ঢাকা ১২:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
অধ্যাপক জামাল উদ্দিনকে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ, নিন্দা শিক্ষক ফোরামের অনুসন্ধানে দুদক আসিফের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাদের দেওয়া হচ্ছে সর্বাধুনিক অস্ত্র: ট্রাম্প কাল থেকে কারখানায় চাহিদানুযায়ী মিলবে গ্যাস-বিদ্যুৎ, ব্যবসায়ীদের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত রাজধানীর আবাসিক হোটেল নিয়ে ডিএমপি কমিশনারের নির্দেশনা ভারতের সঙ্গে মর্যাদার ভিত্তিতে সুসম্পর্ক প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ: স্পিকার নতুন সরকারের প্রথম সচিব সভা মঙ্গলবার, যা থাকছে আলোচ্যসূচিতে গ্রেট ওয়াল আল্ট্রা-ট্রেইল রেসে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইমামুর রহমান ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি: জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে কর্তৃপক্ষ

আমের সাতকাহন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:২০:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০১৫
  • ৫৭৪ বার
ইদানীং অধিকাংশ মহিলাই খুব ফিগার কনসাস৷‌ আমে যেহেতু মিষ্টির পরিমাণ বেশি তাই ভাবেন আমের মধ্যে থাকা সুগার হয়তো ফ্যাট নিয়ে আসবে৷‌ কিন্তু এই ধারণা যে শুধু ভুল তাই নয়, যথেষ্ট হাস্যকর৷‌ অন্যান্য ফলের তুলনায় আমের ক্যালরি এবং সুগার বেশি৷‌ মানুষের শরীরের পক্ষে তা মোটেই বেশি নয়৷‌ একটা ২০০ গ্রাম আম থেকে খুব বেশি হলে খাওয়া হয় ১২৫ গ্রাম৷‌ সেদিক থেকে দেখতে গেলে এটা শরীরের পক্ষে অত্যন্ত জরুরি৷‌
আমের একটি উল্লেখযোগ্য উপাদান হলো বিটা ক্যারোটিন, যা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট৷‌ তা হৃদরোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে৷‌ এই অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ক্যানসার প্রতিরোধ করে৷‌
ইদানিং আম দিয়ে ব্লাড ক্যানসার, কোলন ক্যানসার, ব্রেস্ট ক্যানসার সারিয়ে তোলার গভীর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে৷‌ অনেক ক্ষেত্রেই পরীক্ষার ফলে সাফল্য মিলছে৷‌
আমের হলুদ শাঁসালো অংশ শরীরে গিয়ে ভিটামিন ‘এ’তে পরিবর্তিত হয়ে যায়৷‌ চোখের স্বচ্ছ দৃষ্টির জন্য এটা খুবই উপকারী৷‌
আমের একটি অন্যতম উপাদান হলো ম্যাগনেশিয়াম ও পটাশিয়াম, ব্লাড প্রেসারকে নর্মাল রাখে৷‌ যাঁদের প্রেসারের সমস্যা রয়েছে তাঁরা নিশ্চিন্তে পরিমিত আম অবশ্যই খান৷‌
এই ফলটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও অমূল্য ওষুধ হিসেবে কাজে আসতে পারে৷‌ আমে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকার কারণে এটা পরিপাক ক্রিয়াকে সক্রিয় রাখতে পারে৷‌
যাঁদের ত্বকে অ্যাকনে, ছুলি বা এই জাতীয় কোনো সমস্যা রয়েছে আমের শাঁস ব্যবহার সেইসব ক্ষেত্রে ভালো ফল দেয়৷‌ তাছাড়া আম ত্বককে চকচকে করে তোলে৷‌
বিভিন্ন হরমোনের স্বাভাবিকতাকে তরান্বিত করতে আমের জুড়ি মেলা ভার৷‌ ফলে শরীর রোগমুক্ত থাকে৷‌
ভিটামিন ‘সি’ এর কোলেস্টরেল আয়ত্তে রাখতে অত্যন্ত উপকারী৷‌ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং কর্মদক্ষতা অত্যন্ত বাড়িয়ে তুলতে পারে একটা পাকা এবং তাজা মিষ্টি আম৷‌
সুগারের রোগীদের ইনসুলিন লেভেল ঠিক রাখতে আমের আশ্চর্য ঔষধী গুণ আবিষ্কৃত হয়েছে৷‌ পরীক্ষায় দেখা গেছে, প্রতিদিন একটি আম শরীরে সুগারের ভারসাম্য বজায় রাখতে চমৎকার ফল দেয়৷‌
পাকা আমের শাঁস হজমশক্তিকে স্বাভাবিক করতে খুব ভালো ফল দেয়৷‌ আম হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচাতে অব্যর্থ৷‌
প্রতিদিন সন্ধের স্ন্যাক্সে শিঙাড়া রোল বা তেলেভাজা মুড়ি না খেয়ে একটা আম দিয়ে টিফিন করুন৷‌ শরীরের ভেতর এবং বাইরে দু’দিকেই আপনাকে তাজা রাখবে এই মধুর ফল৷‌
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

