ঢাকা ১২:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খুলনায় ৮ দলের বিভাগীয় সমাবেশ ক্ষমতার বাইরে থেকেও ‘ক্ষমতার দাপট’ দেখানোর অভিযোগ জামায়াত আমিরের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:৩৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩৬ বার

আগামী জাতীয় নির্বাচন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জুলাই-উত্তর প্রেক্ষাপট ও গণভোটসহ বিভিন্ন ইস্যুতে খুলনায় আয়োজিত ৮ দলীয় জোটের বিভাগীয় সমাবেশে দলগুলোর শীর্ষ নেতারা তীব্র সমালোচনা ও নানা দাবি-দাওয়া তুলে ধরেছেন।

সোমবার (১ ডিসেম্বর) বিকেলে খুলনা মহানগরীর শিববাড়ী বাবরী চত্বরে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মো. রেজাউল করিম।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ক্ষমতায় না গিয়েও অনেকে ক্ষমতার দাপট দেখাচ্ছেন। প্রশাসনিক ‘ক্যু’ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগামী নির্বাচনে ছলে-বলে-কৌশলে ষড়যন্ত্রের জাল বোনা হচ্ছে।

তিনি দাবি করেন, দেশের বিপ্লবী তরুণ, নারী ও সাধারণ মানুষ দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে আছে। বেলা শেষ, সূর্য ডুবে গেছে, বাংলাদেশে আর ষড়যন্ত্র সফল হবে না, বলেন জামায়াতের আমির।

সভাপতির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলনের আমির চরমোনাই পীর বলেন, অনেকে বলেন আমরা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত নই। কিন্তু আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। বরং যারা আজ হিসাব-নিকাশ করছেন তারাই বুঝেছেন, তাদের পায়ের তলার মাটি সরে গেছে।

তিনি আরও বলেন, গুন্ডামি, সেন্টার দখল বা সন্ত্রাসের মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়ার দিন শেষ। জনগণ আর সে সুযোগ দেবে না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক বলেন, জুলাই বিপ্লবের পর বাংলাদেশ দুই ভাগে বিভক্ত—৭২-এর বাকশালপন্থি ও ২০২৪-এর বিপ্লবপন্থি শক্তি।

তিনি দাবি করেন, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত করতে জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজন করতে হবে।

তিনি ইন্টেরিম সরকারের উদ্দেশে বলেন, গণভোট না করলে ইতিহাস ক্ষমা করবে না। বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য তিনি দোয়ার আহ্বান জানান।

সমাবেশে উপস্থিত অন্যান্য দলীয় নেতারাও রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নির্বাচন, দুর্নীতি, শরীয়াহ আইন প্রয়োগ ও গণভোটসহ নানা বিষয়ের ওপর মতামত তুলে ধরেন।

জাগপার সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান বলেন, জাতীয় নির্বাচনকে লেভেল প্লেয়িং করতে হবে। আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধের দাবি। গণভোটে হ্যাঁ বলুন, ৮ দলের প্রতিকে সিল দিন।

বিডিপির চেয়ারম্যান এড. আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন বলেন, দেশদ্রোহীদের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। মানুষ দালালি নয়, মুক্তি চায়।

খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাও. সাখাওয়াত হোসাইন বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার দেশকে তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত করেছে। ৮ দল ক্ষমতায় গেলে চাঁদাবাজি থাকবে না।

খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব ইউসুফ সাদেক হক্কানী বলেন,দেশের সংবিধান হবে কুরআন। সংসদে হবে কুরআনের আইন।

নিজামিয়া ইসলামিক পার্টির মহাসচিব মুফতি মুসা বিন ইজহার বলেন, সংস্কারবিরোধীদের জনগণ প্রত্যাখ্যান করবে। ইসলামী সংসদ গড়ে উঠবে।

দুপুর ১২টায় কুরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। সমাবেশে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন।

এছাড়া প্রেরণা সাহিত্য সংসদ ও নবদান সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীরা ইসলামী সংগীত পরিবেশন করেন।

