ঢাকা ০২:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে: মির্জা ফখরুল কিশোরগঞ্জের স্বাস্থ্যখাতসহ সার্বিক উন্নয়নে কাজ চলছে: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম সংসদ থেকে ভালো রাজনৈতিক সংস্কৃতির চর্চা সংসদ থেকে শুরু করতে চাই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বাড়ল দেশের রিজার্ভ দায়িত্বের বাইরে কেউ যেন মন্তব্য না করে : প্রধানমন্ত্রী সংসদে দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে ভূমিকা পালন করতে চাই যুদ্ধের মধ্যেই সেনাদের জানাজায় লাখো ইরানির ঢল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও অধিকার সবার আগে : ডিএসসিসি প্রশাসক প্রথম অধিবেশন ঘিরে অতিথিদের প্রবেশ ও গাড়ি পার্কিং নির্দেশনা ইরাকের মাটির নীচে ইরানের ‘মিসাইল সিটি’

নির্বাচনের আগে-পরে মাঠে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৭ লক্ষাধিক সদস্য

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:১৯:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪৪ বার

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে।  নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে করার লক্ষ্যে ৭ দিনের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ৭ লাখের বেশি সদস্য মাঠে থাকবেন। ভোটের চার দিন আগে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ভোটের দিন ও ভোটের পরে দুই দিন ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী মোতায়েন থাকবেন।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবারের ভোটার সংখ্যা পৌনে ১৩ কোটি। ৩০০ আসনে প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে দুই লাখ ৬০ হাজারের মতো ভোটকক্ষ থাকবে। প্রাথমিক সভায় প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ১৩ থেকে ১৮ জন সদস্য রাখার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ৭ লাখের বেশি সদস্য এবার ভোটের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচনে স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য মাঠে থাকবে সশস্ত্র বাহিনীর ৯০ হাজারের বেশি সদস্য। ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকবেন সাড়ে ৫ লাখের মতো আনসার-ভিডিপি সদস্য। গ্রামপুলিশ বা দফাদাররা প্রতিটি কেন্দ্রে ৭ দিনের জন্য এবং প্রান্তিক ভিডিপি সদস্যরা প্রশিক্ষণসহ মোট ৮ দিনের জন্য নিয়োজিত থাকবেন।

পাশাপাশি দায়িত্বে থাকবেন পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও কোস্ট গার্ড। বিজিবি ও র্যাব মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে এবং প্রয়োজনে হেলিকপ্টার, ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করতে পারবে। মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ৩ জন পুলিশ এবং মেট্রোপলিটন এলাকার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ৪ জন পুলিশ সদস্য অস্ত্রসহ নিয়োজিত থাকবেন।

ভোটগ্রহণের দিন এবং তার আগে ও পরে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে যৌথ বাহিনী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করবে। এ ছাড়া ১০ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচল এবং ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ট্যাক্সিক্যাব, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব লাইসেন্সধারী ব্যক্তির অস্ত্র বহন ও প্রদর্শনও নিষিদ্ধ থাকবে।

গত ১১ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার ভোটের তফশিল ঘোষণা করার পরদিন সম্ভাব্য একজন প্রার্থী গুলিবিদ্ধ হন। এরপর দুটি নির্বাচনি অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সার্বিক পরিস্থিতিতে সিইসি, ইসি, সচিবসহ রিটার্নিং, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়।

তফশিল ঘোষণার আগে দুই দফা এবং তফসিলের পর বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর শীর্ষ ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করে ইসি। এর পরই ‘আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক এ পরিপত্র জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে: মির্জা ফখরুল

নির্বাচনের আগে-পরে মাঠে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৭ লক্ষাধিক সদস্য

আপডেট টাইম : ০৬:১৯:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে।  নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে করার লক্ষ্যে ৭ দিনের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ৭ লাখের বেশি সদস্য মাঠে থাকবেন। ভোটের চার দিন আগে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ভোটের দিন ও ভোটের পরে দুই দিন ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী মোতায়েন থাকবেন।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবারের ভোটার সংখ্যা পৌনে ১৩ কোটি। ৩০০ আসনে প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে দুই লাখ ৬০ হাজারের মতো ভোটকক্ষ থাকবে। প্রাথমিক সভায় প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ১৩ থেকে ১৮ জন সদস্য রাখার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ৭ লাখের বেশি সদস্য এবার ভোটের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচনে স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য মাঠে থাকবে সশস্ত্র বাহিনীর ৯০ হাজারের বেশি সদস্য। ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকবেন সাড়ে ৫ লাখের মতো আনসার-ভিডিপি সদস্য। গ্রামপুলিশ বা দফাদাররা প্রতিটি কেন্দ্রে ৭ দিনের জন্য এবং প্রান্তিক ভিডিপি সদস্যরা প্রশিক্ষণসহ মোট ৮ দিনের জন্য নিয়োজিত থাকবেন।

পাশাপাশি দায়িত্বে থাকবেন পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও কোস্ট গার্ড। বিজিবি ও র্যাব মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে এবং প্রয়োজনে হেলিকপ্টার, ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করতে পারবে। মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ৩ জন পুলিশ এবং মেট্রোপলিটন এলাকার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ৪ জন পুলিশ সদস্য অস্ত্রসহ নিয়োজিত থাকবেন।

ভোটগ্রহণের দিন এবং তার আগে ও পরে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে যৌথ বাহিনী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করবে। এ ছাড়া ১০ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচল এবং ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ট্যাক্সিক্যাব, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব লাইসেন্সধারী ব্যক্তির অস্ত্র বহন ও প্রদর্শনও নিষিদ্ধ থাকবে।

গত ১১ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার ভোটের তফশিল ঘোষণা করার পরদিন সম্ভাব্য একজন প্রার্থী গুলিবিদ্ধ হন। এরপর দুটি নির্বাচনি অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সার্বিক পরিস্থিতিতে সিইসি, ইসি, সচিবসহ রিটার্নিং, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়।

তফশিল ঘোষণার আগে দুই দফা এবং তফসিলের পর বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর শীর্ষ ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করে ইসি। এর পরই ‘আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক এ পরিপত্র জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।