ঢাকা ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
এভারকেয়ার হাসপাতালে চলছে চিকিৎসা ওসমান হাদির অবস্থা আশঙ্কাজনক যুগে যুগে ইসলামি রাষ্ট্রে অমুসলিম প্রতিনিধি ফিরে দেখা ২০২৫ – বিজয়ের মাস ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন ওসমান হাদিকে দেখতে গিয়ে কাঁদলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ মেসির সঙ্গে দেখা করবেন বলিউড বাদশাহ ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে নতুন নির্দেশনা চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের হাতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র রয়েছে : জামায়াত আমির কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে : সেনাপ্রধান পাশ্ববর্তী রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা গেল কয়েকমাসে অন্তত ৮০ জনকে দেশের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে অনুপ্রবেশ করিয়েছে মিশরে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি বিচারক

ইতিহাসের বিধ্বংসী ১০ ভূমিকম্প

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৩৬:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৯ বার

ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার মাত্রা সম্প্রতি বেড়ে যাওয়ায় এ নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা চলছে। এ দুর্যোগের ইতিহাস পর্যালোচনা হচ্ছে। মূলত ১৯০০ সাল থেকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে ভূমিকম্পের রেকর্ড রাখা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস। ১২৫ বছরের মধ্যে রেকর্ডে থাকা সবচেয়ে বিধ্বংসী ১০ ভূমিকম্পের তালিকা তাদের ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে।

চিলির বিওবিও – ৯.৫- ১৯৬০

বিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পটি হয়েছে ১৯৬০ সালে চিলির বিওবিও প্রদেশে। এটি ‘ভালদিভিয়া ভূমিকম্প’ বা ‘গ্রেট চিলিয়ান আর্থকোয়াক’ হিসেবে পরিচিত ভূকম্পনের মাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৫, যা প্রায় ১০ মিনিট স্থায়ী হয়েছিল। এতে নিহত হয়েছিলেন ১ হাজার ৬৫৫ জন মানুষ এবং বাস্তুচ্যুত হন কমপক্ষে ২০ লাখ মানুষ।

যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা – ৯.২ – ১৯৬৪

১৯৬৪ সালে ইতিহাসের দ্বিতীয় বিধ্বংসী ভূমিকম্পটি হয়েছিল আলাস্কায়। ৯ দশমিক ২ মাত্রার সেই ভূমিকম্প এবং তার জেরে সৃষ্ট সুনামিতে নিহত হয়েছিলেন ১৩০ জন এবং আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল ২৩০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ।

ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপ – ৯.১ – ২০০৪

২৬ ডিসেম্বর সুমাত্রা দ্বীপে আঘাত হেনেছিল তৃতীয় শক্তিশালী ভূমিকম্পটি। ৯ দশমিক ১ মাত্রার ওই ভূমিকম্পটি ১০ মিনিটেরও বেশি স্থায়ী ছিল, যা সবচেয়ে দীর্ঘতম সময়ের ভূমিকম্প। ভূমিকম্প থেকে সৃষ্ট সুনামি বিশ্বের ১৪টি দেশে প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটায়। এটি বক্সিং ডে সুনামি নামেও পরিচিত। কোথাও কোথাও ৩০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়ে ঢেউ আছড়ে পড়ে, বাড়িঘর ধ্বংস করে মানুষজনকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। এতে বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন ১১ লাখের বেশি মানুষ।

জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপ – ৯.১ – ২০১১

১১ মার্চ চতুর্থ শক্তিশালী ভূমিকম্পটি হয়েছিল হোক্কাইডো দ্বীপে। ৯ দশমিক ১ মাত্রার এ ভূমিকম্পের পর বিশাল সুনামিতে ১৮ হাজারের বেশি মানুষ মারা যায়। বাস্তুচ্যুত হন ১ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ।

