ঢাকা ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ: বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পেনশনের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, অডিট কর্মকর্তা ইশরাত বরখাস্ত দুই মুসলিম নারী সাংবাদিককে থানায় নিয়ে পেটাল দিল্লি পুলিশ ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ‘ভোট ব্যাংক’, এ কৃত্রিম মিথ ভেঙে চুরমার হয়েছে’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনীতিতে ক্ষমতার দাপট দেখানো মানুষের অভাব নেই: মান্না ২ মন্ত্রী আসার খবরে বদলে গেল হাসপাতালের পরিবেশ, অবাক রোগীরা বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘ সমুদ্রপাড়ে নতুন লুকে দীঘি, ভক্তদের কৌতূহল তুঙ্গে আবারো মেসিকে ফেরাতে চায় আর্জেন্টিনা

স্বতন্ত্ররা জোট করলে কপাল পুড়বে জাপার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৩৩:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৪
  • ১৮৫ বার

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৮টি আসনের বেসরকারি ফলাফলে ২২২টি আসন পেয়েছে আওয়ামী লীগ। এরপর সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ৬২টি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। আর একাদশ সংসদে প্রধান বিরোধী দল থাকা জাতীয় পার্টি (জাপা) জয় পেয়েছে মাত্র ১১টি আসনে। এমন অবস্থায় স্বতন্ত্ররা এক জোট হয়ে বিরোধী দল গঠন করলে কপাল পুড়বে জাপার।

সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বতন্ত্ররা যদি জোট করে স্পিকারের কাছে বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য আবেদন করেন এবং তিনি সেটি গ্রহণ করেন, তাহলে জাতীয় পার্টি প্রধান বিরোধী দল হতে পারবে না। এক্ষেত্রে ৬২টি জন স্বতন্ত্র সদস্য ওই জোটে না থাকলেও কোনো সমস্যা নেই। জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচিত সদস্যদের চেয়ে জোটের সদস্য বেশি হলে তারাই হবে বিরোধী দল। এখন নির্বাচিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জোট করেন কিনা, সেটি দেখার বিষয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক চিফ হুইপ আব্দুস শহীদ বলেন, সংবিধানে বিরোধী দল গঠনের বিষয়ে কিছু বলা নেই। এবার স্বতন্ত্র সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ৬২ জন। তারা যদি গ্রুপ বা জোট করে আসে, স্পিকারের কাছে যদি আবেদন করেন, তবে ওই জোট বা গ্রুপই বিরোধী দল হবে, এতে কোনো বাধা নেই।

এর আগে, ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিজয়ী ১৬ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলে হাজী সেলিমের নেতৃত্বে একটি জোট তৈরি করেছিলেন। সেই জোটকে আনুপাতিক হারে তিনজন সংরক্ষিত নারী সদস্যের কোটাও দেওয়া হয়েছিল। সাড়ে তিন বছর পরে অবশ্য সেই জোটের নেতা হাজী সেলিমসহ বেশিরভাগ সদস্য আওয়ামী লীগে ফিরে যান।

এ ছাড়া ১৯৮৮ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টি এককভাবে ২৫১টি আসনে জয় পেয়েছিল। অন্যদিকে জাসদের নেতৃত্বে কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি পেয়েছিল ১৯টি আসন। আর স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছিল ২৫টি আসন। এ ছাড়া জাসদ তিনটি এবং ফ্রিডম পার্টি দুটি আসন পায়। সেসময় ফ্রিডম পার্টি ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের সমর্থন নিয়ে আ স ম আব্দুর রব সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচিত হয়েছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

স্বতন্ত্ররা জোট করলে কপাল পুড়বে জাপার

আপডেট টাইম : ১২:৩৩:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৪

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৮টি আসনের বেসরকারি ফলাফলে ২২২টি আসন পেয়েছে আওয়ামী লীগ। এরপর সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ৬২টি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। আর একাদশ সংসদে প্রধান বিরোধী দল থাকা জাতীয় পার্টি (জাপা) জয় পেয়েছে মাত্র ১১টি আসনে। এমন অবস্থায় স্বতন্ত্ররা এক জোট হয়ে বিরোধী দল গঠন করলে কপাল পুড়বে জাপার।

সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বতন্ত্ররা যদি জোট করে স্পিকারের কাছে বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য আবেদন করেন এবং তিনি সেটি গ্রহণ করেন, তাহলে জাতীয় পার্টি প্রধান বিরোধী দল হতে পারবে না। এক্ষেত্রে ৬২টি জন স্বতন্ত্র সদস্য ওই জোটে না থাকলেও কোনো সমস্যা নেই। জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচিত সদস্যদের চেয়ে জোটের সদস্য বেশি হলে তারাই হবে বিরোধী দল। এখন নির্বাচিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জোট করেন কিনা, সেটি দেখার বিষয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক চিফ হুইপ আব্দুস শহীদ বলেন, সংবিধানে বিরোধী দল গঠনের বিষয়ে কিছু বলা নেই। এবার স্বতন্ত্র সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ৬২ জন। তারা যদি গ্রুপ বা জোট করে আসে, স্পিকারের কাছে যদি আবেদন করেন, তবে ওই জোট বা গ্রুপই বিরোধী দল হবে, এতে কোনো বাধা নেই।

এর আগে, ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিজয়ী ১৬ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলে হাজী সেলিমের নেতৃত্বে একটি জোট তৈরি করেছিলেন। সেই জোটকে আনুপাতিক হারে তিনজন সংরক্ষিত নারী সদস্যের কোটাও দেওয়া হয়েছিল। সাড়ে তিন বছর পরে অবশ্য সেই জোটের নেতা হাজী সেলিমসহ বেশিরভাগ সদস্য আওয়ামী লীগে ফিরে যান।

এ ছাড়া ১৯৮৮ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টি এককভাবে ২৫১টি আসনে জয় পেয়েছিল। অন্যদিকে জাসদের নেতৃত্বে কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি পেয়েছিল ১৯টি আসন। আর স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছিল ২৫টি আসন। এ ছাড়া জাসদ তিনটি এবং ফ্রিডম পার্টি দুটি আসন পায়। সেসময় ফ্রিডম পার্টি ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের সমর্থন নিয়ে আ স ম আব্দুর রব সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচিত হয়েছিলেন।