ঢাকা ১১:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আগে-পিছে ১০০ জন করে পুলিশ নিয়ে এসেছে আ.লীগ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:৩৯:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ নভেম্বর ২০১৬
  • ৩১০ বার

‘৭ নভেম্বর কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয় এটা সমগ্র বাংলাদেশের। স্বতন্ত্র জাতিসত্তার সংগ্রাম ছিল এই ৭ নভেম্বর। এই দিনে আর একটি যুদ্ধ হয়েছিল। সেই যুদ্ধের মাধ্যমে আর একবার এ জাতি মুক্ত করা হয়েছিল। ৭ নভেম্বর স্বনির্ভরভাবে বাঁচার সংগ্রাম ছিল।’- শুক্রবার বিকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর রুনি মিলনায়তনে ‘৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাসের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ প্রমুখ। ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ মানুষকে এতটাই ভয় পায় যে, দলটির নেতারা দাওয়াত দিতে বিএনপি অফিসে আগে-পিছে ১০০ জন করে পুলিশ নিয়ে এসেছেন। আওয়ামী লীগ জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। পুলিশ ও প্রসাশনের মাধ্যমে টিকে আছে তারা। রাজনৈতিকভাবে তারা দেউলিয়া হয়ে গেছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, জিয়াউর রহমানই স্বাধীনতার ঘোষক এবং এটা আজ প্রমাণিত। কিন্তু আওয়ামী লীগ তা স্বীকার করতে চায় না। জিয়াউর রহমানকে তারা খলনায়কে পরিণত করতে চাইছে। কিন্তু তিনি মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তার অবদান অস্বীকার করলে বিএনপি বা জিয়াউর রহমান খাটো হন না। যারা অস্বীকার করেন, তারাই খাটো হন। এতে তাদের অজ্ঞতা ও হীনম্মন্যতা প্রকাশ পায়। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান গণতন্ত্রে বিশ্বাসী ছিলেন। আর এ কারণেই তিনি আওয়ামী লীগ যে গণতন্ত্র হরণ করেছিল, তা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।

ফখরুল বলেন, ‘৭ নভেম্বর কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয় এটা সমগ্র বাংলাদেশের। স্বতন্ত্র জাতিসত্তার সংগ্রাম ছিল এই ৭ নভেম্বর। এই দিনে আর একটি যুদ্ধ হয়েছিল। সেই যুদ্ধের মাধ্যমে আর একবার এ জাতি মুক্ত করা হয়েছিল। ৭ নভেম্বর স্বনির্ভরভাবে বাঁচার সংগ্রাম ছিল।’

৭ নভেম্বর উপলক্ষে বিএনপি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি চেয়েছিল। আগে অনুমতি না দিলেও সমাবেশের দিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২৭টি শর্তে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে সমাবেশ করার অনুমতি দেয় পুলিশ। তবে বিএনপির পক্ষ থেকে এই অনুমতিকে হাস্যকর বলা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আজকে আমরা বিপদের মধ্যে আছি। শুধু আমরা নই, গোটা জাতি বিপদের মধ্যে আছি। দেশকে রক্ষা করতে হলে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এ দুঃশাসন থেকে জাতিকে মুক্ত করতে হবে।

আওয়ামী লীগ একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েমের চেষ্টা করে যাচ্ছে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েমের জন্য তারা প্রশাসনকে কব্জা করেছে। মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করছে। এ কারণে আমাদের কথা সেভাবে আসে না মিডিয়াতে।’ গণতন্ত্রকে অনেক আগেই আওয়ামী লীগ হত্যা করেছে বলেও দাবি করেন ফখরুল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

আগে-পিছে ১০০ জন করে পুলিশ নিয়ে এসেছে আ.লীগ

আপডেট টাইম : ০৪:৩৯:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ নভেম্বর ২০১৬

‘৭ নভেম্বর কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয় এটা সমগ্র বাংলাদেশের। স্বতন্ত্র জাতিসত্তার সংগ্রাম ছিল এই ৭ নভেম্বর। এই দিনে আর একটি যুদ্ধ হয়েছিল। সেই যুদ্ধের মাধ্যমে আর একবার এ জাতি মুক্ত করা হয়েছিল। ৭ নভেম্বর স্বনির্ভরভাবে বাঁচার সংগ্রাম ছিল।’- শুক্রবার বিকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর রুনি মিলনায়তনে ‘৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাসের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ প্রমুখ। ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ মানুষকে এতটাই ভয় পায় যে, দলটির নেতারা দাওয়াত দিতে বিএনপি অফিসে আগে-পিছে ১০০ জন করে পুলিশ নিয়ে এসেছেন। আওয়ামী লীগ জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। পুলিশ ও প্রসাশনের মাধ্যমে টিকে আছে তারা। রাজনৈতিকভাবে তারা দেউলিয়া হয়ে গেছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, জিয়াউর রহমানই স্বাধীনতার ঘোষক এবং এটা আজ প্রমাণিত। কিন্তু আওয়ামী লীগ তা স্বীকার করতে চায় না। জিয়াউর রহমানকে তারা খলনায়কে পরিণত করতে চাইছে। কিন্তু তিনি মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তার অবদান অস্বীকার করলে বিএনপি বা জিয়াউর রহমান খাটো হন না। যারা অস্বীকার করেন, তারাই খাটো হন। এতে তাদের অজ্ঞতা ও হীনম্মন্যতা প্রকাশ পায়। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান গণতন্ত্রে বিশ্বাসী ছিলেন। আর এ কারণেই তিনি আওয়ামী লীগ যে গণতন্ত্র হরণ করেছিল, তা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।

ফখরুল বলেন, ‘৭ নভেম্বর কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয় এটা সমগ্র বাংলাদেশের। স্বতন্ত্র জাতিসত্তার সংগ্রাম ছিল এই ৭ নভেম্বর। এই দিনে আর একটি যুদ্ধ হয়েছিল। সেই যুদ্ধের মাধ্যমে আর একবার এ জাতি মুক্ত করা হয়েছিল। ৭ নভেম্বর স্বনির্ভরভাবে বাঁচার সংগ্রাম ছিল।’

৭ নভেম্বর উপলক্ষে বিএনপি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি চেয়েছিল। আগে অনুমতি না দিলেও সমাবেশের দিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২৭টি শর্তে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে সমাবেশ করার অনুমতি দেয় পুলিশ। তবে বিএনপির পক্ষ থেকে এই অনুমতিকে হাস্যকর বলা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আজকে আমরা বিপদের মধ্যে আছি। শুধু আমরা নই, গোটা জাতি বিপদের মধ্যে আছি। দেশকে রক্ষা করতে হলে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এ দুঃশাসন থেকে জাতিকে মুক্ত করতে হবে।

আওয়ামী লীগ একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েমের চেষ্টা করে যাচ্ছে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েমের জন্য তারা প্রশাসনকে কব্জা করেছে। মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করছে। এ কারণে আমাদের কথা সেভাবে আসে না মিডিয়াতে।’ গণতন্ত্রকে অনেক আগেই আওয়ামী লীগ হত্যা করেছে বলেও দাবি করেন ফখরুল।