ঢাকা ০৫:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক বগুড়াকে আধুনিক শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জুন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই শুরু হবে বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশাখী সাজে শোবিজ তারকারা জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর বিএনপি বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘লাল কাপড়ের মোড়ানো খাতা’ কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

সাশ্রয়ী মূল্যে সার সরবরাহের জন্য বরাদ্দ ১৭ হাজার কোটি টাকা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৫২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ১৫৮ বার

কৃষক পর্যায়ে সাশ্রয়ী মূল্যে সার সরবরাহ অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন কৃষিমন্ত্রী উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি জানান, কৃষককে যাতে আমদানিমূল্যে সার কিনতে না হয়, সে লক্ষ্যে চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১৭ হাজার কোটি টাকা উন্নয়ন সহায়তা বাবদ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মুজিবুল হক চুন্নুর লিখিত প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমদানিকৃত সার কৃষক পর্যায়ে সরকার নির্ধারিত ভর্তুকিমূল্যে টিএসপি প্রতি কেজি ২৭ টাকা, এমওপি প্রতি কেজি ২০ টাকা এবং ডিএপি প্রতি কেজি ২১ টাকায় বিক্রয় করছে। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের পূর্বে প্রতি কেজি টিএসপি, এমওপি এবং ডিএপি সারের বিক্রয়মূল্য যথাক্রমে ৮০, ৭০ ও ৯০ টাকা ছিল।

আব্দুস শহীদ জানান, কৃষি উৎপাদন ব্যয় যাতে ব্যাহত না হয়, সে লক্ষ্যে সরকার সার ও কৃষি যন্ত্রপাতিতে উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করছে। সেচ ও ভাল মানের বীজ সাশ্রয়ী মূল্যে সরবরাহ করছে। বর্তমান কৃষি বান্ধব সরকার সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ শীর্ষক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে হাওর ও উপকূলীয় এলাকায় ৭০ শতাংশ এবং অন্যান্য এলাকায় ৫০ শতাংশ উন্নয়ন সহায়তায় মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ করা হচ্ছে।

কৃষিকাজে ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় কীটনাশকের মূল্য কমানোর কোনো পরিকল্পনা নেই জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের ও পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে কীটনাশকের ব্যবহার কমানোর প্রক্রিয়া চলছে। জৈব কৃষি ও জৈব বালাইনাশকের ব্যবহারসহ সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ফসলের রোগ ও পোকামাকড় দমন ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। ফলে কীটনাশকের ব্যবহার প্রতিনিয়ত হ্রাস পাচ্ছে।

আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে আব্দুস শহীদ বলেন, সমগ্র দেশের প্রান্তিক কৃষকদের এবং কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্যে ৫০টি প্রকল্প ধারণাপত্র (পিসিপি) যাচাই করা হচ্ছে, যা থেকে নতুন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। কৃষক ও কৃষির উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে- ২ কোটি ২৭ লাখ কৃষককে স্মার্ট কার্ড দেওয়া, ১০ লাখ কৃষককে উত্তম কৃষি চর্চার প্রশিক্ষণ দেওয়া, ৫০ লাখ কৃষককে সম্প্রসারণ সহায়তা, উন্নয়ন সহায়তা ও ঋণ সহায়তা দেওয়া, ২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা সৃষ্টি, ১০টি অ্যাক্রেডিটেশন ল্যাব স্থাপন, ১০ লাখ হেক্টর জমিতে সেচ উন্নয়ন, ২ লাখ হেক্টর জমিতে উচ্চফলনশীল জাতের অ্যাডাপটেশন, ক্লাইমেট স্মার্ট ও কৃষির প্রবর্তন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

সাশ্রয়ী মূল্যে সার সরবরাহের জন্য বরাদ্দ ১৭ হাজার কোটি টাকা

আপডেট টাইম : ১২:৫২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

কৃষক পর্যায়ে সাশ্রয়ী মূল্যে সার সরবরাহ অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন কৃষিমন্ত্রী উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি জানান, কৃষককে যাতে আমদানিমূল্যে সার কিনতে না হয়, সে লক্ষ্যে চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১৭ হাজার কোটি টাকা উন্নয়ন সহায়তা বাবদ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মুজিবুল হক চুন্নুর লিখিত প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমদানিকৃত সার কৃষক পর্যায়ে সরকার নির্ধারিত ভর্তুকিমূল্যে টিএসপি প্রতি কেজি ২৭ টাকা, এমওপি প্রতি কেজি ২০ টাকা এবং ডিএপি প্রতি কেজি ২১ টাকায় বিক্রয় করছে। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের পূর্বে প্রতি কেজি টিএসপি, এমওপি এবং ডিএপি সারের বিক্রয়মূল্য যথাক্রমে ৮০, ৭০ ও ৯০ টাকা ছিল।

আব্দুস শহীদ জানান, কৃষি উৎপাদন ব্যয় যাতে ব্যাহত না হয়, সে লক্ষ্যে সরকার সার ও কৃষি যন্ত্রপাতিতে উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করছে। সেচ ও ভাল মানের বীজ সাশ্রয়ী মূল্যে সরবরাহ করছে। বর্তমান কৃষি বান্ধব সরকার সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ শীর্ষক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে হাওর ও উপকূলীয় এলাকায় ৭০ শতাংশ এবং অন্যান্য এলাকায় ৫০ শতাংশ উন্নয়ন সহায়তায় মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ করা হচ্ছে।

কৃষিকাজে ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় কীটনাশকের মূল্য কমানোর কোনো পরিকল্পনা নেই জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের ও পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে কীটনাশকের ব্যবহার কমানোর প্রক্রিয়া চলছে। জৈব কৃষি ও জৈব বালাইনাশকের ব্যবহারসহ সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ফসলের রোগ ও পোকামাকড় দমন ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। ফলে কীটনাশকের ব্যবহার প্রতিনিয়ত হ্রাস পাচ্ছে।

আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে আব্দুস শহীদ বলেন, সমগ্র দেশের প্রান্তিক কৃষকদের এবং কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্যে ৫০টি প্রকল্প ধারণাপত্র (পিসিপি) যাচাই করা হচ্ছে, যা থেকে নতুন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। কৃষক ও কৃষির উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে- ২ কোটি ২৭ লাখ কৃষককে স্মার্ট কার্ড দেওয়া, ১০ লাখ কৃষককে উত্তম কৃষি চর্চার প্রশিক্ষণ দেওয়া, ৫০ লাখ কৃষককে সম্প্রসারণ সহায়তা, উন্নয়ন সহায়তা ও ঋণ সহায়তা দেওয়া, ২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা সৃষ্টি, ১০টি অ্যাক্রেডিটেশন ল্যাব স্থাপন, ১০ লাখ হেক্টর জমিতে সেচ উন্নয়ন, ২ লাখ হেক্টর জমিতে উচ্চফলনশীল জাতের অ্যাডাপটেশন, ক্লাইমেট স্মার্ট ও কৃষির প্রবর্তন।