ঢাকা ১২:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শব্দচয়ন নিয়ে আইজিপিকে সতর্ক করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি হলেন শিবা শানু ইসরায়েলে জয়ের পথে বিরোধীরা, ক্ষমতা ছাড়তে হচ্ছে নেতানিয়াহুকে বাংলাদেশ এখন আর অদক্ষ শ্রমিক বি‌দে‌শে পাঠাবে না : প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী যে কারণে ভারতে বন্ধ হতে পারে হোয়াটসঅ্যাপ-টেলিগ্রাম ঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন শহরে রূপান্তর করতে চান প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুখবর, বছর শেষ হওয়ার আগেই মিলবে নতুন বই ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন ১৮৫ কেন্দ্রের ১১৫টিই ঝুঁকিপূর্ণ, কড়া নিরাপত্তায় মাঠে এসআরবি অবশেষে মুক্তি পাচ্ছে সাইমন-মাহির ‘আনন্দ অশ্রু’ বিশ্বকাপের শেষ আটে বাংলাদেশ, একদিনে দুবার টাইব্রেকারে জয়

২০২৬ সালের হজের ভিসা ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৫২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১১৪ বার

২০২৬ সালের (১৪৪৭ হিজরি) হজ মৌসুমের জন্য আগামীকাল ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ভিসা ইস্যু শুরু করবে সৌদি আরব। দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এ ঘোষণা দিয়েছে।

হজ কার্যালয়গুলোর জন্য তৈরি করা বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূলত হজযাত্রীদের সৌদি আরবে পৌঁছানোর কয়েক মাস আগেই সেবার মান নিশ্চিত করা ও প্রস্তুতি কার্যক্রম গুছিয়ে নিতেই মন্ত্রণালয়ের এ উদ্যোগ।

গালফ নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের হজের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে অনেক আগেই—২০২৫ সালের ৮ জুন থেকে। তারিখটি হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ১৪৪৬ সালের ১২ জিলহজের সঙ্গে মিলে যায়। ওই সময় বিশ্বজুড়ে হজের কার্যক্রম তদারককারী দপ্তরগুলোর কাছে প্রাথমিক পরিকল্পনার নথিপত্র পাঠায় সৌদি মন্ত্রণালয়।

এ ছাড়া পবিত্র সফর মাসের শুরুতে ‘নুসুক মাসার’ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে হজ দপ্তরগুলোকে পবিত্র স্থানগুলোর তাঁবু সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়। এতে তারা পরিকল্পনা, পর্যালোচনা ও সমন্বয়ের জন্য পর্যাপ্ত সময় পায়।

ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আবাসন ও মূল সেবাসংক্রান্ত প্রস্তুতিমূলক চুক্তি শুরু হয় ১৪৪৭ হিজরি সালের ১ রবিউল আউয়াল (২০২৫ সালের আগস্টের শেষ দিক) থেকে।

সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে একটি হজ প্রদর্শনীও আয়োজন করা হবে।

২০২৬ সালের শুরুতেই পবিত্র হজ পালনের প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। পবিত্র মক্কা ও মদিনায় আবাসন এবং পরিবহনসহ অন্যান্য চুক্তি গত জানুয়ারির মধ্যে শেষ করা হয়। ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভিসা ইস্যু শুরু হবে এবং মার্চে ভিসার কাজ শেষ করে হজযাত্রীদের আগমনের প্রস্তুতিমূলক তথ্য জমা দেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয় বলছে, আগামী ১৮ এপ্রিল (১ জিলকদ) থেকে হজযাত্রীদের প্রথম দল সৌদি আরবে পৌঁছাবে। এর মাধ্যমেই হজ মৌসুমের চূড়ান্ত পর্যায়ের কার্যক্রম শুরু হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরিকাঠামো ও সব সেবা নিশ্চিত করতে নির্ধারিত সূচি কঠোরভাবে মেনে চলার ওপর জোর দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

ইতিমধ্যে, হজ প্রস্তুতির ক্ষেত্রে বড় অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। বিদেশি হজযাত্রীদের জন্য সব পরিষেবা ও পবিত্র মক্কার আবাসনের চুক্তি ‘নুসুক’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৭ লাখ হজযাত্রী নিবন্ধন করেছেন। তাদের মধ্যে ৩০ হাজার জন সরাসরি নিজ দেশ থেকে প্যাকেজ বুক করেছেন।