সমাবেশ সঞ্চালনা করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা মহানগর সেক্রেটারি এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল আউয়াল ও মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমাদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি ড. হামিদুর রহমান আজাদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, খেলাফত মজলিস কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ধ মহাসচিব এডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা মহানগরী সেক্রেটারি এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহানগরী সহ-সভাপতি শেখ মো. নাসির উদ্দিনের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী সুলতান মহিউদ্দীন, বাংলাদেশ মসজিদ মিশনের সেক্রেটারি মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চল সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা শোয়াইব হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি মোস্তফা কামাল, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাস্টার এম এ মজিদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মুফতী শরীফ সাঈদুর রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা অঞ্চল টিম সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশার, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা জেলা আমীর মাওলানা মুহা. এমরান হুসাইন, সাতক্ষীরা জেলা আমীর উপাধ্যক্ষ মো. শহীদুল ইসলাম মুকুল, বাগেরহাট জেলা আমীর মাওলানা মো. রেজাউল করিম, খুলনা জেলা নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা কবিরুল ইসলাম, বাগেরহাটের এমপি প্রার্থী অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম, সাবেক এমপি গাজী নজরুল ইসলাম,  ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খুলনা মহানগরী সভাপতি মুফতী আমানুল্লাহ, খুলনা জেলা অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল¬াহ ইমরান, খুলনা মহানগরী সহ-সভাপতি শেখ মো. নাসির উদ্দীন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সদস্য মুফতী ওলিউল্লাহ মাহমুদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের খুলনা জেলা সহ-সভাপতি মুফতী আব্দুল কাইয়ুম জোমাদ্দার, খেলাফত মজলিসের খুলনা মহানগরী সভাপতি এফ এম হারুন অর রশিদ, খেলাফত মজলিসের খুলনা জেলার সভাপতি মাওলানা এমদাদুল হক, জাগপার খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়কারী মো. নিজাম উদ্দীন অমিত, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের খুলনা মহানগরী সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাও মুজাহিদুল ইসলাম, খুলনা জেলা সবারণ সম্পাদক মুফতী ইব্রাহিম খলিল, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়কারী মো. জাকির হোসেন খান, বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টি বিডিপির খুলনা মহানগরী সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. হানিফ উদ্দীন, জামায়াতে ইসলামীর যুববিভাগের মহানগরী সভাপতি মুকাররম বিল্লাহ আনসারী, যুব আন্দোলনের জেলা সভাপতি ফজলুল হক ফাহাদ, মহানগরী সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল ইসলাম নাসির, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য মহানগরী সভাপতি আরাফাত হোসেন মিলন, খুলনা জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি ইউসুফ ফকির, ছাত্র আন্দোলনের জেলা সভাপতি মো. ফরহাদ মোল্লাসহ খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলা, উপজেলার নেতৃবৃন্দ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

খুলনায় ৮ দলের বিভাগীয় সমাবেশ ক্ষমতার বাইরে থেকেও ‘ক্ষমতার দাপট’ দেখানোর অভিযোগ জামায়াত আমিরের

আপডেট টাইম : ০৮:৩৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

আগামী জাতীয় নির্বাচন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জুলাই-উত্তর প্রেক্ষাপট ও গণভোটসহ বিভিন্ন ইস্যুতে খুলনায় আয়োজিত ৮ দলীয় জোটের বিভাগীয় সমাবেশে দলগুলোর শীর্ষ নেতারা তীব্র সমালোচনা ও নানা দাবি-দাওয়া তুলে ধরেছেন।

সোমবার (১ ডিসেম্বর) বিকেলে খুলনা মহানগরীর শিববাড়ী বাবরী চত্বরে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মো. রেজাউল করিম।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ক্ষমতায় না গিয়েও অনেকে ক্ষমতার দাপট দেখাচ্ছেন। প্রশাসনিক ‘ক্যু’ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগামী নির্বাচনে ছলে-বলে-কৌশলে ষড়যন্ত্রের জাল বোনা হচ্ছে।

তিনি দাবি করেন, দেশের বিপ্লবী তরুণ, নারী ও সাধারণ মানুষ দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে আছে। বেলা শেষ, সূর্য ডুবে গেছে, বাংলাদেশে আর ষড়যন্ত্র সফল হবে না, বলেন জামায়াতের আমির।

সভাপতির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলনের আমির চরমোনাই পীর বলেন, অনেকে বলেন আমরা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত নই। কিন্তু আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। বরং যারা আজ হিসাব-নিকাশ করছেন তারাই বুঝেছেন, তাদের পায়ের তলার মাটি সরে গেছে।

তিনি আরও বলেন, গুন্ডামি, সেন্টার দখল বা সন্ত্রাসের মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়ার দিন শেষ। জনগণ আর সে সুযোগ দেবে না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক বলেন, জুলাই বিপ্লবের পর বাংলাদেশ দুই ভাগে বিভক্ত—৭২-এর বাকশালপন্থি ও ২০২৪-এর বিপ্লবপন্থি শক্তি।

তিনি দাবি করেন, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত করতে জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজন করতে হবে।

