শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি আদায়ে সরকার ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, যৌক্তিক দাবিগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে, ফলে শিক্ষকদের আর রাজপথে নামার প্রয়োজন হবে না।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্য জোটের নেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, বাজেটসংক্রান্ত কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও শিক্ষকদের অন্যান্য দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হবে। নতুন বাজেটে সব বিষয় অন্তর্ভুক্ত না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে সব দাবি পূরণ সম্ভব নয়, তবে সরকার আন্তরিকভাবে বিষয়গুলো বিবেচনা করছে।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব অভিযোগ পর্যায়ক্রমে খতিয়ে দেখে সমাধান করা হবে। স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটি ও গভর্নিং বডির কাঠামো নিয়েও আলোচনা চলছে। একজন ব্যক্তিকে একাধিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব না দেওয়ার বিষয়টি ম্যানেজিং কমিটির বৈঠকে বিবেচনায় আনা হবে বলে জানান তিনি।
নিয়োগসংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান এনটিআরসি (বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ) নিয়ে তিনি বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যেসব পরিবর্তন এসেছে তা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কোথায় সংশোধন দরকার, তা রিভিউ করে দেখা হবে।
দুর্নীতির প্রশ্নে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দুর্নীতি করি না, করব না, করতে দেব না।’ শিক্ষা খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। অবসর ভাতা, কল্যাণ ট্রাস্টসহ বিভিন্ন আর্থিক বিষয়েও শিগগির বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ভুঁইয়া।
Reporter Name 





