আন্তর্জাতিক হজযাত্রীদের জন্য পবিত্র স্থানগুলোতে আনুমানিক ৪৮৫টি তাঁবু বরাদ্দ করা হয়েছে এবং ৭৩টি হজ কার্যালয় তাদের প্রাথমিক চুক্তির কাজ শেষ করেছে।

হজযাত্রীদের নিরাপদ ও সম্মানজনকভাবে পবিত্র হজ পালন নিশ্চিত করতে হজ কার্যালয় ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সূচি পুরোপুরি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে সৌদি আরব।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শব্দচয়ন নিয়ে আইজিপিকে সতর্ক করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২০২৬ সালের হজের ভিসা ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু

আপডেট টাইম : ১১:৫২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

২০২৬ সালের (১৪৪৭ হিজরি) হজ মৌসুমের জন্য আগামীকাল ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ভিসা ইস্যু শুরু করবে সৌদি আরব। দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এ ঘোষণা দিয়েছে।

হজ কার্যালয়গুলোর জন্য তৈরি করা বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূলত হজযাত্রীদের সৌদি আরবে পৌঁছানোর কয়েক মাস আগেই সেবার মান নিশ্চিত করা ও প্রস্তুতি কার্যক্রম গুছিয়ে নিতেই মন্ত্রণালয়ের এ উদ্যোগ।

গালফ নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের হজের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে অনেক আগেই—২০২৫ সালের ৮ জুন থেকে। তারিখটি হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ১৪৪৬ সালের ১২ জিলহজের সঙ্গে মিলে যায়। ওই সময় বিশ্বজুড়ে হজের কার্যক্রম তদারককারী দপ্তরগুলোর কাছে প্রাথমিক পরিকল্পনার নথিপত্র পাঠায় সৌদি মন্ত্রণালয়।

এ ছাড়া পবিত্র সফর মাসের শুরুতে ‘নুসুক মাসার’ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে হজ দপ্তরগুলোকে পবিত্র স্থানগুলোর তাঁবু সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়। এতে তারা পরিকল্পনা, পর্যালোচনা ও সমন্বয়ের জন্য পর্যাপ্ত সময় পায়।

ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আবাসন ও মূল সেবাসংক্রান্ত প্রস্তুতিমূলক চুক্তি শুরু হয় ১৪৪৭ হিজরি সালের ১ রবিউল আউয়াল (২০২৫ সালের আগস্টের শেষ দিক) থেকে।

সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে একটি হজ প্রদর্শনীও আয়োজন করা হবে।

২০২৬ সালের শুরুতেই পবিত্র হজ পালনের প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। পবিত্র মক্কা ও মদিনায় আবাসন এবং পরিবহনসহ অন্যান্য চুক্তি গত জানুয়ারির মধ্যে শেষ করা হয়। ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভিসা ইস্যু শুরু হবে এবং মার্চে ভিসার কাজ শেষ করে হজযাত্রীদের আগমনের প্রস্তুতিমূলক তথ্য জমা দেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয় বলছে, আগামী ১৮ এপ্রিল (১ জিলকদ) থেকে হজযাত্রীদের প্রথম দল সৌদি আরবে পৌঁছাবে। এর মাধ্যমেই হজ মৌসুমের চূড়ান্ত পর্যায়ের কার্যক্রম শুরু হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরিকাঠামো ও সব সেবা নিশ্চিত করতে নির্ধারিত সূচি কঠোরভাবে মেনে চলার ওপর জোর দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

ইতিমধ্যে, হজ প্রস্তুতির ক্ষেত্রে বড় অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। বিদেশি হজযাত্রীদের জন্য সব পরিষেবা ও পবিত্র মক্কার আবাসনের চুক্তি ‘নুসুক’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৭ লাখ হজযাত্রী নিবন্ধন করেছেন। তাদের মধ্যে ৩০ হাজার জন সরাসরি নিজ দেশ থেকে প্যাকেজ বুক করেছেন।

আন্তর্জাতিক হজযাত্রীদের জন্য পবিত্র স্থানগুলোতে আনুমানিক ৪৮৫টি তাঁবু বরাদ্দ করা হয়েছে এবং ৭৩টি হজ কার্যালয় তাদের প্রাথমিক চুক্তির কাজ শেষ করেছে।

হজযাত্রীদের নিরাপদ ও সম্মানজনকভাবে পবিত্র হজ পালন নিশ্চিত করতে হজ কার্যালয় ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সূচি পুরোপুরি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে সৌদি আরব।