ঢাকা ১২:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
আই হ্যাভ এ প্ল্যান” সরকারের প্ল্যান বাস্তবায়ন শুরু রমজানের প্রথম জুমায় বায়তুল মোকাররমে মুসল্লিদের ঢল নকলের মতো মাদক-সন্ত্রাস-কিশোর গ্যাংমুক্ত দেশ গড়ে তোলা হবে : শিক্ষামন্ত্রী রোজার শুরুতেই মাছ-মাংসের বাজারে আগুন মানুষকে ডাক্তারের পেছনে ঘুরতে হবে না, ডাক্তার মানুষের পেছনে ঘুরবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণে খাদ্য মজুত যথেষ্ট: বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির ৩ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে ইসিকে চিঠি একুশে ফেব্রুয়ারিতে নিরাপত্তা শঙ্কা নেই : ডিএমপি কমিশনার ছায়া মন্ত্রিসভার সুফল পেতে প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা জরুরি ড. ইউনূস যমুনা ছাড়ছেন কবে, সম্ভাব্য সময় জানা গেল

প্রথমবারের মতো সংসদে যাচ্ছে ৪ ইসলামিক দল

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:২৫:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৬ বার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫১টি দল অংশ নিলেও সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছেন ৯টি দলের নির্বাচিত প্রার্থীরা। এর মধ্যে চারটি ইসলামি দল মোট ৭২টি আসনে জয়লাভ করেছে। ১৯৭৩ সালের পর এই প্রথম একাধিক ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল সংসদে প্রবেশ করতে যাচ্ছে।

তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠনের জন্য বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও, হেভিওয়েট দল জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করেছে আরও তিনটি ছোট ইসলামি দল।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ‘রিকশা’ প্রতীকে দুটি আসনে এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও খেলাফত মজলিস ‘দেয়ালঘড়ি’ প্রতীকে একটি করে আসনে জয়ী হয়েছে। উভয় খেলাফত মজলিসই জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের অন্তর্ভুক্ত।

নির্বাচন কমিশন প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, ২৯৭টি আসনের মধ্যে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি জয়ী হয়েছে ২০৯টিতে। নির্বাচনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৮টি আসন পেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ ছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের পর গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৬টি আসনে জয়লাভ করেছে।

জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ ছাড়াও ইসলামী ধারার আরও তিনটি দল—ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস মোট চারটি আসনে জয় পেয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং অন্য দুই দল একটি করে আসনে জয়লাভ করেছে।

১৯৭৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে স্বাধীনতার পরবর্তী নির্বাচনগুলোতে জামায়াত ছাড়া অন্য কোনো ইসলামি দল সংসদে আসন নিশ্চিত করতে পারেনি। এর আগে ২০০১ সালে ১৮টি এবং ২০০৮ সালে ২টি আসনে জয়ী হয়েছিল জামায়াত, যা মূলত বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ থাকার ফল ছিল।

অন্যদিকে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন এবং ইসলামী ঐক্যজোটের মতো দলগুলো গত পাঁচ দশকের বেশি সময়ে একটি আসনেও জয়লাভ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

দলীয় সূত্রমতে, ‘রিকশা’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি আসনে—ময়মনসিংহ-২ এবং মাদারীপুর-১—জয়লাভ করেছে।

মাদারীপুর-১ আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা সাঈদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

ময়মনসিংহ-২ আসনে দলটির প্রার্থী মাওলানা মুহাম্মদুল্লাহ ১ লাখ ৪৬ হাজার ২০২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি বিএনপির প্রার্থী মোতাহার হোসেন তালুকদারকে পরাজিত করেন, যিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৪৩৮ ভোট।

আলাদাভাবে, ১১ দলীয় জোটের শরিক খেলাফত মজলিস ‘দেয়ালঘড়ি’ প্রতীকে সিলেট-৫ আসনে জয় পেয়েছে। সেখানে মুফতি আবুল হাসান নির্বাচিত ঘোষিত হয়েছেন।

এদিকে দেশজুড়ে প্রায় সব আসনে প্রার্থী ঘোষণা করলেও মাত্র একটি আসনে জয় পেয়েছে হাতপাখা প্রতীকের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

দলটির প্রার্থী মো. অলি উল্লাহ বরগুনা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম মোল্লাকে হারিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, বরগুনা-১ আসনে ইসলামী আন্দোলনের মো. অলি উল্লাহ ভোট পেয়েছেন ১,৪০,২৯১টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা পেয়েছেন ১,৩৬,১৪৫ ভোট। এই আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর হোসাইন দেয়ালঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৬,২৩২ ভোট।

তবে দলটি বেশ কয়েকটি আসনে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল।

পটুয়াখালী-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী আলতাফ হোসেন চৌধুরী ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন, যেখানে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী পেয়েছেন ৫৮ হাজার ১৬১ ভোট।

পটুয়াখালী-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের আবু বক্কর ছিদ্দিকী ৩৮ হাজার ১৮৮ ভোট পেয়েছেন। এই আসনে ট্রাক প্রতীকে গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নুর জয়ী হয়েছেন।

পটুয়াখালী-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ৭০ হাজার ১২৭ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন। এখানে ১ লাখ ২৪ হাজার ১৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী এবিএম মোশাররফ হোসেন।

