ঢাকা ০৮:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

ওসমান হাদির হত্যাকারীরা ভারতে প্রবেশ করেনি, দাবি মেঘালয় পুলিশের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৫:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৯৪ বার

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুই সন্দেহভাজন সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মেঘালয়ে প্রবেশ করেছে বলে বাংলাদেশ পুলিশ যে দাবি করেছে, তা নাকচ করে দিয়েছে মেঘালয় পুলিশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) মেঘালয় পুলিশ ও বিএসএফের জ্যেষ্ঠ দুই কর্মকর্তা বাংলাদেশ পুলিশের দাবিকে বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস ও মেঘালয় মনিটর এ খবর জানিয়েছে।

মেঘালয় পুলিশ জানিয়েছে, বাংলাদেশি নাগরিক ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর শেখ হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে—এমন কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই।

পুলিশের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, গারো পাহাড় এলাকায় ওই দুই অভিযুক্তের উপস্থিতির কোনো প্রমাণ নেই। কাউকে গ্রেপ্তারও করা হয়নি।

সীমান্ত পার হয়ে তারা স্থানীয় দুই ব্যক্তির সহায়তা পেয়েছে এবং ট্যাক্সিতে করে তুরা শহরে গেছে। তবে মেঘালয় পুলিশ জানায়, এসব তথ্যের কোনো সত্যতা নেই। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাউকেই শনাক্ত বা আটক করা হয়নি।

এ বিষয়ে বিএসএফ (মেঘালয় ফ্রন্টিয়ার)-এর আইজি ওপি উপাধ্যায় বলেন, হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে কেউ মেঘালয়ে প্রবেশ করেছে—এমন কোনো ঘটনা বিএসএফের নজরে আসেনি। এসব দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

কর্মকর্তারা জানান, এর আগেও বাংলাদেশি গণমাধ্যমে এ ধরনের খবর প্রকাশ হয়েছিল, যা পরে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ যাচাই করে নাকচ করে।

তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলেও জানিয়েছে মেঘালয় পুলিশ।

মেঘালয় পুলিশ ও বিএসএফ উভয়েই জানিয়েছে, বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতায় তারা প্রস্তুত, তবে যাচাই ছাড়া কোনো দাবি বা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

ওসমান হাদির হত্যাকারীরা ভারতে প্রবেশ করেনি, দাবি মেঘালয় পুলিশের

আপডেট টাইম : ১১:০৫:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুই সন্দেহভাজন সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মেঘালয়ে প্রবেশ করেছে বলে বাংলাদেশ পুলিশ যে দাবি করেছে, তা নাকচ করে দিয়েছে মেঘালয় পুলিশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) মেঘালয় পুলিশ ও বিএসএফের জ্যেষ্ঠ দুই কর্মকর্তা বাংলাদেশ পুলিশের দাবিকে বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস ও মেঘালয় মনিটর এ খবর জানিয়েছে।

মেঘালয় পুলিশ জানিয়েছে, বাংলাদেশি নাগরিক ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর শেখ হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে—এমন কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই।

পুলিশের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, গারো পাহাড় এলাকায় ওই দুই অভিযুক্তের উপস্থিতির কোনো প্রমাণ নেই। কাউকে গ্রেপ্তারও করা হয়নি।

সীমান্ত পার হয়ে তারা স্থানীয় দুই ব্যক্তির সহায়তা পেয়েছে এবং ট্যাক্সিতে করে তুরা শহরে গেছে। তবে মেঘালয় পুলিশ জানায়, এসব তথ্যের কোনো সত্যতা নেই। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাউকেই শনাক্ত বা আটক করা হয়নি।

এ বিষয়ে বিএসএফ (মেঘালয় ফ্রন্টিয়ার)-এর আইজি ওপি উপাধ্যায় বলেন, হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে কেউ মেঘালয়ে প্রবেশ করেছে—এমন কোনো ঘটনা বিএসএফের নজরে আসেনি। এসব দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

কর্মকর্তারা জানান, এর আগেও বাংলাদেশি গণমাধ্যমে এ ধরনের খবর প্রকাশ হয়েছিল, যা পরে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ যাচাই করে নাকচ করে।

তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলেও জানিয়েছে মেঘালয় পুলিশ।

মেঘালয় পুলিশ ও বিএসএফ উভয়েই জানিয়েছে, বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতায় তারা প্রস্তুত, তবে যাচাই ছাড়া কোনো দাবি বা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।