ঢাকা ০৭:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

আইসিসির চিঠি ভারতে খেলতে মোস্তাফিজই ঝুঁকি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:৫৮:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১০৩ বার

ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা নতুন মাত্রা পেয়েছে। বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে বিশ্বকাপ দলে অন্তর্ভুক্ত করাই নাকি বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তাঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারেÑ এমন উদ্বেগ জানিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) চিঠি দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) নিরাপত্তা বিভাগ। আইসিসির ওই চিঠি প্রকাশ্যে আসার পর বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম অচলাবস্থা।

বাফুফে ভবনে গতকাল আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল এ চিঠির বিষয়বস্তু প্রকাশ করেন। তিনি জানান, আইসিসির নিরাপত্তা বিভাগের পাঠানো চিঠিতে তিনটি সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করে বলা হয়েছেÑ যেগুলোর কারণে ভারতে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি গুরুতর ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। ওই তিনটি কারণের মধ্যে প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে বিশ্বকাপ দলে রাখা।

ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, আইসিসির চিঠিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছেÑ বাংলাদেশ দলে মোস্তাফিজুর রহমান থাকলে দলের নিরাপত্তাঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে। একই সঙ্গে চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সমর্থকরা যদি জাতীয় দলের জার্সি পরে প্রকাশ্যে চলাফেরা করেন এবং বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, ততই বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তাঝুঁকি আরও বাড়বে।

এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসিফ নজরুল বলেন, আইসিসির সিকিউরিটি টিম তাদের চিঠিতে তিনটি নির্দিষ্ট বিষয় তুলে ধরেছে। প্রথমত বাংলাদেশ দলে যদি মোস্তাফিজুর রহমানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। দ্বিতীয়ত বাংলাদেশের সমর্থকরা যদি জাতীয় জার্সি পরে চলাফেরা করেন। তৃতীয়ত বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে, ততই বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তাঝুঁকি বাড়বে।

আইসিসির এই অবস্থানকে ‘উদ্ভট’, ‘অবাস্তব’ ও ‘অযৌক্তিক’ আখ্যা দিয়ে ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, আইসিসি যদি ধরে নেয় আমাদের সেরা বোলারকে বাদ দিয়ে দল গড়ব, আমাদের সমর্থকরা জার্সি পরতে পারবে না এবং একটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট টুর্নামেন্টের জন্য একটি দেশের জাতীয় নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া হবেÑ তাহলে এর চেয়ে অবাস্তব প্রত্যাশা আর হতে পারে না। তিনি আরও বলেন, ক্রিকেটের ওপর কোনো দেশের একচেটিয়া আধিপত্য থাকা উচিত নয়।

‘আইসিসি যদি সত্যিকার অর্থে একটি গ্লোবাল অর্গানাইজেশন হয় এবং ভারতের কথায় ওঠবস না করে, তাহলে অবশ্যই বাংলাদেশকে শ্রীলংকায় খেলার সুযোগ দিতে হবে। এই প্রশ্নে আমরা কোনোভাবেই নতি স্বীকার করব না।’

ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতার কঠোর সমালোচনা করে আসিফ নজরুল বলেন, ‘ভারতে বর্তমানে যে উগ্র সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি এবং বাংলাদেশ-বিদ্বেষী পরিবেশ বিরাজ করছে, বিশেষ করে গত ১৬ মাস ধরে চলা ধারাবাহিক ক্যাম্পেইনের প্রেক্ষাপটে সেখানে ক্রিকেট খেলা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে। মোস্তাফিজ ইস্যু এবং আইসিসির এই চিঠি সেটিকে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করেছে। তিনি বলেন, যেখানে আমাদের দলের একজন খেলোয়াড়ের জন্য নিরাপদে খেলার পরিবেশ নেই, সেখানে ভারতের জাতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও একটি জাতীয় অথরিটিÑ যখন বলে তাকে এখানে খেলানো যাবে না, এর চেয়ে বড় প্রমাণ আর কী হতে পারে? এটি স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, ভারতে আমাদের খেলার পরিবেশ নেই।

এদিকে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে না যাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের দাবির ওপর আইসিসি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। তবে জানা গেছে, বাংলাদেশের ম্যাচগুলোর জন্য বিকল্প ভেন্যু হিসেবে দুটি স্থান বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাদের ম্যাচগুলো শ্রীলংকায় সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডও বাংলাদেশের ম্যাচগুলো তাদের দেশে আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভি এ বিষয়ে ইতোমধ্যে প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়েছেন।

তবে ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘ক্রিকবাজ’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শ্রীলংকা বা পাকিস্তান নয়, শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের ম্যাচগুলো ভারতেই আয়োজনের পরিকল্পনা করছে আইসিসি। সে ক্ষেত্রে কলকাতা ও মুম্বাইয়ের পরিবর্তে বিকল্প হিসেবে বিবেচনায় রয়েছে চেন্নাই ও তিরুঅনন্তপুরম।

জানা গেছে, আইসিসি এবং বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) ইতোমধ্যে তামিলনাড়ু ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (টিএনসিএ) ও কেরালা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের (কেসিএ) সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। বাংলাদেশের ম্যাচগুলো চেন্নাইয়ের চিপক স্টেডিয়াম এবং তিরুঅনন্তপুরমে আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা চলছে।

বর্তমান সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচ কলকাতায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথাÑ ৭ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে, ৯ ফেব্রুয়ারি ইতালির বিপক্ষে এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে মুম্বাই যাওয়ার কথা রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

