ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) খুলনা ও যশোর সফরে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ বিরতির পর তার এই সফরকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলজুড়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
সফরের শুরুতে দুপুর ১২টায় খুলনা নগরীর খালিশপুরের প্রভাতী স্কুল মাঠে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন তিনি।
তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির যৌথ উদ্যোগে এক প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, আজকের জনসভায় বৃহত্তর খুলনা জেলার ১৪ জন বিএনপি প্রার্থীকে ভোটারদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
দলীয় নেতারা আশা প্রকাশ করে বলেন, এ জনসভায় খুলনা ছাড়াও বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও আশপাশের জেলা থেকে প্রায় ১৫ লাখ মানুষের সমাগম ঘটতে পারে।
খুলনার জনসভায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন ইস্যু বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে জানান বিএনপি নেতারা। এর মধ্যে রয়েছে—বন্ধ মিল-কারখানা পুনরায় চালু, গ্যাস সংযোগ সম্প্রসারণ, সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটন শিল্পের বিকাশ, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ইকোনমিক জোন বাস্তবায়ন এবং উপকূলীয় এলাকায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ।
খুলনার কর্মসূচি শেষে দুপুর ১টার দিকে হেলিকপটারে যশোরের উদ্দেশে রওনা হবেন তারেক রহমান। দুপুর দেড়টায় তিনি যশোর পৌঁছে ক্রীড়া উদ্যানে আয়োজিত বিএনপির নির্বাচনি সমাবেশে অংশ নেবেন। যশোরে এটিই তারেক রহমানের প্রথম জনসভা, যা স্মরণকালের বৃহত্তম সমাবেশে রূপ নিতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছে জেলা বিএনপি।
যশোর জেলা বিএনপি জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে শহরের বাইরে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। সমাবেশে যশোরবাসীর বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হবে, বিশেষ করে দীর্ঘদিনের ভবদহ সমস্যার স্থায়ী সমাধানের বিষয়টি দলীয় চেয়ারম্যানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হবে।
তারেক রহমানের খুলনা ও যশোর সফরকে কেন্দ্র করে দুই জেলাজুড়ে মঞ্চ নির্মাণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সাংগঠনিক প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে। দলীয় নেতারা বলছেন, এই সফর কেবল নির্বাচনি প্রচারণা নয়; বরং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রাজনীতি ও উন্নয়ন ভাবনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করবে।
Reporter Name 


