রাশিয়ার কামচাটকা- ৯- ১৯৫২

৫ নভেম্বর রাশিয়ার কামচাটকা ক্রাই উপদ্বীপে আঘাত হেনেছিল ইতিহাসের পঞ্চম শক্তিশালী ভূমিকম্পটি। ৯ মাত্রার সেই ভূমিকম্পে হাওয়াই এবং প্রশান্ত মহাসাগরের অন্যান্য অংশে মারাত্মক ক্ষতি করে। এরপর সুনামি আসে যা কামচাটকা এবং কুরিল দ্বীপপুঞ্জের উপকূলে ২৩ ফুট পর্যন্ত উঁচু ঢেউ বয়ে আনে। এ ভূমিকম্পে প্রাণহানির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি তবে তখনকার সময়ে ১০ লাখ ডলারেরও বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল রাশিয়ায়।

চিলির কিউরিহিউ – ৮.৮- ২০১০ ও

রাশিয়ার কামচাটকা – ৮.৮- ২০২৫

ষষ্ঠস্থানে যৌথভাবে রয়েছে ২০১০ সালের ২৭ ফেব্রুয়াবি চিলির কিউরিহিউ শহরে এবং চলতি বছরের ৩০ জুলাই রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপে আঘাত হানা ভূমিকম্প। দুটি ভূমিকম্পের রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৮। চিলির ভূমিকম্পে নিহত হয়েছিলেন ৫২৩ জন। এদিকে রাশিয়ার ভূমিকম্পে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা যায়নি।

ইকুয়েডরের এসরোলডাস – ৮.৮- ১৯০৬

ইকুয়েডরের এসরোলডাস শহরে আঘাত হেনেছিল ইতিহাসের সপ্তম বিধ্বংসী ভূমিকম্পটি। ৮ দশমিক ৮ মাত্রার সেই ভূমিকম্পে দেড় হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা – ৮.৭ – ১৯৬৫

অষ্টম শক্তিশালী ভূমিকম্পটি হয়েছিল আলাস্কার র্যাট দ্বীপে। ১৯৬৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি আঘাত হানা ৮ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে জনবসতিহীন দ্বীপটির কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্ট সুনামিতে আলাস্কা এবং হাওয়াইয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল।

ভারতের অরুণাচল – ৮.৬ – ১৯৫০

১৫ আগস্ট ৮ দশমিক ৬ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে ভারতের অরুণাচলে, যা তালিকায় নবম শক্তিশালী ভূমিকম্প হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। এটি আসাম-তিব্বত ভূমিকম্প নামেও পরিচিত। সেই ভূমিকম্পের জেরে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন।

ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা – ৮.৬ – ২০১২

বিশ্বের ইতিহাসে তালিকায় দশম শক্তিশালী ভূমিকম্পটি আঘাত হানে ১১ এপ্রিল ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছে ভারত মহাসাগরে। ৮ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্পটি ‘ভারত মহাসাগরীয় ভূমিকম্প’ নামে পরিচিত।

প্রাণহানির দিক দিয়ে বিধ্বংসী ভূমিকম্পের পর্যায়ক্রম

তবে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির দিক দিয়ে সবচেয়ে বিধ্বংসী ভূমিকম্প ছিল ১৫৫৬ সালের চীনের শানসি প্রদেশে আঘান হানা দুর্যোগটি। এতে প্রাণ হারায় ৮ লাখ ৩০ হাজার মানুষ। দ্বিতীয় বিধ্বংসী ভূমিকম্পটিও চীনে। ১৯৭৬ সালে দেশটির তাংশানে প্রাণ হারায় ২ লাখ ৫৫ হাজার মানুষ। ১১৩৮ সালে সিরিয়ার আলেপ্পোর ভূমিকম্পে নিহত হয় ২ লাখ ৩০ হাজার। ১৯২০ সালে চীনের হাইয়ুহানের ভূমিকম্পে প্রাণ হারায় দুই লাখ। ৮৫৬ সালে ইরানের দামঘানে ভূমিকম্পেও দুই লাখ লোক মারা যায়। ১৯২৭ সালে চীনের তাইওয়ানে ২ লাখ লোকের প্রাণহানি হয়। ৮৯৩ সালে আর্মেনিয়ার বার্শের ভূকিম্পে মারা যায় দেশ লাখ মানুষ। ১৯২৩ সালের ভূমিকম্পে জাপানের কান্তোয় মারা যায় ১ লাখ ৪৩ হাজার। ১৯৪৮ সালের ভূমিকম্পে তুর্কিমেনিস্তানের আশগাবাদে মৃত্যু ঘটে ১ লাখ ১০ লাখের বেশি মানুষের আর ১৯০৮ সালে ইতালির মেসিনায় প্রাণ হারায় লাখখানেক মানুষ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

