ঢাকা ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ৬ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মশা মারতে গিয়ে মানুষ মরে যায়—এমন স্প্রে করা যাবে না

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩৫:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • ৫২ বার

মশা মারতে গিয়ে মানুষ মরে যায়—এমন কীটনাশক স্প্রে করা যাবে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

তাজুল ইসলাম বলেন, পৃথিবীতে মশা মারার কার্যকর ওষুধগুলো বাংলাদেশে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে এমন কীটনাশক স্প্রে করতে পরব না, যাতে মশা মারতে গিয়ে মানুষ মরে যায়। আমাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

তিনি বলেন, ২০১৯ সাল থেকে বাংলাদেশে ডেঙ্গুর তীব্রতা দেখা গেছে। কয়েক বছর এটি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও চলতি বছর অতিরিক্ত সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। এটি এবার গ্রাম পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে, যা সত্যিই বেদনার ও কষ্টের।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, মশা নিয়ন্ত্রণে সিটি করপোরেশনগুলো কাজ করছে। জনগণও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে এসেছে। কিন্তু যে পরিমাণ তাদের অংশগ্রহণ দরকার, সেটা হচ্ছে না।

তাজুল ইসলাম বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সবাইকে সতর্ক হতে হবে। বাড়িতে মশা না থাকলে কি দেশে মশা থাকবে? তাই বাড়ি পরিষ্কার রাখতে হবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে ১ লাখ ৩৮ হাজার ২২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এরমধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ২২৪ জন। মারা গেছেন ৬৭১ জন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

মশা মারতে গিয়ে মানুষ মরে যায়—এমন স্প্রে করা যাবে না

আপডেট টাইম : ১১:৩৫:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

মশা মারতে গিয়ে মানুষ মরে যায়—এমন কীটনাশক স্প্রে করা যাবে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

তাজুল ইসলাম বলেন, পৃথিবীতে মশা মারার কার্যকর ওষুধগুলো বাংলাদেশে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে এমন কীটনাশক স্প্রে করতে পরব না, যাতে মশা মারতে গিয়ে মানুষ মরে যায়। আমাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

তিনি বলেন, ২০১৯ সাল থেকে বাংলাদেশে ডেঙ্গুর তীব্রতা দেখা গেছে। কয়েক বছর এটি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও চলতি বছর অতিরিক্ত সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। এটি এবার গ্রাম পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে, যা সত্যিই বেদনার ও কষ্টের।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, মশা নিয়ন্ত্রণে সিটি করপোরেশনগুলো কাজ করছে। জনগণও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে এসেছে। কিন্তু যে পরিমাণ তাদের অংশগ্রহণ দরকার, সেটা হচ্ছে না।

তাজুল ইসলাম বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সবাইকে সতর্ক হতে হবে। বাড়িতে মশা না থাকলে কি দেশে মশা থাকবে? তাই বাড়ি পরিষ্কার রাখতে হবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে ১ লাখ ৩৮ হাজার ২২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এরমধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ২২৪ জন। মারা গেছেন ৬৭১ জন।