ঢাকা ০৮:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বিলের পানিতে ডুবে ভাই-বোন নিহত এমন রাজনৈতিক চর্চা করা যাবে না, যাতে ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তনের পথ সহজ হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে ইউএনওদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আলেমদের সমাজ পরিবর্তনের প্রধান রূপকার হওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের চট্টগ্রাম সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, প্রস্তুত ৭ ভেন্যু সরাসরি বিশ্বকাপে আফগানিস্তান, বাংলাদেশের ভাগ্য সেই ভারতের হাতেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত চিকিৎসক সমাজের পেশাগত উৎকর্ষতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ড্যাব : জুবাইদা রহমান জেআইসিতে এক-এগারোর সময় তারেক রহমানকে নির্যাতনের তথ্য পাওয়া গেছে: চিফ প্রসিকিউটর

ভাসানীর ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:০৪:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ নভেম্বর ২০১৬
  • ৩৫২ বার

আজ ১৭ নভেম্বর মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষে মওলানা ভাসানীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধী দলীয় নেত্রী রওশন এরশাদ পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ তার বাণীতে ভাসানীর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বলেন, মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ছিলেন স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃত্। আজীবন তিনি শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে গেছেন। জাতীয় সংকটে জনগণের পাশে থেকে তিনি দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে সকলকে উদ্বুদ্ধ করতেন। ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে জাতীয় স্বার্থকে তিনি সবসময় প্রাধান্য দিতেন। মওলানা ভাসানীর আদর্শ নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করবে বলে আমার বিশ্বাস। প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় মওলানা ভাসানী আজীবন কাজ করে গেছেন। পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসকদের অত্যাচার-নিপীড়নের বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠ মওলানা ভাসানী বাঙালি জাতিসত্ত্বা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে তাঁর ছিল গভীর আদর্শিক ঐক্য ও রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতা। শোষণ ও বঞ্চনাহীন এবং প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনের জন্য তিনি আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে মওলানা ভাসানীর জন্ম। তবে জীবনের সিংহভাগই তিনি কাটিয়েছেন টাঙ্গাইলের সন্তোষে। সন্তোষের মাটিতেই তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত। মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ১৯৪৮ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়। ১৯৭৬ সালে মারা যান এই সংগ্রামী পুরুষ। ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ সকালে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মরহুমের মাজারে পুষ্পমাল্য অর্পণ, মাজার জিয়ারতসহ ঢাকাস্থ শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে সকালে আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং বিকালে গণ সঙ্গীত ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় টেকনিক্যাল কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনও গ্রহণ করেছে পৃথক কর্মসূচি। গত ১৩ নভেম্বর থেকে সন্তোষে পাঁচদিনব্যাপী ‘ভাসানী মেলা’র আয়োজন করেছে মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বিলের পানিতে ডুবে ভাই-বোন নিহত

ভাসানীর ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আপডেট টাইম : ০৫:০৪:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ নভেম্বর ২০১৬

আজ ১৭ নভেম্বর মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষে মওলানা ভাসানীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধী দলীয় নেত্রী রওশন এরশাদ পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ তার বাণীতে ভাসানীর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বলেন, মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ছিলেন স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃত্। আজীবন তিনি শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে গেছেন। জাতীয় সংকটে জনগণের পাশে থেকে তিনি দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে সকলকে উদ্বুদ্ধ করতেন। ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে জাতীয় স্বার্থকে তিনি সবসময় প্রাধান্য দিতেন। মওলানা ভাসানীর আদর্শ নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করবে বলে আমার বিশ্বাস। প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় মওলানা ভাসানী আজীবন কাজ করে গেছেন। পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসকদের অত্যাচার-নিপীড়নের বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠ মওলানা ভাসানী বাঙালি জাতিসত্ত্বা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে তাঁর ছিল গভীর আদর্শিক ঐক্য ও রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতা। শোষণ ও বঞ্চনাহীন এবং প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনের জন্য তিনি আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে মওলানা ভাসানীর জন্ম। তবে জীবনের সিংহভাগই তিনি কাটিয়েছেন টাঙ্গাইলের সন্তোষে। সন্তোষের মাটিতেই তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত। মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ১৯৪৮ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়। ১৯৭৬ সালে মারা যান এই সংগ্রামী পুরুষ। ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ সকালে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মরহুমের মাজারে পুষ্পমাল্য অর্পণ, মাজার জিয়ারতসহ ঢাকাস্থ শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে সকালে আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং বিকালে গণ সঙ্গীত ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় টেকনিক্যাল কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনও গ্রহণ করেছে পৃথক কর্মসূচি। গত ১৩ নভেম্বর থেকে সন্তোষে পাঁচদিনব্যাপী ‘ভাসানী মেলা’র আয়োজন করেছে মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশন।