ঢাকা ০৩:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
স্থানীয় সরকার নির্বাচন একক প্রার্থী নির্ধারণে প্রস্তুতি বিএনপিতে নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ৬২৩, নিখোঁজ ২৪৮২ অটোরিকশাচালক থেকে কোটিপতি, আ.লীগ পুনর্বাসনের কারিগর কে এই ফিরোজ জেনে নিন বিনাখরচে কিভাবে মালয়েশিয়ায় যাওয়া যাবে নেপালে শুটিংয়ে গিয়ে তাণ্ডবের মুখোমুখি অপু, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা ৪২ কি.মি. যানজট: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আটকা শত শত গাড়ি ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব উপজেলায় আহ্বায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশ এনসিপির সারা দেশে বিশেষ অভিযানের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন আইরিন খান ১০১ মণের ‘বরকতি ড্যাগের’ খিচুড়ি, খেলেই নাকি রোগমুক্তি ও সন্তান লাভ

সোনালী রঙের সৌন্দর্য-শোভায়: সোনালু ফুল

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৩:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ নভেম্বর ২০১৬
  • ২৭৬২ বার

মোহাম্মদ নূর আলম গন্ধী :
সোনালী রঙের সৌন্দর্য-শোভায় প্রকৃতিকে আরো নয়নাভিরাম রূপে সাজাতে বিন্দু মাএ কার্পণ্য করেনা সোনালু ফুল এবং প্রকৃতি পরিবেশের শোভা বর্ধনে সোনালু ফুল গাছের ভূমিকা অবিরত।সোনালী রঙের ফুলের বাহার থেকেই সোনালু নামে নামকরন।এ ফুলের আদিনিবাস হিমালয় অঞ্চল ধরা হলেও বাংলাদেশ, ভারত,পাকিস্তান ও মায়ানমার অঞ্চল জুড়ে রয়েছে এর বিস্তৃতি।গাছ সাধারণত ১৫ থেকে ২০মিটার উঁচু হয়ে থাকে। উঁচু থেকে মাঝারি উঁচু ভূমি সোনালু গাছ উৎপাদনের জন্য উপযোগী স্থান।পএ ঝরা বৃক্ষ,শীতে গাছের সমস্ত পাতা ঝরে গিয়ে গাছ থাকে পএ শুন্য এবং বসন্তের শেষে ফুল কলি ধরার পূর্বে গাছে নতুন পাতা গজায়।গ্রীষ্মে গাছের শাখা-প্রশাখা জুড়ে ঝুলন্ত মঞ্জুরিতে সোনালী হলুদ রঙের ফুল ফুটে এবং এর ব্যাপ্তি থাকে গ্রীষ্ম কাল পুরু সময় জুড়ে।ফুলের পাঁপড়ি পাঁচটি,মাঝে পরাগ দ- অবস্থিত।পাতা হাল্কা সবুজাব,মধ্য শিরা স্পষ্ট।গাছের শাখা-প্রশাখা কম,কা- সোজা ভাবে উপরের দিকে বাড়তে থাকে, বাকল সবুজাব থেকে ধুসর রঙের,কাঠ মাঝারি শক্ত মানের হয়।ফুল থেকে গাছে ফল হয়,ফলের আকার দেখতে সজিনা সবজির আকৃতির,তবে সজিনার গায়ের চামড়াতে ঢেওতোলা সোনালু ফলে তা নেই চামড়া মসৃণ।ফল লম্বায় প্রায় এক ফুট,রঙ প্রথমে সবুজ ও ফল পরিপক্ক হলে কালচে খয়েরি রঙ ধারণ করে। ফলে বীজ হয়,ফলের বীজ হতে বংশ বিস্তার ঘটে।কোন কোন অঞ্চলে সোনালু এর ফলকে বানর লাঠি হিসেবে চিনে বলে সোনালু গাছকেও তারা বানর লাঠি গাছ বলে ডাকতে শুনা যায়।সোনালু গাছের বাকল পাতায় ঔষধি গুণাগুণ রয়েছে।আমাদের দেশের রাজধানি শহর ঢাকার বিভিন্ন স্থানে,তাছাড়া দেশের অন্যএ সড়ক-মহাসড়ক বিভিন্ন প্রতিষ্টনে বন জঙ্গলে গ্রামীন রাস্তার ধারে ছোট বড় সোনালু গাছ দেখতে পাওয়া যায়।তবে পূর্বেকার সময় থেকে বর্তমানের এ সময়ে অজ্ঞতা অবহেলায় সোনালু গাছ ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে এবং প্রকৃতি হারাচ্ছে গ্রীষ্মের দিনগুলিতে স্বর্ণালী রঙের সৌন্দর্য শোভায় চীরচেনা বাংলার পূর্বেকার রূপ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

