ঢাকা ০৩:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ সাড়ে ৩ কেজি ওজনের দুই ইলিশ ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন হচ্ছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী থমকে আছে উন্নয়ন প্রকল্প ও তদারকি, মন্ত্রণালয়ে ঘুরছেন এমপিরা কেন শিশুদের ঘ্রাণবিষয়ক শিক্ষা দিতে বললেন এই বিশেষজ্ঞ নতুন পে-স্কেলে কোন গ্রেডে কত বাড়ল বেতন বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জনগণই বিএনপির রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস: তারেক রহমান নরওয়ের রাজার মৃত্যুতে বাংলাদেশের পক্ষে শোকবইয়ে স্বাক্ষর স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর যশোরে নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিমন্ত্রী ও এমপিসহ ১১৩ জনের নামে মামলা হাদি হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও তার স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

সারেগামাপা শোর সেরা দেয়াশিনী ও অতনু

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫
  • ১০২ বার

২০১২ সালে টিকিট কেটে মা, বাবা ও বড় বোনের সঙ্গে সংগীতবিষয়ক রিয়েলিটি শো সারেগামাপার গ্র্যান্ড ফিনালে দেখতে গিয়েছিলেন দেয়াশিনী রায়। ১৩ বছর পর সেই দেয়াশিনী জিতলেন সারেগামাপার মুকুট। গত রোববার শেষ হলো ‘সারেগামাপা’র এবারের সফর। এবার সব বয়সের প্রতিযোগীরাই অংশ নিয়েছিলেন। ফলে বিজয়ী নির্ধারণ করা হয়েছে বড় এবং ছোট দুই দল থেকে।

বড়দের মধ্যে বিজয়ী হয়েছেন দেয়াশিনী। যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে আছেন ময়ূরী ও সাঁই। তৃতীয় স্থানে সত্যজিৎ। অন্য দিকে ছোটদের মধ্যে প্রথম হয়েছে অতনু। দ্বিতীয় স্থানে ঐশী ও তৃতীয় স্থানে অনীক। সৃজিতা হয়েছেন চতুর্থ।

কল্যাণীর মদনপুরের মেয়ে দেয়াশিনী রায়। এর আগে কয়েকটি রিয়েলিটি শোতে অংশ নিয়েছিলেন দেয়াশিনী। অবশেষে সারেগামাপার শিরোপা জিতলেন তিনি। দেয়াশিনী বলেন, ‘সারেগামাপার শিরোপা অনেক বড় সাকসেস। হাজারো স্বপ্নের মধ্যে বেশ বড় একটা স্বপ্ন আজ পূরণ হলো। এখান থেকেই আমার নতুন জার্নি শুরু হলো। এখনো অনেক কিছু করার বাকি আছে। শুরু থেকে এটাই লক্ষ্য ছিল সারেগামাপা জিতি কিংবা না জিতি, মানুষের মন জিততে হবে। সারেগামাপাতে গান শুনিয়ে আজ প্রচুর মানুষের মনে জায়গা করতে পেরেছি। যাঁদের মনে এখনো জায়গা করতে পারিনি, তাঁদের এটুকু কথা দিতে পারি, আমি আরও চেষ্টা করব।’

গ্র‍্যান্ড ফিনালেতে উপস্থিত ছিলেন আদনান সামি। নিজের জনপ্রিয় গানগুলোতে পারফর্ম করেন এই সংগীতশিল্পী। এ দিন আদনান সামির সঙ্গে ছিলেন হৈমন্তী শুক্লা। পুরো সিজন সঞ্চালনার দায়িত্ব সামলেছেন অভিনেতা আবির চট্টোপাধ্যায়। বিচারকের আসনে ছিলেন শান্তনু মৈত্র, অন্তরা মিত্র, কৌশিকী চক্রবর্তী, ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত, ইমন চক্রবর্তী, রাঘব চট্টোপাধ্যায়, জোজো ও জাভেদ আলী।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ

সারেগামাপা শোর সেরা দেয়াশিনী ও অতনু

আপডেট টাইম : ১১:১৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫

২০১২ সালে টিকিট কেটে মা, বাবা ও বড় বোনের সঙ্গে সংগীতবিষয়ক রিয়েলিটি শো সারেগামাপার গ্র্যান্ড ফিনালে দেখতে গিয়েছিলেন দেয়াশিনী রায়। ১৩ বছর পর সেই দেয়াশিনী জিতলেন সারেগামাপার মুকুট। গত রোববার শেষ হলো ‘সারেগামাপা’র এবারের সফর। এবার সব বয়সের প্রতিযোগীরাই অংশ নিয়েছিলেন। ফলে বিজয়ী নির্ধারণ করা হয়েছে বড় এবং ছোট দুই দল থেকে।

বড়দের মধ্যে বিজয়ী হয়েছেন দেয়াশিনী। যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে আছেন ময়ূরী ও সাঁই। তৃতীয় স্থানে সত্যজিৎ। অন্য দিকে ছোটদের মধ্যে প্রথম হয়েছে অতনু। দ্বিতীয় স্থানে ঐশী ও তৃতীয় স্থানে অনীক। সৃজিতা হয়েছেন চতুর্থ।

কল্যাণীর মদনপুরের মেয়ে দেয়াশিনী রায়। এর আগে কয়েকটি রিয়েলিটি শোতে অংশ নিয়েছিলেন দেয়াশিনী। অবশেষে সারেগামাপার শিরোপা জিতলেন তিনি। দেয়াশিনী বলেন, ‘সারেগামাপার শিরোপা অনেক বড় সাকসেস। হাজারো স্বপ্নের মধ্যে বেশ বড় একটা স্বপ্ন আজ পূরণ হলো। এখান থেকেই আমার নতুন জার্নি শুরু হলো। এখনো অনেক কিছু করার বাকি আছে। শুরু থেকে এটাই লক্ষ্য ছিল সারেগামাপা জিতি কিংবা না জিতি, মানুষের মন জিততে হবে। সারেগামাপাতে গান শুনিয়ে আজ প্রচুর মানুষের মনে জায়গা করতে পেরেছি। যাঁদের মনে এখনো জায়গা করতে পারিনি, তাঁদের এটুকু কথা দিতে পারি, আমি আরও চেষ্টা করব।’

গ্র‍্যান্ড ফিনালেতে উপস্থিত ছিলেন আদনান সামি। নিজের জনপ্রিয় গানগুলোতে পারফর্ম করেন এই সংগীতশিল্পী। এ দিন আদনান সামির সঙ্গে ছিলেন হৈমন্তী শুক্লা। পুরো সিজন সঞ্চালনার দায়িত্ব সামলেছেন অভিনেতা আবির চট্টোপাধ্যায়। বিচারকের আসনে ছিলেন শান্তনু মৈত্র, অন্তরা মিত্র, কৌশিকী চক্রবর্তী, ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত, ইমন চক্রবর্তী, রাঘব চট্টোপাধ্যায়, জোজো ও জাভেদ আলী।