ঢাকা ১১:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা সাড়ে ১৭ হাজার কোটি টাকা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৩৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ অগাস্ট ২০১৬
  • ৩৬৬ বার

চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরে প্রায় ১৭ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা কৃষি ও পল্লীঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির রোববার ২০১৬-১৭ অর্থবছরের কৃষি ও পল্লীঋণ নীতিমালা ও কার্যক্রম ঘোষণা করেন।

কৃষিখাতে বিতরণের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো দেবে ৯ হাজার ২৯০ কোটি টাকা। বাকি ৮ হাজার ২৬০ কোটি দেবে আর বেসরকারি ও বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো।

চলতি অর্থবছরের পল্লীঋণ নীতিমালায় বলা হয়েছে, কৃষিঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ সুদ প্রয়োজ্য হবে। এছাড়া এজেন্ট ব্যাংকাররা গ্রাহকদের কাছ থেকে নির্ধারিত সুদ হারের অতিরিক্ত দশমিক ৫০ শতাংশ সার্ভিস চার্জ আদায় করতে পারবেন। আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত স্বল্পমেয়াদি কৃষি ঋণের ক্ষেত্রে সিআইবি তদন্তের প্রয়োজন হবে না। আম, লিচু ও পেয়ারা উৎপাদনে সারা বছর ঋণ দিতে পারবে ব্যাংকগুলো।

বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর জানান, ২০১৫-১৬অর্থবছরে ১৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও বিতরণ করা হয় ১৭ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা। আর এই ঋণ নিয়েছেন ৩৪ লাখ ২৬ হাজার ১৩০ জন। এর মধ্যে ১৫ লাখ ২০ হাজার নারী ব্যাংকগুলোর নিজস্ব নেটওয়ার্ক ও এমএফই লিংকেজের মাধ্যমে প্রায় ৪ হাজার ৪৮০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন। ২৬ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষী বিভিন্ন ব্যাংক থেকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৯৩ কোটি টাকা।

এছাড়া চর হাওরসহ অনগ্রসর এলাকার ৭ হাজার ৯৭২ জন কৃষক প্রায় ২৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা পেয়েছেন কৃষি ও পল্লীঋণ হিসেবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম মিলনায়তনে কৃষি ও পল্লীঋণ কার্যক্রম ও নীতিমালা ঘোষণা করা হয়। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা ও বিভিন্ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকগন উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা সাড়ে ১৭ হাজার কোটি টাকা

আপডেট টাইম : ১২:৩৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ অগাস্ট ২০১৬

চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরে প্রায় ১৭ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা কৃষি ও পল্লীঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির রোববার ২০১৬-১৭ অর্থবছরের কৃষি ও পল্লীঋণ নীতিমালা ও কার্যক্রম ঘোষণা করেন।

কৃষিখাতে বিতরণের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো দেবে ৯ হাজার ২৯০ কোটি টাকা। বাকি ৮ হাজার ২৬০ কোটি দেবে আর বেসরকারি ও বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো।

চলতি অর্থবছরের পল্লীঋণ নীতিমালায় বলা হয়েছে, কৃষিঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ সুদ প্রয়োজ্য হবে। এছাড়া এজেন্ট ব্যাংকাররা গ্রাহকদের কাছ থেকে নির্ধারিত সুদ হারের অতিরিক্ত দশমিক ৫০ শতাংশ সার্ভিস চার্জ আদায় করতে পারবেন। আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত স্বল্পমেয়াদি কৃষি ঋণের ক্ষেত্রে সিআইবি তদন্তের প্রয়োজন হবে না। আম, লিচু ও পেয়ারা উৎপাদনে সারা বছর ঋণ দিতে পারবে ব্যাংকগুলো।

বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর জানান, ২০১৫-১৬অর্থবছরে ১৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও বিতরণ করা হয় ১৭ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা। আর এই ঋণ নিয়েছেন ৩৪ লাখ ২৬ হাজার ১৩০ জন। এর মধ্যে ১৫ লাখ ২০ হাজার নারী ব্যাংকগুলোর নিজস্ব নেটওয়ার্ক ও এমএফই লিংকেজের মাধ্যমে প্রায় ৪ হাজার ৪৮০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন। ২৬ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষী বিভিন্ন ব্যাংক থেকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৯৩ কোটি টাকা।

এছাড়া চর হাওরসহ অনগ্রসর এলাকার ৭ হাজার ৯৭২ জন কৃষক প্রায় ২৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা পেয়েছেন কৃষি ও পল্লীঋণ হিসেবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম মিলনায়তনে কৃষি ও পল্লীঋণ কার্যক্রম ও নীতিমালা ঘোষণা করা হয়। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা ও বিভিন্ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকগন উপস্থিত ছিলেন।