদের মাকে বাবার বাড়ির সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে লুড্ডু ও রাণী তাদের নাতি নিনাদকে হত্যা করেন বলে তদন্তে উঠে আসে।

‎মামলাটি তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৮ জুন দুই জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা, সিআইডির পরিদর্শক মাইনুল ইসলাম।

‎পরের বছর ২২ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ২০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।