ঢাকা ০৭:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

ভয়ংকর ষড়যন্ত্রের জালে বন্দি গণতন্ত্র

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৬:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫
  • ১৫৯ বার

মোহাম্মদ ফরিদ আলমঃ রাজনীতি অত্যন্ত বুদ্ধিবৃত্তিক এবং কুটচালের খেলা। সাদামাটা চোখে অনেক কিছু দেখা যায়না। অনেক ষড়যন্ত্র দেখলে মনে হবে স্বাভাবিক ঘটনা। এয়ারফোর্সকে লুটপাট করে ধংস্ব করে দিয়েছে সৈরাচার। লোহালক্কড়ের ভাঙ্গারি বিমান নিয়ে উড়লে তা ভেঙ্গে পড়বে এটাই স্বাভাবিক। এটার দায় সৈরাচার ও তার দোসরদের।

আবার এয়ারফোর্স সহ সব বাহিনীতে ও সরকারি চাকুরির উর্ধতন পর্যায়ে এখনো সৈরাচারের দোসররা আছে। তাদেরকে না সরিয়ে সরকার আত্নঘাতি অবস্থান বসে আছে।

২৪ ইং জুলাই আগষ্ট মাসে সৈরাচার পতনের অনুষ্ঠান সহ সৈরাচারের বিচার তরান্বিত করার তাগাদা দেয়ার কথা ছিল। এই প্রোগ্রাম থেকে সরিয়ে নিতে একটা বড় ইস্যু দরকার ছিল। সৈরাচার বিগত সময়েও একটা ই্স্যু সরিয়ে দিতে আরেকটা ইস্যু তৈরি করেছে।

সৈরাচারের অনেক লোক বিমান বাহিনীতেও আছে। বিমানের ইঞ্জিনের দুই একটা নাট বল্টু খুলে রাখা, ইঞ্জিনের মাঝে ছোট একটা লোহার টুকরো ঢুকিয়ে দিলেও ইঞ্জিন চালু হওয়ার কিছুহ্মনের মধ্যে ইঞ্জিন বিস্ফোরন হবে বা ইঞ্জিন ত্রুটিপূর্ণ করে রাখা বিমান বাহিনীতে থাকা সৈরাচারের দোসরদের জন্য কোন ব্যাপারই না। একটা বিমান ভেঙ্গে পরলে জুলাই আগষ্ট প্রোগ্রাম ভন্ডুল হয়ে যাবে এটা স্বাভাবিক।

মাইলস্টোনে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ গিয়েছে রক্ত দিতে এটাও ইস্যু তৈরি করা। এই সুযোগে সচিবালয় আক্রমন করেছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ এবং সচিবালয়ে বসে সৈরাচারের সচিব আমলারাও ষড়যন্ত্র করছে। বিষাক্ত সাপ ঘরে পুশে ছোবল খাবে না এটা হতে পারে না। বিমান দূর্ঘটনাও হয়ে পারে আবার সৈরাচারের দোসরদের পরিকল্পিত ইঞ্জিন বিকল করে ঘটানো ষড়যন্ত্রও হতে পারে। তবে সচিবালয় আক্রমনকারীদের মাঝে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ, ককটেল মেরেছে আর সচিবালয়ে থাকা সৈরাচারের দোসরদের যৌথ প্রযোজনায় নতুন ঘটনার জন্ম দিচ্ছে। ভয়ংকর ষড়যন্ত্রের মাঝে হামাগুড়ি দিচ্ছে বর্তমান সরকার।

 

 

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

মিঠামইনে বিএনপি সভাপতি হত্যা: যুবদল আহ্বায়ক নৌশাদ গ্রেপ্তার

ভয়ংকর ষড়যন্ত্রের জালে বন্দি গণতন্ত্র

আপডেট টাইম : ১১:০৬:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫

মোহাম্মদ ফরিদ আলমঃ রাজনীতি অত্যন্ত বুদ্ধিবৃত্তিক এবং কুটচালের খেলা। সাদামাটা চোখে অনেক কিছু দেখা যায়না। অনেক ষড়যন্ত্র দেখলে মনে হবে স্বাভাবিক ঘটনা। এয়ারফোর্সকে লুটপাট করে ধংস্ব করে দিয়েছে সৈরাচার। লোহালক্কড়ের ভাঙ্গারি বিমান নিয়ে উড়লে তা ভেঙ্গে পড়বে এটাই স্বাভাবিক। এটার দায় সৈরাচার ও তার দোসরদের।

আবার এয়ারফোর্স সহ সব বাহিনীতে ও সরকারি চাকুরির উর্ধতন পর্যায়ে এখনো সৈরাচারের দোসররা আছে। তাদেরকে না সরিয়ে সরকার আত্নঘাতি অবস্থান বসে আছে।

২৪ ইং জুলাই আগষ্ট মাসে সৈরাচার পতনের অনুষ্ঠান সহ সৈরাচারের বিচার তরান্বিত করার তাগাদা দেয়ার কথা ছিল। এই প্রোগ্রাম থেকে সরিয়ে নিতে একটা বড় ইস্যু দরকার ছিল। সৈরাচার বিগত সময়েও একটা ই্স্যু সরিয়ে দিতে আরেকটা ইস্যু তৈরি করেছে।

সৈরাচারের অনেক লোক বিমান বাহিনীতেও আছে। বিমানের ইঞ্জিনের দুই একটা নাট বল্টু খুলে রাখা, ইঞ্জিনের মাঝে ছোট একটা লোহার টুকরো ঢুকিয়ে দিলেও ইঞ্জিন চালু হওয়ার কিছুহ্মনের মধ্যে ইঞ্জিন বিস্ফোরন হবে বা ইঞ্জিন ত্রুটিপূর্ণ করে রাখা বিমান বাহিনীতে থাকা সৈরাচারের দোসরদের জন্য কোন ব্যাপারই না। একটা বিমান ভেঙ্গে পরলে জুলাই আগষ্ট প্রোগ্রাম ভন্ডুল হয়ে যাবে এটা স্বাভাবিক।

মাইলস্টোনে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ গিয়েছে রক্ত দিতে এটাও ইস্যু তৈরি করা। এই সুযোগে সচিবালয় আক্রমন করেছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ এবং সচিবালয়ে বসে সৈরাচারের সচিব আমলারাও ষড়যন্ত্র করছে। বিষাক্ত সাপ ঘরে পুশে ছোবল খাবে না এটা হতে পারে না। বিমান দূর্ঘটনাও হয়ে পারে আবার সৈরাচারের দোসরদের পরিকল্পিত ইঞ্জিন বিকল করে ঘটানো ষড়যন্ত্রও হতে পারে। তবে সচিবালয় আক্রমনকারীদের মাঝে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ, ককটেল মেরেছে আর সচিবালয়ে থাকা সৈরাচারের দোসরদের যৌথ প্রযোজনায় নতুন ঘটনার জন্ম দিচ্ছে। ভয়ংকর ষড়যন্ত্রের মাঝে হামাগুড়ি দিচ্ছে বর্তমান সরকার।