ঢাকা ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

আকাশে উড়ছে দুই ক্ষুদে টাইগার বিজ্ঞানীর ড্রোন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩৫:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৬
  • ৪১৮ বার

বয়সের বিবেচনায় তারা খুব বেশি বড় নয়। দুজনই দশম শ্রেণির ছাত্র। কিন্তু তাদের স্বপ্নটা অনেক বড়। দীর্ঘদিন ধরেই তারা চেষ্টা চালিয়ে আসছিল একটি ড্রোন বানানোর। অবশেষে তাদের সেই চেষ্টা সফল হয়েছে। বুধবার সকালে খুদে বিজ্ঞানী রিয়াশাত ইবনে রইচ সামিট ও সুদীপ্ত মণ্ডলের তৈরি একটি ছোট ড্রোন রাজবাড়ী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের আকাশে উড়েছে। এ উপলক্ষে বিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে ড্রোন উড্ডয়ন এবং বার্ষিক বিজ্ঞান উৎসবের আয়োজনও করা হয়েছে।

ড্রোন তৈরি করা খুদে বিজ্ঞানী সামিট ও সুদীপ্ত জানায়, তারা গত এপ্রিল মাসে ড্রোনটির নির্মাণকাজ শুরু করে। এখনো চলছে সেটির উন্নয়নকাজ। এরই মধ্যে ড্রোনটির

সঙ্গে ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে প্রায় এক কিলোমিটার দূরের আকাশ থেকে ছবিও তোলা হয়েছে। এক কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ড্রোনটি তৈরি করতে প্রায় ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এটি প্রায় ৭০০ গ্রাম ওজনের মালামাল বহন করতে পারে। প্রাথমিকভাবে দুই কিলোমিটার এলাকায় রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তারা এটিকে আরো বেশি প্রযুক্তিনির্ভর, আধুনিক ও জনকল্যাণময় করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজা খানম বলেন, তাঁর বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নানা রকমের যন্ত্রাংশ দিয়ে ৭০টিরও বেশি উপকরণ প্রস্তুত করেছে। তার মধ্যে সামিট ও সুদীপ্ত অনেক বেশি এগিয়ে। তারা গত বছর জাতীয় পর্যায়ে বিজ্ঞান মেলায় অংশ নিয়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। ফলে তারা যখন ড্রোন তৈরির কথা জানায় তখনই তিনি রাজি হন এবং পুরো অর্থ বিদ্যালয়ের ফান্ড থেকে দেওয়া হয়। সেই স্বপ্নের ড্রোন তৈরির পর তা আকাশে ওড়ানো হলো। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ড্রোন উড্ডয়ন করলেও প্রথমবারের মতো রাজবাড়ী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্ররা ড্রোন তৈরি করল। এটা আমাদের জন্য গর্বের এবং এসব খুদে বিজ্ঞানীর পাশে থেকে তাদের কাজে সহযোগিতা করে এগিয়ে নেওয়াটাও জরুরি।’-কালেরকন্ঠ

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

আকাশে উড়ছে দুই ক্ষুদে টাইগার বিজ্ঞানীর ড্রোন

আপডেট টাইম : ১১:৩৫:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৬

বয়সের বিবেচনায় তারা খুব বেশি বড় নয়। দুজনই দশম শ্রেণির ছাত্র। কিন্তু তাদের স্বপ্নটা অনেক বড়। দীর্ঘদিন ধরেই তারা চেষ্টা চালিয়ে আসছিল একটি ড্রোন বানানোর। অবশেষে তাদের সেই চেষ্টা সফল হয়েছে। বুধবার সকালে খুদে বিজ্ঞানী রিয়াশাত ইবনে রইচ সামিট ও সুদীপ্ত মণ্ডলের তৈরি একটি ছোট ড্রোন রাজবাড়ী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের আকাশে উড়েছে। এ উপলক্ষে বিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে ড্রোন উড্ডয়ন এবং বার্ষিক বিজ্ঞান উৎসবের আয়োজনও করা হয়েছে।

ড্রোন তৈরি করা খুদে বিজ্ঞানী সামিট ও সুদীপ্ত জানায়, তারা গত এপ্রিল মাসে ড্রোনটির নির্মাণকাজ শুরু করে। এখনো চলছে সেটির উন্নয়নকাজ। এরই মধ্যে ড্রোনটির

সঙ্গে ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে প্রায় এক কিলোমিটার দূরের আকাশ থেকে ছবিও তোলা হয়েছে। এক কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ড্রোনটি তৈরি করতে প্রায় ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এটি প্রায় ৭০০ গ্রাম ওজনের মালামাল বহন করতে পারে। প্রাথমিকভাবে দুই কিলোমিটার এলাকায় রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তারা এটিকে আরো বেশি প্রযুক্তিনির্ভর, আধুনিক ও জনকল্যাণময় করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজা খানম বলেন, তাঁর বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নানা রকমের যন্ত্রাংশ দিয়ে ৭০টিরও বেশি উপকরণ প্রস্তুত করেছে। তার মধ্যে সামিট ও সুদীপ্ত অনেক বেশি এগিয়ে। তারা গত বছর জাতীয় পর্যায়ে বিজ্ঞান মেলায় অংশ নিয়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। ফলে তারা যখন ড্রোন তৈরির কথা জানায় তখনই তিনি রাজি হন এবং পুরো অর্থ বিদ্যালয়ের ফান্ড থেকে দেওয়া হয়। সেই স্বপ্নের ড্রোন তৈরির পর তা আকাশে ওড়ানো হলো। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ড্রোন উড্ডয়ন করলেও প্রথমবারের মতো রাজবাড়ী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্ররা ড্রোন তৈরি করল। এটা আমাদের জন্য গর্বের এবং এসব খুদে বিজ্ঞানীর পাশে থেকে তাদের কাজে সহযোগিতা করে এগিয়ে নেওয়াটাও জরুরি।’-কালেরকন্ঠ