আইসিসির চিঠি ভারতে খেলতে মোস্তাফিজই ঝুঁকি

আপডেট টাইম : ০৬:৫৮:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা নতুন মাত্রা পেয়েছে। বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে বিশ্বকাপ দলে অন্তর্ভুক্ত করাই নাকি বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তাঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারেÑ এমন উদ্বেগ জানিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) চিঠি দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) নিরাপত্তা বিভাগ। আইসিসির ওই চিঠি প্রকাশ্যে আসার পর বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম অচলাবস্থা।

বাফুফে ভবনে গতকাল আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল এ চিঠির বিষয়বস্তু প্রকাশ করেন। তিনি জানান, আইসিসির নিরাপত্তা বিভাগের পাঠানো চিঠিতে তিনটি সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করে বলা হয়েছেÑ যেগুলোর কারণে ভারতে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি গুরুতর ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। ওই তিনটি কারণের মধ্যে প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে বিশ্বকাপ দলে রাখা।

ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, আইসিসির চিঠিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছেÑ বাংলাদেশ দলে মোস্তাফিজুর রহমান থাকলে দলের নিরাপত্তাঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে। একই সঙ্গে চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সমর্থকরা যদি জাতীয় দলের জার্সি পরে প্রকাশ্যে চলাফেরা করেন এবং বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, ততই বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তাঝুঁকি আরও বাড়বে।

এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসিফ নজরুল বলেন, আইসিসির সিকিউরিটি টিম তাদের চিঠিতে তিনটি নির্দিষ্ট বিষয় তুলে ধরেছে। প্রথমত বাংলাদেশ দলে যদি মোস্তাফিজুর রহমানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। দ্বিতীয়ত বাংলাদেশের সমর্থকরা যদি জাতীয় জার্সি পরে চলাফেরা করেন। তৃতীয়ত বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে, ততই বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তাঝুঁকি বাড়বে।

আইসিসির এই অবস্থানকে ‘উদ্ভট’, ‘অবাস্তব’ ও ‘অযৌক্তিক’ আখ্যা দিয়ে ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, আইসিসি যদি ধরে নেয় আমাদের সেরা বোলারকে বাদ দিয়ে দল গড়ব, আমাদের সমর্থকরা জার্সি পরতে পারবে না এবং একটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট টুর্নামেন্টের জন্য একটি দেশের জাতীয় নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া হবেÑ তাহলে এর চেয়ে অবাস্তব প্রত্যাশা আর হতে পারে না। তিনি আরও বলেন, ক্রিকেটের ওপর কোনো দেশের একচেটিয়া আধিপত্য থাকা উচিত নয়।

‘আইসিসি যদি সত্যিকার অর্থে একটি গ্লোবাল অর্গানাইজেশন হয় এবং ভারতের কথায় ওঠবস না করে, তাহলে অবশ্যই বাংলাদেশকে শ্রীলংকায় খেলার সুযোগ দিতে হবে। এই প্রশ্নে আমরা কোনোভাবেই নতি স্বীকার করব না।’

ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতার কঠোর সমালোচনা করে আসিফ নজরুল বলেন, ‘ভারতে বর্তমানে যে উগ্র সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি এবং বাংলাদেশ-বিদ্বেষী পরিবেশ বিরাজ করছে, বিশেষ করে গত ১৬ মাস ধরে চলা ধারাবাহিক ক্যাম্পেইনের প্রেক্ষাপটে সেখানে ক্রিকেট খেলা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে। মোস্তাফিজ ইস্যু এবং আইসিসির এই চিঠি সেটিকে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করেছে। তিনি বলেন, যেখানে আমাদের দলের একজন খেলোয়াড়ের জন্য নিরাপদে খেলার পরিবেশ নেই, সেখানে ভারতের জাতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও একটি জাতীয় অথরিটিÑ যখন বলে তাকে এখানে খেলানো যাবে না, এর চেয়ে বড় প্রমাণ আর কী হতে পারে? এটি স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, ভারতে আমাদের খেলার পরিবেশ নেই।

এদিকে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে না যাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের দাবির ওপর আইসিসি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। তবে জানা গেছে, বাংলাদেশের ম্যাচগুলোর জন্য বিকল্প ভেন্যু হিসেবে দুটি স্থান বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাদের ম্যাচগুলো শ্রীলংকায় সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডও বাংলাদেশের ম্যাচগুলো তাদের দেশে আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভি এ বিষয়ে ইতোমধ্যে প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়েছেন।

তবে ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘ক্রিকবাজ’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শ্রীলংকা বা পাকিস্তান নয়, শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের ম্যাচগুলো ভারতেই আয়োজনের পরিকল্পনা করছে আইসিসি। সে ক্ষেত্রে কলকাতা ও মুম্বাইয়ের পরিবর্তে বিকল্প হিসেবে বিবেচনায় রয়েছে চেন্নাই ও তিরুঅনন্তপুরম।

জানা গেছে, আইসিসি এবং বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) ইতোমধ্যে তামিলনাড়ু ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (টিএনসিএ) ও কেরালা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের (কেসিএ) সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। বাংলাদেশের ম্যাচগুলো চেন্নাইয়ের চিপক স্টেডিয়াম এবং তিরুঅনন্তপুরমে আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা চলছে।

বর্তমান সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচ কলকাতায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথাÑ ৭ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে, ৯ ফেব্রুয়ারি ইতালির বিপক্ষে এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে মুম্বাই যাওয়ার কথা রয়েছে।