ঢাকা ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

এক মুজিব লোকান্তরে, লক্ষ মুজিব ঘরে ঘরে’ আদালত প্রাঙ্গনে পলক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৭:৪৪:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫
  • ৭১ বার
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলায় সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে আদালতে তোলা হয়। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে পলক বলেন, এক মুজিব লোকান্তরে, লক্ষ মুজিব ঘরে ঘরে।
বুধবার (২০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে জুনাইদ আহমেদ পলককে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর তাকে সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সকাল ১০টা ২০ মিনিটে তার হাতে হাতকড়া, গায়ে বুলেট প্রুফ জ্যাকেট ও মাথায় হেলমেট পরিয়ে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্য দিয়ে এজলাসে ওঠানো হয়।
এজলাসে ওঠানোর আগে পলক এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, এক মুজিব লোকান্তরে, লক্ষ মুজিব ঘরে ঘরে। এরপর এজলাসের দিকে হাঁটতে থাকেন তিনি।
এরপর সকাল ১০টার দিকে বিচারক এজলাসে ওঠেন। পলকের মামলার শুনানির সময় জিআরওকে বিচারক বলেন, ঘটনা কত তারিখের, কত নম্বর আসামি। কেন এই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হচ্ছে। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের এক আইনজীবী বলেন, এই মামলায় তদন্তে প্রাপ্ত আসামি পলক।
এরপরে পলকের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই মো. আকতারুজ্জামান গ্রেফতার দেখানোর শুনানিতে বলেন, গত বছরের ১৯ জুলাই ট্রাক ড্রাইভার মো. হোসেন হত্যা মামলার ঘটনায় জড়িত মর্মে তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। এমতাবস্থায় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো একান্ত প্রয়োজন।
রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন পলককে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন। শুনানিতে তিনি বলেন, এই মামলায় আসামির নাম তদন্তে এসেছে। গত বছরের ১৯ জুলাই সারাদেশে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন দমানোর জন্য আন্দোলনকারীদের হত্যা করেছে আসামিরা। আন্দোলনকারীদের হত্যা করে মোহাম্মদপুরে গণকবর দিয়েছে। ঘটনার আরও বিস্তারিত জানার জন্য এই মামলায় তাকে গ্রেফতারের প্রার্থনা করছি। শুনানি শেষে আদালত তাকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো আবেদন মঞ্জুর করেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ১৯ জুলাই মালবাহী ট্রাক গাবতলীতে পার্কিং করে ভাড়া বাসায় যাচ্ছিলেন ড্রাইভার মো. হোসেন। দুপুর আড়াইটার দিকে চাঁদ উদ্যানের হোসেন মার্কেটের এলাকায় পৌঁছালে আসামিদের ছোঁড়া গুলি বুকের বাম পাশ ছিদ্র করে ঢুকে যায়। পরদিন রাত ৩টায় মৃতদেহ রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখেন স্বজনরা। এ ঘটনায় নিহতের মা রীনা বেগম গত ৩১ আগস্ট মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

মিঠামইনে উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা, আহত আরও একজন

এক মুজিব লোকান্তরে, লক্ষ মুজিব ঘরে ঘরে’ আদালত প্রাঙ্গনে পলক

আপডেট টাইম : ০৭:৪৪:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলায় সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে আদালতে তোলা হয়। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে পলক বলেন, এক মুজিব লোকান্তরে, লক্ষ মুজিব ঘরে ঘরে।
বুধবার (২০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে জুনাইদ আহমেদ পলককে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর তাকে সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সকাল ১০টা ২০ মিনিটে তার হাতে হাতকড়া, গায়ে বুলেট প্রুফ জ্যাকেট ও মাথায় হেলমেট পরিয়ে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্য দিয়ে এজলাসে ওঠানো হয়।
এজলাসে ওঠানোর আগে পলক এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, এক মুজিব লোকান্তরে, লক্ষ মুজিব ঘরে ঘরে। এরপর এজলাসের দিকে হাঁটতে থাকেন তিনি।
এরপর সকাল ১০টার দিকে বিচারক এজলাসে ওঠেন। পলকের মামলার শুনানির সময় জিআরওকে বিচারক বলেন, ঘটনা কত তারিখের, কত নম্বর আসামি। কেন এই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হচ্ছে। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের এক আইনজীবী বলেন, এই মামলায় তদন্তে প্রাপ্ত আসামি পলক।
এরপরে পলকের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই মো. আকতারুজ্জামান গ্রেফতার দেখানোর শুনানিতে বলেন, গত বছরের ১৯ জুলাই ট্রাক ড্রাইভার মো. হোসেন হত্যা মামলার ঘটনায় জড়িত মর্মে তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। এমতাবস্থায় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো একান্ত প্রয়োজন।
রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন পলককে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন। শুনানিতে তিনি বলেন, এই মামলায় আসামির নাম তদন্তে এসেছে। গত বছরের ১৯ জুলাই সারাদেশে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন দমানোর জন্য আন্দোলনকারীদের হত্যা করেছে আসামিরা। আন্দোলনকারীদের হত্যা করে মোহাম্মদপুরে গণকবর দিয়েছে। ঘটনার আরও বিস্তারিত জানার জন্য এই মামলায় তাকে গ্রেফতারের প্রার্থনা করছি। শুনানি শেষে আদালত তাকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো আবেদন মঞ্জুর করেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ১৯ জুলাই মালবাহী ট্রাক গাবতলীতে পার্কিং করে ভাড়া বাসায় যাচ্ছিলেন ড্রাইভার মো. হোসেন। দুপুর আড়াইটার দিকে চাঁদ উদ্যানের হোসেন মার্কেটের এলাকায় পৌঁছালে আসামিদের ছোঁড়া গুলি বুকের বাম পাশ ছিদ্র করে ঢুকে যায়। পরদিন রাত ৩টায় মৃতদেহ রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখেন স্বজনরা। এ ঘটনায় নিহতের মা রীনা বেগম গত ৩১ আগস্ট মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।