তিনি ইন্টেরিম সরকারের উদ্দেশে বলেন, গণভোট না করলে ইতিহাস ক্ষমা করবে না। বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য তিনি দোয়ার আহ্বান জানান।

সমাবেশে উপস্থিত অন্যান্য দলীয় নেতারাও রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নির্বাচন, দুর্নীতি, শরীয়াহ আইন প্রয়োগ ও গণভোটসহ নানা বিষয়ের ওপর মতামত তুলে ধরেন।

জাগপার সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান বলেন, জাতীয় নির্বাচনকে লেভেল প্লেয়িং করতে হবে। আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধের দাবি। গণভোটে হ্যাঁ বলুন, ৮ দলের প্রতিকে সিল দিন।

বিডিপির চেয়ারম্যান এড. আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন বলেন, দেশদ্রোহীদের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। মানুষ দালালি নয়, মুক্তি চায়।

খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাও. সাখাওয়াত হোসাইন বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার দেশকে তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত করেছে। ৮ দল ক্ষমতায় গেলে চাঁদাবাজি থাকবে না।

খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব ইউসুফ সাদেক হক্কানী বলেন,দেশের সংবিধান হবে কুরআন। সংসদে হবে কুরআনের আইন।

নিজামিয়া ইসলামিক পার্টির মহাসচিব মুফতি মুসা বিন ইজহার বলেন, সংস্কারবিরোধীদের জনগণ প্রত্যাখ্যান করবে। ইসলামী সংসদ গড়ে উঠবে।

দুপুর ১২টায় কুরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। সমাবেশে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন।

এছাড়া প্রেরণা সাহিত্য সংসদ ও নবদান সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীরা ইসলামী সংগীত পরিবেশন করেন।

সমাবেশ সঞ্চালনা করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা মহানগর সেক্রেটারি এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল আউয়াল ও মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমাদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি ড. হামিদুর রহমান আজাদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, খেলাফত মজলিস কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ধ মহাসচিব এডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা মহানগরী সেক্রেটারি এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহানগরী সহ-সভাপতি শেখ মো. নাসির উদ্দিনের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী সুলতান মহিউদ্দীন, বাংলাদেশ মসজিদ মিশনের সেক্রেটারি মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চল সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা শোয়াইব হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি মোস্তফা কামাল, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাস্টার এম এ মজিদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মুফতী শরীফ সাঈদুর রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা অঞ্চল টিম সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশার, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা জেলা আমীর মাওলানা মুহা. এমরান হুসাইন, সাতক্ষীরা জেলা আমীর উপাধ্যক্ষ মো. শহীদুল ইসলাম মুকুল, বাগেরহাট জেলা আমীর মাওলানা মো. রেজাউল করিম, খুলনা জেলা নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা কবিরুল ইসলাম, বাগেরহাটের এমপি প্রার্থী অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম, সাবেক এমপি গাজী নজরুল ইসলাম,  ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খুলনা মহানগরী সভাপতি মুফতী আমানুল্লাহ, খুলনা জেলা অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল¬াহ ইমরান, খুলনা মহানগরী সহ-সভাপতি শেখ মো. নাসির উদ্দীন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সদস্য মুফতী ওলিউল্লাহ মাহমুদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের খুলনা জেলা সহ-সভাপতি মুফতী আব্দুল কাইয়ুম জোমাদ্দার, খেলাফত মজলিসের খুলনা মহানগরী সভাপতি এফ এম হারুন অর রশিদ, খেলাফত মজলিসের খুলনা জেলার সভাপতি মাওলানা এমদাদুল হক, জাগপার খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়কারী মো. নিজাম উদ্দীন অমিত, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের খুলনা মহানগরী সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাও মুজাহিদুল ইসলাম, খুলনা জেলা সবারণ সম্পাদক মুফতী ইব্রাহিম খলিল, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়কারী মো. জাকির হোসেন খান, বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টি বিডিপির খুলনা মহানগরী সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. হানিফ উদ্দীন, জামায়াতে ইসলামীর যুববিভাগের মহানগরী সভাপতি মুকাররম বিল্লাহ আনসারী, যুব আন্দোলনের জেলা সভাপতি ফজলুল হক ফাহাদ, মহানগরী সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল ইসলাম নাসির, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য মহানগরী সভাপতি আরাফাত হোসেন মিলন, খুলনা জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি ইউসুফ ফকির, ছাত্র আন্দোলনের জেলা সভাপতি মো. ফরহাদ মোল্লাসহ খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলা, উপজেলার নেতৃবৃন্দ।