ঢাকা ০২:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

সোনালী রঙের সৌন্দর্য-শোভায়: সোনালু ফুল

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৩:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ নভেম্বর ২০১৬
  • ২৭৫৫ বার

মোহাম্মদ নূর আলম গন্ধী :
সোনালী রঙের সৌন্দর্য-শোভায় প্রকৃতিকে আরো নয়নাভিরাম রূপে সাজাতে বিন্দু মাএ কার্পণ্য করেনা সোনালু ফুল এবং প্রকৃতি পরিবেশের শোভা বর্ধনে সোনালু ফুল গাছের ভূমিকা অবিরত।সোনালী রঙের ফুলের বাহার থেকেই সোনালু নামে নামকরন।এ ফুলের আদিনিবাস হিমালয় অঞ্চল ধরা হলেও বাংলাদেশ, ভারত,পাকিস্তান ও মায়ানমার অঞ্চল জুড়ে রয়েছে এর বিস্তৃতি।গাছ সাধারণত ১৫ থেকে ২০মিটার উঁচু হয়ে থাকে। উঁচু থেকে মাঝারি উঁচু ভূমি সোনালু গাছ উৎপাদনের জন্য উপযোগী স্থান।পএ ঝরা বৃক্ষ,শীতে গাছের সমস্ত পাতা ঝরে গিয়ে গাছ থাকে পএ শুন্য এবং বসন্তের শেষে ফুল কলি ধরার পূর্বে গাছে নতুন পাতা গজায়।গ্রীষ্মে গাছের শাখা-প্রশাখা জুড়ে ঝুলন্ত মঞ্জুরিতে সোনালী হলুদ রঙের ফুল ফুটে এবং এর ব্যাপ্তি থাকে গ্রীষ্ম কাল পুরু সময় জুড়ে।ফুলের পাঁপড়ি পাঁচটি,মাঝে পরাগ দ- অবস্থিত।পাতা হাল্কা সবুজাব,মধ্য শিরা স্পষ্ট।গাছের শাখা-প্রশাখা কম,কা- সোজা ভাবে উপরের দিকে বাড়তে থাকে, বাকল সবুজাব থেকে ধুসর রঙের,কাঠ মাঝারি শক্ত মানের হয়।ফুল থেকে গাছে ফল হয়,ফলের আকার দেখতে সজিনা সবজির আকৃতির,তবে সজিনার গায়ের চামড়াতে ঢেওতোলা সোনালু ফলে তা নেই চামড়া মসৃণ।ফল লম্বায় প্রায় এক ফুট,রঙ প্রথমে সবুজ ও ফল পরিপক্ক হলে কালচে খয়েরি রঙ ধারণ করে। ফলে বীজ হয়,ফলের বীজ হতে বংশ বিস্তার ঘটে।কোন কোন অঞ্চলে সোনালু এর ফলকে বানর লাঠি হিসেবে চিনে বলে সোনালু গাছকেও তারা বানর লাঠি গাছ বলে ডাকতে শুনা যায়।সোনালু গাছের বাকল পাতায় ঔষধি গুণাগুণ রয়েছে।আমাদের দেশের রাজধানি শহর ঢাকার বিভিন্ন স্থানে,তাছাড়া দেশের অন্যএ সড়ক-মহাসড়ক বিভিন্ন প্রতিষ্টনে বন জঙ্গলে গ্রামীন রাস্তার ধারে ছোট বড় সোনালু গাছ দেখতে পাওয়া যায়।তবে পূর্বেকার সময় থেকে বর্তমানের এ সময়ে অজ্ঞতা অবহেলায় সোনালু গাছ ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে এবং প্রকৃতি হারাচ্ছে গ্রীষ্মের দিনগুলিতে স্বর্ণালী রঙের সৌন্দর্য শোভায় চীরচেনা বাংলার পূর্বেকার রূপ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

সোনালী রঙের সৌন্দর্য-শোভায়: সোনালু ফুল

আপডেট টাইম : ১১:৪৩:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ নভেম্বর ২০১৬

মোহাম্মদ নূর আলম গন্ধী :
সোনালী রঙের সৌন্দর্য-শোভায় প্রকৃতিকে আরো নয়নাভিরাম রূপে সাজাতে বিন্দু মাএ কার্পণ্য করেনা সোনালু ফুল এবং প্রকৃতি পরিবেশের শোভা বর্ধনে সোনালু ফুল গাছের ভূমিকা অবিরত।সোনালী রঙের ফুলের বাহার থেকেই সোনালু নামে নামকরন।এ ফুলের আদিনিবাস হিমালয় অঞ্চল ধরা হলেও বাংলাদেশ, ভারত,পাকিস্তান ও মায়ানমার অঞ্চল জুড়ে রয়েছে এর বিস্তৃতি।গাছ সাধারণত ১৫ থেকে ২০মিটার উঁচু হয়ে থাকে। উঁচু থেকে মাঝারি উঁচু ভূমি সোনালু গাছ উৎপাদনের জন্য উপযোগী স্থান।পএ ঝরা বৃক্ষ,শীতে গাছের সমস্ত পাতা ঝরে গিয়ে গাছ থাকে পএ শুন্য এবং বসন্তের শেষে ফুল কলি ধরার পূর্বে গাছে নতুন পাতা গজায়।গ্রীষ্মে গাছের শাখা-প্রশাখা জুড়ে ঝুলন্ত মঞ্জুরিতে সোনালী হলুদ রঙের ফুল ফুটে এবং এর ব্যাপ্তি থাকে গ্রীষ্ম কাল পুরু সময় জুড়ে।ফুলের পাঁপড়ি পাঁচটি,মাঝে পরাগ দ- অবস্থিত।পাতা হাল্কা সবুজাব,মধ্য শিরা স্পষ্ট।গাছের শাখা-প্রশাখা কম,কা- সোজা ভাবে উপরের দিকে বাড়তে থাকে, বাকল সবুজাব থেকে ধুসর রঙের,কাঠ মাঝারি শক্ত মানের হয়।ফুল থেকে গাছে ফল হয়,ফলের আকার দেখতে সজিনা সবজির আকৃতির,তবে সজিনার গায়ের চামড়াতে ঢেওতোলা সোনালু ফলে তা নেই চামড়া মসৃণ।ফল লম্বায় প্রায় এক ফুট,রঙ প্রথমে সবুজ ও ফল পরিপক্ক হলে কালচে খয়েরি রঙ ধারণ করে। ফলে বীজ হয়,ফলের বীজ হতে বংশ বিস্তার ঘটে।কোন কোন অঞ্চলে সোনালু এর ফলকে বানর লাঠি হিসেবে চিনে বলে সোনালু গাছকেও তারা বানর লাঠি গাছ বলে ডাকতে শুনা যায়।সোনালু গাছের বাকল পাতায় ঔষধি গুণাগুণ রয়েছে।আমাদের দেশের রাজধানি শহর ঢাকার বিভিন্ন স্থানে,তাছাড়া দেশের অন্যএ সড়ক-মহাসড়ক বিভিন্ন প্রতিষ্টনে বন জঙ্গলে গ্রামীন রাস্তার ধারে ছোট বড় সোনালু গাছ দেখতে পাওয়া যায়।তবে পূর্বেকার সময় থেকে বর্তমানের এ সময়ে অজ্ঞতা অবহেলায় সোনালু গাছ ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে এবং প্রকৃতি হারাচ্ছে গ্রীষ্মের দিনগুলিতে স্বর্ণালী রঙের সৌন্দর্য শোভায় চীরচেনা বাংলার পূর্বেকার রূপ।