ঢাকা ০৭:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
আই হ্যাভ এ প্ল্যান” সরকারের প্ল্যান বাস্তবায়ন শুরু রমজানের প্রথম জুমায় বায়তুল মোকাররমে মুসল্লিদের ঢল নকলের মতো মাদক-সন্ত্রাস-কিশোর গ্যাংমুক্ত দেশ গড়ে তোলা হবে : শিক্ষামন্ত্রী রোজার শুরুতেই মাছ-মাংসের বাজারে আগুন মানুষকে ডাক্তারের পেছনে ঘুরতে হবে না, ডাক্তার মানুষের পেছনে ঘুরবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণে খাদ্য মজুত যথেষ্ট: বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির ৩ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে ইসিকে চিঠি একুশে ফেব্রুয়ারিতে নিরাপত্তা শঙ্কা নেই : ডিএমপি কমিশনার ছায়া মন্ত্রিসভার সুফল পেতে প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা জরুরি ড. ইউনূস যমুনা ছাড়ছেন কবে, সম্ভাব্য সময় জানা গেল

রমজান উপলক্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছুটি ঘোষণা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৪:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার

দায়িত্ব গ্রহণ করে প্রথম দিনেই শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের মন জয় করলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। পবিত্র রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি থাকবে কি থাকবে না? বিষয়টি নিয়ে দিনভরই তাদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু ছিল। বিকেলে মন্ত্রি পরিষদের সভায় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা করলে প্রধানমন্ত্রী ছুটির বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন।

এরপরই সন্ধ্যায় ছুটির বিষয়টি উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। দুটি পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছুটি ঘোষণা করা হয়। বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

পবিত্র রমজান, হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাব, শব-ই-কদর, জুমাতুল বিদা, ঈদ-উল ফিতর ও মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত ২৬ দিন প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, অর্ধ-বার্ষিক/প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৮ জুন থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত, নির্বাচনী পরীক্ষা হবে ২৮ অক্টোবর থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত, বার্ষিকী পরীক্ষা ১৯ নভেম্বর থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত এবং জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৫ ডিসেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

একই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষাবর্ষ হবে ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। সরকার ঘোষিত নির্দেশনার আলোকে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করতে হবে। উল্লেখিত পরীক্ষার সময়সূচি অনুযায়ী অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষা, প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা, নির্বাচনী পরীক্ষা ও বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে এবং বার্ষিক পরীক্ষার উত্তরপত্র অন্তত এক বছর সংরক্ষণ করতে হবে। পরীক্ষার সময় ১২ কার্মদিবসের বেশি হবে না। স্ব স্ব বিদ্যালয় পরীক্ষার প্রশ্নপত্র (পাবলিক পরীক্ষা ব্যতীত) নিজেরাই প্রণয়ন করবেন। কোন অবস্থাতেই অন্য কোন উৎস থেকে সংগৃহীত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেয়া যাবে না। পরীক্ষার নির্ধারিত তারিখ পরিবর্তন করা যাবে না। তবে কোন বিশেষ কারণে পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করতে হলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পূর্বানুমতি গ্রহণ করতে হবে।

সাপ্তাহিক ছুটি ব্যতীত বছরে মোট ছুটি থাকবে ৬৭ দিন। কোন সরকারি কর্মকর্তার পরিদর্শন উপলক্ষে বিদ্যালয় ছুটি দেয়া যাবে না এবং সংবর্ধনা/পরিদর্শন উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বন্ধ করা যাবে না। সংবর্ধিত/পরিদর্শনকারী ব্যক্তির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করানো যাবে না। ছুটিকালীন অনুষ্ঠেয় ভর্তি কার্যক্রম সম্পাদন ও অন্যান্য পরীক্ষা অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনে বিদ্যালয় খোলা রাখতে হবে। এসএসসি পরীক্ষার সময় পরীক্ষা কেন্দ্র ব্যতীত অন্যান্য বিদ্যালয়সমূহে যথারীতি শ্রেণি কার্যক্রম চালু থাকবে। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসসমূহ ২১ ফেব্রুয়ারি, ২৬ মার্চ, বাংলা নববর্ষ ও ১৬ ডিসেম্বর যথাযোগ্য মর্যাদায় বিদ্যালয়ে উদযাপন করতে হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

আই হ্যাভ এ প্ল্যান” সরকারের প্ল্যান বাস্তবায়ন শুরু

রমজান উপলক্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছুটি ঘোষণা

আপডেট টাইম : ১১:৪৪:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দায়িত্ব গ্রহণ করে প্রথম দিনেই শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের মন জয় করলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। পবিত্র রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি থাকবে কি থাকবে না? বিষয়টি নিয়ে দিনভরই তাদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু ছিল। বিকেলে মন্ত্রি পরিষদের সভায় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা করলে প্রধানমন্ত্রী ছুটির বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন।

এরপরই সন্ধ্যায় ছুটির বিষয়টি উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। দুটি পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছুটি ঘোষণা করা হয়। বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

পবিত্র রমজান, হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাব, শব-ই-কদর, জুমাতুল বিদা, ঈদ-উল ফিতর ও মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত ২৬ দিন প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, অর্ধ-বার্ষিক/প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৮ জুন থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত, নির্বাচনী পরীক্ষা হবে ২৮ অক্টোবর থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত, বার্ষিকী পরীক্ষা ১৯ নভেম্বর থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত এবং জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৫ ডিসেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

একই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষাবর্ষ হবে ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। সরকার ঘোষিত নির্দেশনার আলোকে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করতে হবে। উল্লেখিত পরীক্ষার সময়সূচি অনুযায়ী অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষা, প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা, নির্বাচনী পরীক্ষা ও বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে এবং বার্ষিক পরীক্ষার উত্তরপত্র অন্তত এক বছর সংরক্ষণ করতে হবে। পরীক্ষার সময় ১২ কার্মদিবসের বেশি হবে না। স্ব স্ব বিদ্যালয় পরীক্ষার প্রশ্নপত্র (পাবলিক পরীক্ষা ব্যতীত) নিজেরাই প্রণয়ন করবেন। কোন অবস্থাতেই অন্য কোন উৎস থেকে সংগৃহীত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেয়া যাবে না। পরীক্ষার নির্ধারিত তারিখ পরিবর্তন করা যাবে না। তবে কোন বিশেষ কারণে পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করতে হলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পূর্বানুমতি গ্রহণ করতে হবে।

সাপ্তাহিক ছুটি ব্যতীত বছরে মোট ছুটি থাকবে ৬৭ দিন। কোন সরকারি কর্মকর্তার পরিদর্শন উপলক্ষে বিদ্যালয় ছুটি দেয়া যাবে না এবং সংবর্ধনা/পরিদর্শন উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বন্ধ করা যাবে না। সংবর্ধিত/পরিদর্শনকারী ব্যক্তির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করানো যাবে না। ছুটিকালীন অনুষ্ঠেয় ভর্তি কার্যক্রম সম্পাদন ও অন্যান্য পরীক্ষা অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনে বিদ্যালয় খোলা রাখতে হবে। এসএসসি পরীক্ষার সময় পরীক্ষা কেন্দ্র ব্যতীত অন্যান্য বিদ্যালয়সমূহে যথারীতি শ্রেণি কার্যক্রম চালু থাকবে। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসসমূহ ২১ ফেব্রুয়ারি, ২৬ মার্চ, বাংলা নববর্ষ ও ১৬ ডিসেম্বর যথাযোগ্য মর্যাদায় বিদ্যালয়ে উদযাপন করতে হবে।