এভারকেয়ার হাসপাতালে চলছে চিকিৎসা ওসমান হাদির অবস্থা আশঙ্কাজনক

ইতিহাসের বিধ্বংসী ১০ ভূমিকম্প

আপডেট টাইম : ১০:৩৬:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার মাত্রা সম্প্রতি বেড়ে যাওয়ায় এ নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা চলছে। এ দুর্যোগের ইতিহাস পর্যালোচনা হচ্ছে। মূলত ১৯০০ সাল থেকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে ভূমিকম্পের রেকর্ড রাখা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস। ১২৫ বছরের মধ্যে রেকর্ডে থাকা সবচেয়ে বিধ্বংসী ১০ ভূমিকম্পের তালিকা তাদের ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে।

চিলির বিওবিও – ৯.৫- ১৯৬০

বিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পটি হয়েছে ১৯৬০ সালে চিলির বিওবিও প্রদেশে। এটি ‘ভালদিভিয়া ভূমিকম্প’ বা ‘গ্রেট চিলিয়ান আর্থকোয়াক’ হিসেবে পরিচিত ভূকম্পনের মাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৫, যা প্রায় ১০ মিনিট স্থায়ী হয়েছিল। এতে নিহত হয়েছিলেন ১ হাজার ৬৫৫ জন মানুষ এবং বাস্তুচ্যুত হন কমপক্ষে ২০ লাখ মানুষ।

যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা – ৯.২ – ১৯৬৪

১৯৬৪ সালে ইতিহাসের দ্বিতীয় বিধ্বংসী ভূমিকম্পটি হয়েছিল আলাস্কায়। ৯ দশমিক ২ মাত্রার সেই ভূমিকম্প এবং তার জেরে সৃষ্ট সুনামিতে নিহত হয়েছিলেন ১৩০ জন এবং আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল ২৩০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ।

ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপ – ৯.১ – ২০০৪

২৬ ডিসেম্বর সুমাত্রা দ্বীপে আঘাত হেনেছিল তৃতীয় শক্তিশালী ভূমিকম্পটি। ৯ দশমিক ১ মাত্রার ওই ভূমিকম্পটি ১০ মিনিটেরও বেশি স্থায়ী ছিল, যা সবচেয়ে দীর্ঘতম সময়ের ভূমিকম্প। ভূমিকম্প থেকে সৃষ্ট সুনামি বিশ্বের ১৪টি দেশে প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটায়। এটি বক্সিং ডে সুনামি নামেও পরিচিত। কোথাও কোথাও ৩০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়ে ঢেউ আছড়ে পড়ে, বাড়িঘর ধ্বংস করে মানুষজনকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। এতে বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন ১১ লাখের বেশি মানুষ।

জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপ – ৯.১ – ২০১১

১১ মার্চ চতুর্থ শক্তিশালী ভূমিকম্পটি হয়েছিল হোক্কাইডো দ্বীপে। ৯ দশমিক ১ মাত্রার এ ভূমিকম্পের পর বিশাল সুনামিতে ১৮ হাজারের বেশি মানুষ মারা যায়। বাস্তুচ্যুত হন ১ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ।

রাশিয়ার কামচাটকা- ৯- ১৯৫২

৫ নভেম্বর রাশিয়ার কামচাটকা ক্রাই উপদ্বীপে আঘাত হেনেছিল ইতিহাসের পঞ্চম শক্তিশালী ভূমিকম্পটি। ৯ মাত্রার সেই ভূমিকম্পে হাওয়াই এবং প্রশান্ত মহাসাগরের অন্যান্য অংশে মারাত্মক ক্ষতি করে। এরপর সুনামি আসে যা কামচাটকা এবং কুরিল দ্বীপপুঞ্জের উপকূলে ২৩ ফুট পর্যন্ত উঁচু ঢেউ বয়ে আনে। এ ভূমিকম্পে প্রাণহানির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি তবে তখনকার সময়ে ১০ লাখ ডলারেরও বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল রাশিয়ায়।