স্থানীয় সরকার নির্বাচন একক প্রার্থী নির্ধারণে প্রস্তুতি বিএনপিতে

সোনালী রঙের সৌন্দর্য-শোভায়: সোনালু ফুল

আপডেট টাইম : ১১:৪৩:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ নভেম্বর ২০১৬

মোহাম্মদ নূর আলম গন্ধী :
সোনালী রঙের সৌন্দর্য-শোভায় প্রকৃতিকে আরো নয়নাভিরাম রূপে সাজাতে বিন্দু মাএ কার্পণ্য করেনা সোনালু ফুল এবং প্রকৃতি পরিবেশের শোভা বর্ধনে সোনালু ফুল গাছের ভূমিকা অবিরত।সোনালী রঙের ফুলের বাহার থেকেই সোনালু নামে নামকরন।এ ফুলের আদিনিবাস হিমালয় অঞ্চল ধরা হলেও বাংলাদেশ, ভারত,পাকিস্তান ও মায়ানমার অঞ্চল জুড়ে রয়েছে এর বিস্তৃতি।গাছ সাধারণত ১৫ থেকে ২০মিটার উঁচু হয়ে থাকে। উঁচু থেকে মাঝারি উঁচু ভূমি সোনালু গাছ উৎপাদনের জন্য উপযোগী স্থান।পএ ঝরা বৃক্ষ,শীতে গাছের সমস্ত পাতা ঝরে গিয়ে গাছ থাকে পএ শুন্য এবং বসন্তের শেষে ফুল কলি ধরার পূর্বে গাছে নতুন পাতা গজায়।গ্রীষ্মে গাছের শাখা-প্রশাখা জুড়ে ঝুলন্ত মঞ্জুরিতে সোনালী হলুদ রঙের ফুল ফুটে এবং এর ব্যাপ্তি থাকে গ্রীষ্ম কাল পুরু সময় জুড়ে।ফুলের পাঁপড়ি পাঁচটি,মাঝে পরাগ দ- অবস্থিত।পাতা হাল্কা সবুজাব,মধ্য শিরা স্পষ্ট।গাছের শাখা-প্রশাখা কম,কা- সোজা ভাবে উপরের দিকে বাড়তে থাকে, বাকল সবুজাব থেকে ধুসর রঙের,কাঠ মাঝারি শক্ত মানের হয়।ফুল থেকে গাছে ফল হয়,ফলের আকার দেখতে সজিনা সবজির আকৃতির,তবে সজিনার গায়ের চামড়াতে ঢেওতোলা সোনালু ফলে তা নেই চামড়া মসৃণ।ফল লম্বায় প্রায় এক ফুট,রঙ প্রথমে সবুজ ও ফল পরিপক্ক হলে কালচে খয়েরি রঙ ধারণ করে। ফলে বীজ হয়,ফলের বীজ হতে বংশ বিস্তার ঘটে।কোন কোন অঞ্চলে সোনালু এর ফলকে বানর লাঠি হিসেবে চিনে বলে সোনালু গাছকেও তারা বানর লাঠি গাছ বলে ডাকতে শুনা যায়।সোনালু গাছের বাকল পাতায় ঔষধি গুণাগুণ রয়েছে।আমাদের দেশের রাজধানি শহর ঢাকার বিভিন্ন স্থানে,তাছাড়া দেশের অন্যএ সড়ক-মহাসড়ক বিভিন্ন প্রতিষ্টনে বন জঙ্গলে গ্রামীন রাস্তার ধারে ছোট বড় সোনালু গাছ দেখতে পাওয়া যায়।তবে পূর্বেকার সময় থেকে বর্তমানের এ সময়ে অজ্ঞতা অবহেলায় সোনালু গাছ ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে এবং প্রকৃতি হারাচ্ছে গ্রীষ্মের দিনগুলিতে স্বর্ণালী রঙের সৌন্দর্য শোভায় চীরচেনা বাংলার পূর্বেকার রূপ।