ঢাকা ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ৬ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‘পদ্মা সেতু নির্মাণে ব্ল্যাংক চেক দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী’ সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:২৯:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুলাই ২০২৪
  • ১৩ বার

সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেছেন, ‘পদ্মা সেতু নির্মাণে প্রধানমন্ত্রী আমাদের ব্ল্যাংক চেক দিয়ে রেখেছিলেন। তিনি অনেক বেশি স্বাধীনতা দিয়েছিলেন বলেই এতো বড় কাজটা করা সম্ভব হয়েছে। মাঝেমধ্যে তো আমি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতাও নিজে প্রয়োগ করেছি।’

আজ শুক্রবার বিকেলে মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতু প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘১৮ থেকে ২০ বছরে সেতু নির্মাণের টাকা উঠে আসবে। সেতু নির্মাণে প্রাথমিক খরচ ১০ হাজার কোটি টাকা ধরায় সমালোচনা হয়। কিন্তু এত কম অংকের টাকা কখনোই ছিল না। সমালোচকদের ডলারের রেটটা বিবেচনার অনুরোধ জানাই।’

তিনি বলেন, ‘যে সময় চারটি হ্যামার নষ্ট হয়ে গিয়েছিল, তখন প্রকল্পটি বন্ধ হওয়ার শঙ্কা ছিল। এই কথাটা তখন আমরা বলিনি। টেকনিক্যাল এবং ম্যানেজারিয়াল সব বিষয়েই অন্যরকম সাপোর্ট করেছেন পিএম। রাত দেড়টায় মেসেজ দিয়েছি প্রধানমন্ত্রীকে, তিনি ২টায় সেই মেসেজের উত্তর দিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘অবসর নেওয়ার পরও এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ডেকেছেন আমাকে! খুব সম্মানিত বোধ করছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পদ্মা সেতু নির্মাণে ব্ল্যাংক চেক দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী’ সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব

আপডেট টাইম : ১০:২৯:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুলাই ২০২৪

সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেছেন, ‘পদ্মা সেতু নির্মাণে প্রধানমন্ত্রী আমাদের ব্ল্যাংক চেক দিয়ে রেখেছিলেন। তিনি অনেক বেশি স্বাধীনতা দিয়েছিলেন বলেই এতো বড় কাজটা করা সম্ভব হয়েছে। মাঝেমধ্যে তো আমি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতাও নিজে প্রয়োগ করেছি।’

আজ শুক্রবার বিকেলে মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতু প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘১৮ থেকে ২০ বছরে সেতু নির্মাণের টাকা উঠে আসবে। সেতু নির্মাণে প্রাথমিক খরচ ১০ হাজার কোটি টাকা ধরায় সমালোচনা হয়। কিন্তু এত কম অংকের টাকা কখনোই ছিল না। সমালোচকদের ডলারের রেটটা বিবেচনার অনুরোধ জানাই।’

তিনি বলেন, ‘যে সময় চারটি হ্যামার নষ্ট হয়ে গিয়েছিল, তখন প্রকল্পটি বন্ধ হওয়ার শঙ্কা ছিল। এই কথাটা তখন আমরা বলিনি। টেকনিক্যাল এবং ম্যানেজারিয়াল সব বিষয়েই অন্যরকম সাপোর্ট করেছেন পিএম। রাত দেড়টায় মেসেজ দিয়েছি প্রধানমন্ত্রীকে, তিনি ২টায় সেই মেসেজের উত্তর দিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘অবসর নেওয়ার পরও এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ডেকেছেন আমাকে! খুব সম্মানিত বোধ করছি।