চিলির কিউরিহিউ – ৮.৮- ২০১০ ও

রাশিয়ার কামচাটকা – ৮.৮- ২০২৫

ষষ্ঠস্থানে যৌথভাবে রয়েছে ২০১০ সালের ২৭ ফেব্রুয়াবি চিলির কিউরিহিউ শহরে এবং চলতি বছরের ৩০ জুলাই রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপে আঘাত হানা ভূমিকম্প। দুটি ভূমিকম্পের রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৮। চিলির ভূমিকম্পে নিহত হয়েছিলেন ৫২৩ জন। এদিকে রাশিয়ার ভূমিকম্পে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা যায়নি।

ইকুয়েডরের এসরোলডাস – ৮.৮- ১৯০৬

ইকুয়েডরের এসরোলডাস শহরে আঘাত হেনেছিল ইতিহাসের সপ্তম বিধ্বংসী ভূমিকম্পটি। ৮ দশমিক ৮ মাত্রার সেই ভূমিকম্পে দেড় হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা – ৮.৭ – ১৯৬৫

অষ্টম শক্তিশালী ভূমিকম্পটি হয়েছিল আলাস্কার র্যাট দ্বীপে। ১৯৬৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি আঘাত হানা ৮ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে জনবসতিহীন দ্বীপটির কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্ট সুনামিতে আলাস্কা এবং হাওয়াইয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল।

ভারতের অরুণাচল – ৮.৬ – ১৯৫০

১৫ আগস্ট ৮ দশমিক ৬ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে ভারতের অরুণাচলে, যা তালিকায় নবম শক্তিশালী ভূমিকম্প হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। এটি আসাম-তিব্বত ভূমিকম্প নামেও পরিচিত। সেই ভূমিকম্পের জেরে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন।

ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা – ৮.৬ – ২০১২

বিশ্বের ইতিহাসে তালিকায় দশম শক্তিশালী ভূমিকম্পটি আঘাত হানে ১১ এপ্রিল ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছে ভারত মহাসাগরে। ৮ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্পটি ‘ভারত মহাসাগরীয় ভূমিকম্প’ নামে পরিচিত।

প্রাণহানির দিক দিয়ে বিধ্বংসী ভূমিকম্পের পর্যায়ক্রম

তবে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির দিক দিয়ে সবচেয়ে বিধ্বংসী ভূমিকম্প ছিল ১৫৫৬ সালের চীনের শানসি প্রদেশে আঘান হানা দুর্যোগটি। এতে প্রাণ হারায় ৮ লাখ ৩০ হাজার মানুষ। দ্বিতীয় বিধ্বংসী ভূমিকম্পটিও চীনে। ১৯৭৬ সালে দেশটির তাংশানে প্রাণ হারায় ২ লাখ ৫৫ হাজার মানুষ। ১১৩৮ সালে সিরিয়ার আলেপ্পোর ভূমিকম্পে নিহত হয় ২ লাখ ৩০ হাজার। ১৯২০ সালে চীনের হাইয়ুহানের ভূমিকম্পে প্রাণ হারায় দুই লাখ। ৮৫৬ সালে ইরানের দামঘানে ভূমিকম্পেও দুই লাখ লোক মারা যায়। ১৯২৭ সালে চীনের তাইওয়ানে ২ লাখ লোকের প্রাণহানি হয়। ৮৯৩ সালে আর্মেনিয়ার বার্শের ভূকিম্পে মারা যায় দেশ লাখ মানুষ। ১৯২৩ সালের ভূমিকম্পে জাপানের কান্তোয় মারা যায় ১ লাখ ৪৩ হাজার। ১৯৪৮ সালের ভূমিকম্পে তুর্কিমেনিস্তানের আশগাবাদে মৃত্যু ঘটে ১ লাখ ১০ লাখের বেশি মানুষের আর ১৯০৮ সালে ইতালির মেসিনায় প্রাণ হারায় লাখখানেক মানুষ।