ঢাকা ১২:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

বাঁশের সাকোয় লাঘব হলো দুর্ভোগ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৬:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৩
  • ২১০ বার

স্বাধীনতার ৫২ বছর পর একটি বাঁশের সাকো’য় তৈরি হলো দুটি গ্রামের মানুষের সেতুবন্ধন। সহজেই বদলে গেল এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা। সাতক্ষীরা পৌরসভার কল্যাণে বেলা ১২ টার সময় শহরের উপকন্ঠে আবাদানি খালের উপর তৈরি করা একটি বাঁশের সাকো।

পৌরসভার দৌলতপুর উত্তরপাড়া এবং খড়িবিলা গ্রামের আবাদানী এলাকার মানুষের চালাচল ও শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়ার সুবিধার্থে পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন কালু এবং ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ মারুফ আহম্মেদ এলাকার দুর্ভোগ লাঘবে এ বাঁশের সাকো নির্মাণ করেন।

এলাকার মানুষের দীর্ঘ দিনের দাবির প্রেক্ষিতে একটি বাঁশের সাকোয় দুটি অঞ্চলের মানুষের সেতু বন্ধনের দ্বার উন্মোচিত হলো।

স্থানীয়রা জানান, সাকো নির্মাণের আগে নৌকা দিয়ে পারাপার হতে মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। বাঁশের সাকো নির্মাণ হওয়ায় দৌলতপুর উত্তরপাড়া এবং খড়িবিলা (আবাদানী) গ্রামের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হলো। স্কুলের ছেলে মেয়েদের আগে অনেক পথ ঘুরে বাগবাটি গ্রামের সেতু পার হয়ে খড়িবিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যেতে হতো। ওই এলাকার মানুষকে অনেক পথ ঘুরে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এলাকা দিয়ে এলাকায় যেতে হতো। এখন এই বাঁশের সাকো নির্মাণের ফলে এলাকাবাসীকে অনেক পথ পাড়ি দিয়ে তাদের আর দৌলতপুর ও খড়িবিলা গ্রামে যাতায়াত করতে হবে না। আবাদানী খালের উপর মঙ্গবার বার এই সাকো নির্মাণের ফলে দুপুরের পর থেকে অতিসহজেই দুই গ্রামের পায়ে হাটা মানুষ যাতায়াত করতে পারচ্ছে। এতে যেমন তাদের সময় বাঁচবে তেমনি এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়ন হবে। এই বাঁশের সাকো নির্মাণে বেশি খুশি খড়িবিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা জানায়, শুকনা মৌসুমে স্কুলে যেতে পারলেও বর্ষা মৌসুম তাদের অতিকষ্টে প্রায় ১ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ভিন্ন এলাকা দিয়ে তাদের স্কুলে যেতে হত। এখন দৌলতপুরে বসাবারত বাসীন্দা ও তাদের ছেলে মেয়েরা অতিসহজেই স্কুলে যাতায়াত করতে পারবে।

সাতক্ষীরা পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন কালু বলেন, পৌরসভার ৬নং এবং ৭নং ওয়ার্ডের মানুষের চলাচলের জন্য একটি বাঁশের সাকো নির্মাণ করার দাবি ছিল দীর্ঘদিনের। এলাকাবাসীর দাবীর প্রেক্ষিতে পৌরসভার অর্থায়নে এ বাঁশের সাকো নির্মাণ করা হয়েছে। একটি বাঁশের সাকো দুটি ওয়ার্ডের মানুষের চলাচলের সেতুবন্ধন হবে। এতে এলাকাবসীর দুর্ভোগ লাঘব হলো।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

বাঁশের সাকোয় লাঘব হলো দুর্ভোগ

আপডেট টাইম : ১১:৪৬:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৩

স্বাধীনতার ৫২ বছর পর একটি বাঁশের সাকো’য় তৈরি হলো দুটি গ্রামের মানুষের সেতুবন্ধন। সহজেই বদলে গেল এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা। সাতক্ষীরা পৌরসভার কল্যাণে বেলা ১২ টার সময় শহরের উপকন্ঠে আবাদানি খালের উপর তৈরি করা একটি বাঁশের সাকো।

পৌরসভার দৌলতপুর উত্তরপাড়া এবং খড়িবিলা গ্রামের আবাদানী এলাকার মানুষের চালাচল ও শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়ার সুবিধার্থে পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন কালু এবং ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ মারুফ আহম্মেদ এলাকার দুর্ভোগ লাঘবে এ বাঁশের সাকো নির্মাণ করেন।

এলাকার মানুষের দীর্ঘ দিনের দাবির প্রেক্ষিতে একটি বাঁশের সাকোয় দুটি অঞ্চলের মানুষের সেতু বন্ধনের দ্বার উন্মোচিত হলো।

স্থানীয়রা জানান, সাকো নির্মাণের আগে নৌকা দিয়ে পারাপার হতে মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। বাঁশের সাকো নির্মাণ হওয়ায় দৌলতপুর উত্তরপাড়া এবং খড়িবিলা (আবাদানী) গ্রামের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হলো। স্কুলের ছেলে মেয়েদের আগে অনেক পথ ঘুরে বাগবাটি গ্রামের সেতু পার হয়ে খড়িবিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যেতে হতো। ওই এলাকার মানুষকে অনেক পথ ঘুরে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এলাকা দিয়ে এলাকায় যেতে হতো। এখন এই বাঁশের সাকো নির্মাণের ফলে এলাকাবাসীকে অনেক পথ পাড়ি দিয়ে তাদের আর দৌলতপুর ও খড়িবিলা গ্রামে যাতায়াত করতে হবে না। আবাদানী খালের উপর মঙ্গবার বার এই সাকো নির্মাণের ফলে দুপুরের পর থেকে অতিসহজেই দুই গ্রামের পায়ে হাটা মানুষ যাতায়াত করতে পারচ্ছে। এতে যেমন তাদের সময় বাঁচবে তেমনি এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়ন হবে। এই বাঁশের সাকো নির্মাণে বেশি খুশি খড়িবিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা জানায়, শুকনা মৌসুমে স্কুলে যেতে পারলেও বর্ষা মৌসুম তাদের অতিকষ্টে প্রায় ১ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ভিন্ন এলাকা দিয়ে তাদের স্কুলে যেতে হত। এখন দৌলতপুরে বসাবারত বাসীন্দা ও তাদের ছেলে মেয়েরা অতিসহজেই স্কুলে যাতায়াত করতে পারবে।

সাতক্ষীরা পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন কালু বলেন, পৌরসভার ৬নং এবং ৭নং ওয়ার্ডের মানুষের চলাচলের জন্য একটি বাঁশের সাকো নির্মাণ করার দাবি ছিল দীর্ঘদিনের। এলাকাবাসীর দাবীর প্রেক্ষিতে পৌরসভার অর্থায়নে এ বাঁশের সাকো নির্মাণ করা হয়েছে। একটি বাঁশের সাকো দুটি ওয়ার্ডের মানুষের চলাচলের সেতুবন্ধন হবে। এতে এলাকাবসীর দুর্ভোগ লাঘব হলো।