ঢাকা ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্যাংকে পুরোনো মালিকদের ফেরার পথ বন্ধ চায় সংসদীয় কমিটি প্রধানমন্ত্রীকে দুই বিষয়ে সতর্ক থাকতে বললেন মির্জা আব্বাস ১১ দলীয় ঐক্যের বিশাল সমাবেশ জনগণের প্রয়োজনে যেকোনো সময় আন্দোলনের ডাক: ডা. শফিকুর রহমান ইতিহাসের সেরা ২ নারী গোয়েন্দা ৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র, লক্ষ্য কী দক্ষিণখানে অস্ত্র-মাদকসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

ফিলিস্তিনিদের উত্তর গাজায় ফিরতে দিচ্ছে না ইসরায়েল

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৫২:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৩
  • ১৪৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ইসরায়েল ও হামাস ৪৮ দিন পর শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতিতে গেছে। চারদিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ায় অবরুদ্ধ গাজার হাজার হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষ শরণার্থী শিবির থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার চেষ্টা করছেন। তবে, উপত্যকার উত্তর দিকে ফিরতে একেবারেই নিষেধ করে দিয়েছে ইসরায়েল। দীর্ঘদিন বাড়ির বাইরে থাকা এ মানুষগুলো হতাশ এমন সিদ্ধান্তে।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, কয়েকদিন আগেই উত্তর গাজায় ব্যাপক বোমাবর্ষণ ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে ইসরায়েল। এতে ভিটেমাটি ছেড়ে দক্ষিণ গাজায় স্থানান্তরিত হয় প্রায় ১৭ লাখ মানুষ। যুদ্ধবিরতি হওয়ার কারণে নিজ বাড়িতে ফিরে যেতে চাইছেন ওই বাসিন্দারা। তবে বাড়িতে ফিরতে বাধা দিচ্ছে ইসরায়েল।

ইসরায়েলি বাহিনী উত্তর ও দক্ষিণ গাজার মধ্যে একটা সামরিক সীমা টেনে রেখেছে। সেটা পেরিয়ে কাউকে যাতায়াত করতে দেওয়া হচ্ছে না। শুক্রবার যুদ্ধবিরতি চলাকালে কয়েকজন ফিলিস্তিনি জোর করে উত্তর গাজায় যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। ইসরায়েলি বাহিনী গুলি করে তাদের হত্যা করে। এ সময় অন্তত ১১ জন আহত হন।

আল–জাজিরার প্রতিনিধি হানি মাহমুদ বলেন, গাজাবাসীর মধ্য হতাশা ভর করেছে। সেই সঙ্গে তারা ক্ষোভে ফুঁসছে। তাদের মনে প্রশ্ন, নিরাপদে বাড়ি ফেরার সুযোগ দেওয়ার শর্তটি কেন যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে যুক্ত করা হয়নি? এ জন্য তারা হতাশ।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলেছে, যুদ্ধবিরতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে হামাস বেসামরিক লোকদের গাজার উত্তর অংশে ফিরে যেতে উৎসাহিত করতে পারে বা চাপ দিতে পারে। কিন্তু সে সুযোগ দেওয়া হবে না।

ইসরায়েলের সামরিক মুখপাত্র আভিচায় আদ্রাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যক এক্স-এ একটি বিবৃতিতে বলেছেন, ‘উপত্যকার দক্ষিণ থেকে উত্তরে জনসংখ্যার চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। কেবল উত্তর থেকে দক্ষিণে যাওয়া যাবে। গাজা উপত্যকার উত্তরের এলাকাটি একটি যুদ্ধ অঞ্চল এবং সেখানে থাকা নিষিদ্ধ। যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি।’

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ফিলিস্তিনিদের উত্তর গাজায় ফিরতে দিচ্ছে না ইসরায়েল

আপডেট টাইম : ১১:৫২:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৩

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ইসরায়েল ও হামাস ৪৮ দিন পর শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতিতে গেছে। চারদিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ায় অবরুদ্ধ গাজার হাজার হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষ শরণার্থী শিবির থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার চেষ্টা করছেন। তবে, উপত্যকার উত্তর দিকে ফিরতে একেবারেই নিষেধ করে দিয়েছে ইসরায়েল। দীর্ঘদিন বাড়ির বাইরে থাকা এ মানুষগুলো হতাশ এমন সিদ্ধান্তে।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, কয়েকদিন আগেই উত্তর গাজায় ব্যাপক বোমাবর্ষণ ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে ইসরায়েল। এতে ভিটেমাটি ছেড়ে দক্ষিণ গাজায় স্থানান্তরিত হয় প্রায় ১৭ লাখ মানুষ। যুদ্ধবিরতি হওয়ার কারণে নিজ বাড়িতে ফিরে যেতে চাইছেন ওই বাসিন্দারা। তবে বাড়িতে ফিরতে বাধা দিচ্ছে ইসরায়েল।

ইসরায়েলি বাহিনী উত্তর ও দক্ষিণ গাজার মধ্যে একটা সামরিক সীমা টেনে রেখেছে। সেটা পেরিয়ে কাউকে যাতায়াত করতে দেওয়া হচ্ছে না। শুক্রবার যুদ্ধবিরতি চলাকালে কয়েকজন ফিলিস্তিনি জোর করে উত্তর গাজায় যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। ইসরায়েলি বাহিনী গুলি করে তাদের হত্যা করে। এ সময় অন্তত ১১ জন আহত হন।

আল–জাজিরার প্রতিনিধি হানি মাহমুদ বলেন, গাজাবাসীর মধ্য হতাশা ভর করেছে। সেই সঙ্গে তারা ক্ষোভে ফুঁসছে। তাদের মনে প্রশ্ন, নিরাপদে বাড়ি ফেরার সুযোগ দেওয়ার শর্তটি কেন যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে যুক্ত করা হয়নি? এ জন্য তারা হতাশ।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলেছে, যুদ্ধবিরতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে হামাস বেসামরিক লোকদের গাজার উত্তর অংশে ফিরে যেতে উৎসাহিত করতে পারে বা চাপ দিতে পারে। কিন্তু সে সুযোগ দেওয়া হবে না।

ইসরায়েলের সামরিক মুখপাত্র আভিচায় আদ্রাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যক এক্স-এ একটি বিবৃতিতে বলেছেন, ‘উপত্যকার দক্ষিণ থেকে উত্তরে জনসংখ্যার চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। কেবল উত্তর থেকে দক্ষিণে যাওয়া যাবে। গাজা উপত্যকার উত্তরের এলাকাটি একটি যুদ্ধ অঞ্চল এবং সেখানে থাকা নিষিদ্ধ। যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি।’