অধ্যাপক জামাল উদ্দিনকে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ, নিন্দা শিক্ষক ফোরামের

আমের সাতকাহন

আপডেট টাইম : ০৪:২০:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০১৫
ইদানীং অধিকাংশ মহিলাই খুব ফিগার কনসাস৷‌ আমে যেহেতু মিষ্টির পরিমাণ বেশি তাই ভাবেন আমের মধ্যে থাকা সুগার হয়তো ফ্যাট নিয়ে আসবে৷‌ কিন্তু এই ধারণা যে শুধু ভুল তাই নয়, যথেষ্ট হাস্যকর৷‌ অন্যান্য ফলের তুলনায় আমের ক্যালরি এবং সুগার বেশি৷‌ মানুষের শরীরের পক্ষে তা মোটেই বেশি নয়৷‌ একটা ২০০ গ্রাম আম থেকে খুব বেশি হলে খাওয়া হয় ১২৫ গ্রাম৷‌ সেদিক থেকে দেখতে গেলে এটা শরীরের পক্ষে অত্যন্ত জরুরি৷‌
আমের একটি উল্লেখযোগ্য উপাদান হলো বিটা ক্যারোটিন, যা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট৷‌ তা হৃদরোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে৷‌ এই অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ক্যানসার প্রতিরোধ করে৷‌
ইদানিং আম দিয়ে ব্লাড ক্যানসার, কোলন ক্যানসার, ব্রেস্ট ক্যানসার সারিয়ে তোলার গভীর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে৷‌ অনেক ক্ষেত্রেই পরীক্ষার ফলে সাফল্য মিলছে৷‌
আমের হলুদ শাঁসালো অংশ শরীরে গিয়ে ভিটামিন ‘এ’তে পরিবর্তিত হয়ে যায়৷‌ চোখের স্বচ্ছ দৃষ্টির জন্য এটা খুবই উপকারী৷‌
আমের একটি অন্যতম উপাদান হলো ম্যাগনেশিয়াম ও পটাশিয়াম, ব্লাড প্রেসারকে নর্মাল রাখে৷‌ যাঁদের প্রেসারের সমস্যা রয়েছে তাঁরা নিশ্চিন্তে পরিমিত আম অবশ্যই খান৷‌
এই ফলটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও অমূল্য ওষুধ হিসেবে কাজে আসতে পারে৷‌ আমে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকার কারণে এটা পরিপাক ক্রিয়াকে সক্রিয় রাখতে পারে৷‌
যাঁদের ত্বকে অ্যাকনে, ছুলি বা এই জাতীয় কোনো সমস্যা রয়েছে আমের শাঁস ব্যবহার সেইসব ক্ষেত্রে ভালো ফল দেয়৷‌ তাছাড়া আম ত্বককে চকচকে করে তোলে৷‌
বিভিন্ন হরমোনের স্বাভাবিকতাকে তরান্বিত করতে আমের জুড়ি মেলা ভার৷‌ ফলে শরীর রোগমুক্ত থাকে৷‌
ভিটামিন ‘সি’ এর কোলেস্টরেল আয়ত্তে রাখতে অত্যন্ত উপকারী৷‌ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং কর্মদক্ষতা অত্যন্ত বাড়িয়ে তুলতে পারে একটা পাকা এবং তাজা মিষ্টি আম৷‌
সুগারের রোগীদের ইনসুলিন লেভেল ঠিক রাখতে আমের আশ্চর্য ঔষধী গুণ আবিষ্কৃত হয়েছে৷‌ পরীক্ষায় দেখা গেছে, প্রতিদিন একটি আম শরীরে সুগারের ভারসাম্য বজায় রাখতে চমৎকার ফল দেয়৷‌
পাকা আমের শাঁস হজমশক্তিকে স্বাভাবিক করতে খুব ভালো ফল দেয়৷‌ আম হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচাতে অব্যর্থ৷‌
প্রতিদিন সন্ধের স্ন্যাক্সে শিঙাড়া রোল বা তেলেভাজা মুড়ি না খেয়ে একটা আম দিয়ে টিফিন করুন৷‌ শরীরের ভেতর এবং বাইরে দু’দিকেই আপনাকে তাজা রাখবে এই মধুর ফল৷‌