ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড দারুণ ফিচার চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হারের নেপথ্যে শরীরে নেই পোশাক, ব্রাজিলীয় সুন্দরীর কান্ড মামলার কারণে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি আটকে আছে : শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির কারণে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশু আয়াতকে হত্যার পর মরদেহ ৬ টুকরো : আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড সংসদে ‘অঙ্গুলিনির্দেশ’ এক্সপাঞ্জের দাবি হিলালীর, স্পিকার বললেন—‘করা যাবে না’ হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অপরিষ্কার পরিবেশ দেখে ক্ষোভ বাজেট-জনবল সংকটের অজুহাতে নাগরিক সেবা ব্যাহত করা যাবে না

আবুল বারকাত রিমান্ডে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:২৭:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫
  • ৭১ বার
অ্যাননটেক্সের ২৯৭ কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতির অভিযোগে দুদকের মামলায় জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবুল বারকাতকে ২ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
বুধবার বিকালে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন।
এদিন বিকাল ৩টা ৪০ মিনিটে আসামিকে আদালতের হাজতখানা থেকে এজলাসে হাজির করা হয়।
এরপর দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর আসামির ৩ দিনের রিমান্ড চেয়ে শুনানি করেন। তিনি আদালতে বলেন, আবুল বারকাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও অর্থনীতিবিদ হিসেবে রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠান জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু আসামি বারকাত জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যানের ক্ষমতা ব্যবহার করে ২৯৭ কোটি টাকার অবৈধ ঋণ জালিয়াতি করেছেন। তার রিমান্ড প্রয়োজন। এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী শাহিনুর রহমান রিমান্ডের বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে আদালত আসামির ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
জালিয়াতির মাধ্যমে জনতা ব্যাংক থেকে অ্যাননটেক্স গ্রুপের নামে ২৯৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান, আবুল বারকাতসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপ-পরিচালক নাজমুল হুসাইন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, অ্যাননটেক্স গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান মেসার্স সুপ্রভ স্পিনিং লিমিটেড ২০১৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময় জনতা ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়। তবে মূলত বড় অঙ্কের বিতরণ ঘটে ২০১৩-১৪ সময়কালে, যখন বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাবেক সভাপতি আবুল বারকাত জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন।
আবুল বারকাত প্রথম ওই দায়িত্ব পান ২০০৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর। দ্বিতীয় মেয়াদে ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ছিলেন।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড

আবুল বারকাত রিমান্ডে

আপডেট টাইম : ০৬:২৭:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫
অ্যাননটেক্সের ২৯৭ কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতির অভিযোগে দুদকের মামলায় জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবুল বারকাতকে ২ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
বুধবার বিকালে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন।
এদিন বিকাল ৩টা ৪০ মিনিটে আসামিকে আদালতের হাজতখানা থেকে এজলাসে হাজির করা হয়।
এরপর দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর আসামির ৩ দিনের রিমান্ড চেয়ে শুনানি করেন। তিনি আদালতে বলেন, আবুল বারকাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও অর্থনীতিবিদ হিসেবে রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠান জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু আসামি বারকাত জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যানের ক্ষমতা ব্যবহার করে ২৯৭ কোটি টাকার অবৈধ ঋণ জালিয়াতি করেছেন। তার রিমান্ড প্রয়োজন। এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী শাহিনুর রহমান রিমান্ডের বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে আদালত আসামির ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
জালিয়াতির মাধ্যমে জনতা ব্যাংক থেকে অ্যাননটেক্স গ্রুপের নামে ২৯৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান, আবুল বারকাতসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপ-পরিচালক নাজমুল হুসাইন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, অ্যাননটেক্স গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান মেসার্স সুপ্রভ স্পিনিং লিমিটেড ২০১৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময় জনতা ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়। তবে মূলত বড় অঙ্কের বিতরণ ঘটে ২০১৩-১৪ সময়কালে, যখন বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাবেক সভাপতি আবুল বারকাত জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন।
আবুল বারকাত প্রথম ওই দায়িত্ব পান ২০০৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর। দ্বিতীয় মেয়াদে ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ছিলেন।