বরিশাল-৫ আসনে ৯৫,০৪৪ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতী সৈয়দ মো. ফয়জুল করিম। আর এই আসনে ১,৩৫,১৪৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ার।

ভোলা-১ আসনে ২৫,৩৪৫ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ওবায়দুর রহমান। ১,০৫,৫৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপির প্রার্থী আন্দালিভ রহমান।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ৫১টি দলের ২ হাজার ৯০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সারা দেশে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন ৪৭৮ জন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

আই হ্যাভ এ প্ল্যান” সরকারের প্ল্যান বাস্তবায়ন শুরু

প্রথমবারের মতো সংসদে যাচ্ছে ৪ ইসলামিক দল

আপডেট টাইম : ০১:২৫:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫১টি দল অংশ নিলেও সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছেন ৯টি দলের নির্বাচিত প্রার্থীরা। এর মধ্যে চারটি ইসলামি দল মোট ৭২টি আসনে জয়লাভ করেছে। ১৯৭৩ সালের পর এই প্রথম একাধিক ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল সংসদে প্রবেশ করতে যাচ্ছে।

তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠনের জন্য বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও, হেভিওয়েট দল জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করেছে আরও তিনটি ছোট ইসলামি দল।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ‘রিকশা’ প্রতীকে দুটি আসনে এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও খেলাফত মজলিস ‘দেয়ালঘড়ি’ প্রতীকে একটি করে আসনে জয়ী হয়েছে। উভয় খেলাফত মজলিসই জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের অন্তর্ভুক্ত।

নির্বাচন কমিশন প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, ২৯৭টি আসনের মধ্যে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি জয়ী হয়েছে ২০৯টিতে। নির্বাচনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৮টি আসন পেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ ছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের পর গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৬টি আসনে জয়লাভ করেছে।

জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ ছাড়াও ইসলামী ধারার আরও তিনটি দল—ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস মোট চারটি আসনে জয় পেয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং অন্য দুই দল একটি করে আসনে জয়লাভ করেছে।

১৯৭৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে স্বাধীনতার পরবর্তী নির্বাচনগুলোতে জামায়াত ছাড়া অন্য কোনো ইসলামি দল সংসদে আসন নিশ্চিত করতে পারেনি। এর আগে ২০০১ সালে ১৮টি এবং ২০০৮ সালে ২টি আসনে জয়ী হয়েছিল জামায়াত, যা মূলত বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ থাকার ফল ছিল।

অন্যদিকে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন এবং ইসলামী ঐক্যজোটের মতো দলগুলো গত পাঁচ দশকের বেশি সময়ে একটি আসনেও জয়লাভ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

দলীয় সূত্রমতে, ‘রিকশা’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি আসনে—ময়মনসিংহ-২ এবং মাদারীপুর-১—জয়লাভ করেছে।

মাদারীপুর-১ আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা সাঈদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

ময়মনসিংহ-২ আসনে দলটির প্রার্থী মাওলানা মুহাম্মদুল্লাহ ১ লাখ ৪৬ হাজার ২০২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি বিএনপির প্রার্থী মোতাহার হোসেন তালুকদারকে পরাজিত করেন, যিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৪৩৮ ভোট।

আলাদাভাবে, ১১ দলীয় জোটের শরিক খেলাফত মজলিস ‘দেয়ালঘড়ি’ প্রতীকে সিলেট-৫ আসনে জয় পেয়েছে। সেখানে মুফতি আবুল হাসান নির্বাচিত ঘোষিত হয়েছেন।

এদিকে দেশজুড়ে প্রায় সব আসনে প্রার্থী ঘোষণা করলেও মাত্র একটি আসনে জয় পেয়েছে হাতপাখা প্রতীকের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

দলটির প্রার্থী মো. অলি উল্লাহ বরগুনা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম মোল্লাকে হারিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, বরগুনা-১ আসনে ইসলামী আন্দোলনের মো. অলি উল্লাহ ভোট পেয়েছেন ১,৪০,২৯১টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা পেয়েছেন ১,৩৬,১৪৫ ভোট। এই আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর হোসাইন দেয়ালঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৬,২৩২ ভোট।

তবে দলটি বেশ কয়েকটি আসনে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল।

পটুয়াখালী-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী আলতাফ হোসেন চৌধুরী ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন, যেখানে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী পেয়েছেন ৫৮ হাজার ১৬১ ভোট।

পটুয়াখালী-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের আবু বক্কর ছিদ্দিকী ৩৮ হাজার ১৮৮ ভোট পেয়েছেন। এই আসনে ট্রাক প্রতীকে গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নুর জয়ী হয়েছেন।

পটুয়াখালী-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ৭০ হাজার ১২৭ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন। এখানে ১ লাখ ২৪ হাজার ১৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী এবিএম মোশাররফ হোসেন।

বরিশাল-৫ আসনে ৯৫,০৪৪ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতী সৈয়দ মো. ফয়জুল করিম। আর এই আসনে ১,৩৫,১৪৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ার।

ভোলা-১ আসনে ২৫,৩৪৫ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ওবায়দুর রহমান। ১,০৫,৫৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপির প্রার্থী আন্দালিভ রহমান।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ৫১টি দলের ২ হাজার ৯০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সারা দেশে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন ৪৭৮ জন।