ঢাকা ০৮:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

কম্বোডিয়া সীমান্তে হামলা তীব্র করেছে থাইল্যান্ড

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৮৬ বার

কম্বোডিয়া শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) থাইল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিতর্কিত সীমান্ত এলাকায় বোমাবর্ষণ তীব্র করার অভিযোগ করেছে।

হামলার অভিযোগটি এমন সময়ে এলো, যখন প্রাণঘাতী সংঘর্ষের অবসান ঘটাতে আলোচনার লক্ষ্যে বহুদিনের বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন দুই দেশের কর্মকর্তারা। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, প্রতিবেশী দেশগুলোর দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধ এই মাসে আবারও তীব্র হয়ে ওঠে। যার ফলে পূর্বের যুদ্ধবিরতি ভেঙে যায় এবং ৪০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়। এছাড়া প্রায় দশ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

শুক্রবার সীমান্তের একটি চেকপয়েন্টে কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের কর্মকর্তারা আলোচনার তৃতীয় দিনে মতো অংশ নেন।এছড়াও  দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের মধ্যে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে, কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনী শুক্রবার সকালে বান্তে মিঞ্চে প্রদেশের বিতর্কিত সীমান্ত এলাকায় ভারী বোমা হামলা চালিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ৮ মিনিট থেকে ৭টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত থাই সামরিক বাহিনী এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে চক চে গ্রাম এলাকায় বোমাবর্ষণ জোরদার করেছে এবং ৪০টি বোমা নিক্ষেপ করেছে।’

এদিকে থাই গণমাধ্যম শুক্রবার জানিয়েছে, কম্বোডিয়ান বাহিনী রাতভর সা কেয়ো প্রদেশের সীমান্ত এলাকায় ভারী হামলা চালিয়েছে। ওই এলাকায় গোলাবর্ষণে বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নতুন করে শুরু হওয়া এই লড়াইয়ের জন্য দুই দেশই একে অপরকে দোষারোপ করছে। রক্তক্ষয়ী এই যুদ্ধ তাদের সীমান্তবর্তী প্রায় প্রতিটি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও মালয়েশিয়া জুলাই মাসে পাঁচ দিনের প্রাণঘাতী সংঘর্ষের অবসান ঘটাতে একটি যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতা করেছিল। তবে সেই যুদ্ধবিরতি বেশিদিন স্থায়ী হয়নি।

কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেট শুক্রবার ফেসবুকে জানান, তিনি ফোনে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে কথা বলেছেন এবং দুজন ‘কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্তে একটি যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার উপায়’ নিয়ে আলোচনা করেছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

কম্বোডিয়া সীমান্তে হামলা তীব্র করেছে থাইল্যান্ড

আপডেট টাইম : ১২:০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

কম্বোডিয়া শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) থাইল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিতর্কিত সীমান্ত এলাকায় বোমাবর্ষণ তীব্র করার অভিযোগ করেছে।

হামলার অভিযোগটি এমন সময়ে এলো, যখন প্রাণঘাতী সংঘর্ষের অবসান ঘটাতে আলোচনার লক্ষ্যে বহুদিনের বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন দুই দেশের কর্মকর্তারা। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, প্রতিবেশী দেশগুলোর দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধ এই মাসে আবারও তীব্র হয়ে ওঠে। যার ফলে পূর্বের যুদ্ধবিরতি ভেঙে যায় এবং ৪০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়। এছাড়া প্রায় দশ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

শুক্রবার সীমান্তের একটি চেকপয়েন্টে কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের কর্মকর্তারা আলোচনার তৃতীয় দিনে মতো অংশ নেন।এছড়াও  দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের মধ্যে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে, কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনী শুক্রবার সকালে বান্তে মিঞ্চে প্রদেশের বিতর্কিত সীমান্ত এলাকায় ভারী বোমা হামলা চালিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ৮ মিনিট থেকে ৭টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত থাই সামরিক বাহিনী এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে চক চে গ্রাম এলাকায় বোমাবর্ষণ জোরদার করেছে এবং ৪০টি বোমা নিক্ষেপ করেছে।’

এদিকে থাই গণমাধ্যম শুক্রবার জানিয়েছে, কম্বোডিয়ান বাহিনী রাতভর সা কেয়ো প্রদেশের সীমান্ত এলাকায় ভারী হামলা চালিয়েছে। ওই এলাকায় গোলাবর্ষণে বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নতুন করে শুরু হওয়া এই লড়াইয়ের জন্য দুই দেশই একে অপরকে দোষারোপ করছে। রক্তক্ষয়ী এই যুদ্ধ তাদের সীমান্তবর্তী প্রায় প্রতিটি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও মালয়েশিয়া জুলাই মাসে পাঁচ দিনের প্রাণঘাতী সংঘর্ষের অবসান ঘটাতে একটি যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতা করেছিল। তবে সেই যুদ্ধবিরতি বেশিদিন স্থায়ী হয়নি।

কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেট শুক্রবার ফেসবুকে জানান, তিনি ফোনে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে কথা বলেছেন এবং দুজন ‘কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্তে একটি যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার উপায়’ নিয়ে আলোচনা করেছেন।