ঢাকা ০৭:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

সন্ত্রাস দমনে কঠোর ব্যবস্থা নিন: শেখ হাসিনার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৪:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৬
  • ৩৭৬ বার

সন্ত্রাসবাদকে পরাজিত করতে সন্ত্রাসীদের প্রশিক্ষক, অর্থ ও অস্ত্র সরবরাহকারী, হোতা ও পরিকল্পনাকারীদের খুঁজে বের করতে বিমসটেক নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার ভারতের গোয়ায় বিমসটেকের সম্মেলনে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘সন্ত্রাসী এবং তাদের সমর্থকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে আমাদের অবশ্যই প্রস্তুতি নিতে হবে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, বিমসটেকভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সন্ত্রাসবাদ ও বেড়ে ওঠা সহিংস চরমপন্থা মোকাবেলায় আমাদের সক্ষম হওয়া উচিত।’

ভারতের পর্যটন নগরী গোয়ায় ব্রিকস-বিমসটেক সম্মেলনের আগে রোববার বিকেলে বিমসটেক নেতাদের রিট্রিটে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে রিট্রিট অনুষ্ঠানে বিমসটেকের অন্যান্য দেশের নেতারাও কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে তার সরকার সন্ত্রাস ও চরমপন্থা দমনে ‘জিরো-টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, পরিবারে তরুণদের জন্য ব্যাপক সচেতনতা কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। আমরা দেশীয় সন্ত্রাসীদের ছত্রভঙ্গ করে দিতে সক্ষম হয়েছি।’

এ সময় শেখ হাসিনা বিমসটেকের সফলতার গতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, এটি ঠিক যে, আমাদের উন্নয়নের গতি ধীর, তবে মূল কাজ শেষ হয়েছে। এখন এসব প্রক্রিয়া একত্রিত করার সময় এসেছে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিমসটেককে কীভাবে কার্যকর করা যায় সে বিষয়ে আমাদের পুনরায় পর্যালোচনা করার সময় এসেছে। বিমসটেকের অধীনে আমাদের সহযোগিতার ১৪টি ক্ষেত্র রয়েছে; আমি মনে করি আগামী পাঁচ বছরে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, বিদ্যুৎ, সংযোগ ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় আমাদের চেষ্টা করা উচিত। এসব ক্ষেত্রে সফলতা অর্জনে নিয়মিত কার্যনির্বাহী বৈঠক আয়োজন করা গুরুত্বপূর্ণ।

এই অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকার উন্নয়নে আঞ্চলিক পরিকল্পনা নেয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেছেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, এর ফলে এ অঞ্চলে সংস্থাটির স্থিতিশীলতা ও জনগণের কাছে এর দৃশ্যমানতা ফলপ্রসূ হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

সন্ত্রাস দমনে কঠোর ব্যবস্থা নিন: শেখ হাসিনার

আপডেট টাইম : ১১:৪৪:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৬

সন্ত্রাসবাদকে পরাজিত করতে সন্ত্রাসীদের প্রশিক্ষক, অর্থ ও অস্ত্র সরবরাহকারী, হোতা ও পরিকল্পনাকারীদের খুঁজে বের করতে বিমসটেক নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার ভারতের গোয়ায় বিমসটেকের সম্মেলনে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘সন্ত্রাসী এবং তাদের সমর্থকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে আমাদের অবশ্যই প্রস্তুতি নিতে হবে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, বিমসটেকভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সন্ত্রাসবাদ ও বেড়ে ওঠা সহিংস চরমপন্থা মোকাবেলায় আমাদের সক্ষম হওয়া উচিত।’

ভারতের পর্যটন নগরী গোয়ায় ব্রিকস-বিমসটেক সম্মেলনের আগে রোববার বিকেলে বিমসটেক নেতাদের রিট্রিটে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে রিট্রিট অনুষ্ঠানে বিমসটেকের অন্যান্য দেশের নেতারাও কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে তার সরকার সন্ত্রাস ও চরমপন্থা দমনে ‘জিরো-টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, পরিবারে তরুণদের জন্য ব্যাপক সচেতনতা কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। আমরা দেশীয় সন্ত্রাসীদের ছত্রভঙ্গ করে দিতে সক্ষম হয়েছি।’

এ সময় শেখ হাসিনা বিমসটেকের সফলতার গতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, এটি ঠিক যে, আমাদের উন্নয়নের গতি ধীর, তবে মূল কাজ শেষ হয়েছে। এখন এসব প্রক্রিয়া একত্রিত করার সময় এসেছে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিমসটেককে কীভাবে কার্যকর করা যায় সে বিষয়ে আমাদের পুনরায় পর্যালোচনা করার সময় এসেছে। বিমসটেকের অধীনে আমাদের সহযোগিতার ১৪টি ক্ষেত্র রয়েছে; আমি মনে করি আগামী পাঁচ বছরে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, বিদ্যুৎ, সংযোগ ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় আমাদের চেষ্টা করা উচিত। এসব ক্ষেত্রে সফলতা অর্জনে নিয়মিত কার্যনির্বাহী বৈঠক আয়োজন করা গুরুত্বপূর্ণ।

এই অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকার উন্নয়নে আঞ্চলিক পরিকল্পনা নেয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেছেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, এর ফলে এ অঞ্চলে সংস্থাটির স্থিতিশীলতা ও জনগণের কাছে এর দৃশ্যমানতা ফলপ্রসূ হবে।