ঢাকা ০৬:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাত্রলীগের সবাই শিবিরকে ভোট দিয়েছে’

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৪৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৪২ বার
গতকাল (৯ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সবাই শিবিরকে ভোট দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন।
বিএনপির এই নেতার ভাষ্য, ছাত্রদলকে পরাজিত করতে শিবিরের সঙ্গে পুরনো বন্ধুত্বের সম্পর্ক জারি রেখেছে ছাত্রলীগ।
ডাকসু নির্বাচনের ফলাফল প্রসঙ্গে মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) একটি টকশোতে হাজির হয়ে তিনি একথা বলেন।
রিপন বলেন, ‘যেহেতু ছাত্রলীগ এখন নিষিদ্ধ এবং ছাত্রলীগের সঙ্গে তাদের অনেকেই মিলেমিশে ছিল, একটা তো সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক, বন্ধুত্ব তাদের অনেকের সঙ্গে ছিল।ছাত্রলীগের ভোট তো কোথাও না কোথাও যাবে। একটা ওল্ড টাই ওল্ড রিলেশন, এগুলোর তো একটা ব্যাপার থাকে। পুরনো বন্ধুত্বের কারণে, সম্পর্কের কারণে ওদের দিকে কিছু ভোট বাড়েও।’
শিবিরের সঙ্গে ছাত্রলীগের সখ্যতা ছিল উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘শিবির একসময় ছাত্রলীগের নাম ধারণ করে সেখানে ছিল, পদে ছিল, তারপরে ওখানে শেখ মুজিবের ভাস্কর্যের সঙ্গে-সামনে রেখে ছবি তুলেছে, তাদের নেতাদের সঙ্গে ছবি তুলেছে। মানে এই অভিযোগগুলো তাদের বেলায় তো আমরা সোশ্যাল মিডিয়াতে দেখলাম। আমরা তো অনেক সিনিয়র। আমরা তো ক্যাম্পাসে থাকি না তাই না? সারাক্ষণ তো আর ওইভাবে সোশ্যাল মিডিয়া দেখি না। এই অভিযোগগুলো তাদের বিরুদ্ধে আছে।এই অভিযোগ তারা খুব বেশি রিফিউজ করতে পারে নাই। অস্বীকার করতে পারে নাই। কারণ, ছবিসহ তাদের পুরনো ফেসবুক স্ট্যাটাসগুলো তুলে ধরা হয়েছে। তো ফলে একটা সম্পর্ক তো থাকেই।’
উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে শীর্ষ তিন পদে বিজয়ী হয়েছে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল। ভিপি পদে মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম), জিএস পদে এস এম ফরহাদ ও এজিএস পদে মহিউদ্দিন খান জয় পেয়েছেন।
ফলাফলে দেখা যায়, ১২টি সম্পাদকীয় পদের মধ্যে ৯টিতে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। বাকি তিনটি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।
এবার ডাকসুতে ২৮টি পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন ৪৭১ জন। আর ১৮টি হল সংসদে নির্বাচন হবে ১৩টি করে পদে। হল সংসদের ২৩৪টি পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন ১ হাজার ৩৫ জন।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

ছাত্রলীগের সবাই শিবিরকে ভোট দিয়েছে’

আপডেট টাইম : ০৫:৪৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
গতকাল (৯ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সবাই শিবিরকে ভোট দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন।
বিএনপির এই নেতার ভাষ্য, ছাত্রদলকে পরাজিত করতে শিবিরের সঙ্গে পুরনো বন্ধুত্বের সম্পর্ক জারি রেখেছে ছাত্রলীগ।
ডাকসু নির্বাচনের ফলাফল প্রসঙ্গে মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) একটি টকশোতে হাজির হয়ে তিনি একথা বলেন।
রিপন বলেন, ‘যেহেতু ছাত্রলীগ এখন নিষিদ্ধ এবং ছাত্রলীগের সঙ্গে তাদের অনেকেই মিলেমিশে ছিল, একটা তো সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক, বন্ধুত্ব তাদের অনেকের সঙ্গে ছিল।ছাত্রলীগের ভোট তো কোথাও না কোথাও যাবে। একটা ওল্ড টাই ওল্ড রিলেশন, এগুলোর তো একটা ব্যাপার থাকে। পুরনো বন্ধুত্বের কারণে, সম্পর্কের কারণে ওদের দিকে কিছু ভোট বাড়েও।’
শিবিরের সঙ্গে ছাত্রলীগের সখ্যতা ছিল উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘শিবির একসময় ছাত্রলীগের নাম ধারণ করে সেখানে ছিল, পদে ছিল, তারপরে ওখানে শেখ মুজিবের ভাস্কর্যের সঙ্গে-সামনে রেখে ছবি তুলেছে, তাদের নেতাদের সঙ্গে ছবি তুলেছে। মানে এই অভিযোগগুলো তাদের বেলায় তো আমরা সোশ্যাল মিডিয়াতে দেখলাম। আমরা তো অনেক সিনিয়র। আমরা তো ক্যাম্পাসে থাকি না তাই না? সারাক্ষণ তো আর ওইভাবে সোশ্যাল মিডিয়া দেখি না। এই অভিযোগগুলো তাদের বিরুদ্ধে আছে।এই অভিযোগ তারা খুব বেশি রিফিউজ করতে পারে নাই। অস্বীকার করতে পারে নাই। কারণ, ছবিসহ তাদের পুরনো ফেসবুক স্ট্যাটাসগুলো তুলে ধরা হয়েছে। তো ফলে একটা সম্পর্ক তো থাকেই।’
উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে শীর্ষ তিন পদে বিজয়ী হয়েছে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল। ভিপি পদে মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম), জিএস পদে এস এম ফরহাদ ও এজিএস পদে মহিউদ্দিন খান জয় পেয়েছেন।
ফলাফলে দেখা যায়, ১২টি সম্পাদকীয় পদের মধ্যে ৯টিতে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। বাকি তিনটি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।
এবার ডাকসুতে ২৮টি পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন ৪৭১ জন। আর ১৮টি হল সংসদে নির্বাচন হবে ১৩টি করে পদে। হল সংসদের ২৩৪টি পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন ১ হাজার ৩৫ জন।