ঢাকা ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্যাংকে পুরোনো মালিকদের ফেরার পথ বন্ধ চায় সংসদীয় কমিটি প্রধানমন্ত্রীকে দুই বিষয়ে সতর্ক থাকতে বললেন মির্জা আব্বাস ১১ দলীয় ঐক্যের বিশাল সমাবেশ জনগণের প্রয়োজনে যেকোনো সময় আন্দোলনের ডাক: ডা. শফিকুর রহমান ইতিহাসের সেরা ২ নারী গোয়েন্দা ৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র, লক্ষ্য কী দক্ষিণখানে অস্ত্র-মাদকসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

আজ ঢাকা আসছেন মার্কিন উপসহকারী মন্ত্রী মিরা রেজনিক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:২৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • ১৬৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র নবম নিরাপত্তা সংলাপ আগামীকাল মঙ্গলবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। সংলাপে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের রাজনৈতিক সামরিকবিষয়ক ব্যুরোর উপসহকারী মন্ত্রী মিরা রেজনিক।

তিনি আজ সোমবার ঢাকায় এসে পৌঁছাবেন বলে জানা গেছে।

গতকাল রোববার ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা সংলাপ একটি বার্ষিক বেসামরিক আয়োজন, যেখানে দুই দেশের নিরাপত্তা সম্পর্কের সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা ইন্দো-প্যাসিফিক আঞ্চলিক সমস্যা, নিরাপত্তা ও মানবাধিকার, সামরিক সহযোগিতা, শান্তিরক্ষা, নিরাপত্তা সহায়তা ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আলোচনা করবেন।

এই সংলাপ দুই সরকারের মধ্যকার সর্বাঙ্গীণ নিরাপত্তা সম্পর্কের অংশ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের নিরাপত্তাবিষয়ক অংশীদারিত্ব অত্যন্ত শক্তিশালী এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে দুই দেশের স্বার্থ অভিন্ন। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে মুক্ত, অবারিত, শান্তিপূর্ণ ও সুরক্ষিত রাখার ক্ষেত্রে দুই দেশের দৃষ্টিভঙ্গিও একই। এই পারস্পরিক লক্ষ্যগুলো অর্জনে সারা বছর বিভিন্ন ধরনের সংলাপ আয়োজিত হয়।

মিরা রেজনিক সামরিক শিক্ষা, শান্তিরক্ষা এবং আগামী বছরের দুর্যোগে সাড়া প্রদানবিষয়ক অনুশীলন এবং বিনিময়সহ আসন্ন সামরিক মহড়া নিয়ে আলোচনা করেন। প্রসঙ্গত, মিরা রেজনিক বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলারের বেশি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রির দায়িত্ব পালন করে থাকেন। এ ছাড়া ব্যুরোর নিরাপত্তা সহায়তা অফিসেরও তত্ত্বাবধান করেন তিনি।

বছরে সাড়ে ৬ বিলিয়ন ডলারের নিরাপত্তা সহযোগিতার বিষয়টিও দেখভাল করেন মিরা রেজনিক।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আজ ঢাকা আসছেন মার্কিন উপসহকারী মন্ত্রী মিরা রেজনিক

আপডেট টাইম : ১১:২৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র নবম নিরাপত্তা সংলাপ আগামীকাল মঙ্গলবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। সংলাপে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের রাজনৈতিক সামরিকবিষয়ক ব্যুরোর উপসহকারী মন্ত্রী মিরা রেজনিক।

তিনি আজ সোমবার ঢাকায় এসে পৌঁছাবেন বলে জানা গেছে।

গতকাল রোববার ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা সংলাপ একটি বার্ষিক বেসামরিক আয়োজন, যেখানে দুই দেশের নিরাপত্তা সম্পর্কের সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা ইন্দো-প্যাসিফিক আঞ্চলিক সমস্যা, নিরাপত্তা ও মানবাধিকার, সামরিক সহযোগিতা, শান্তিরক্ষা, নিরাপত্তা সহায়তা ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আলোচনা করবেন।

এই সংলাপ দুই সরকারের মধ্যকার সর্বাঙ্গীণ নিরাপত্তা সম্পর্কের অংশ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের নিরাপত্তাবিষয়ক অংশীদারিত্ব অত্যন্ত শক্তিশালী এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে দুই দেশের স্বার্থ অভিন্ন। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে মুক্ত, অবারিত, শান্তিপূর্ণ ও সুরক্ষিত রাখার ক্ষেত্রে দুই দেশের দৃষ্টিভঙ্গিও একই। এই পারস্পরিক লক্ষ্যগুলো অর্জনে সারা বছর বিভিন্ন ধরনের সংলাপ আয়োজিত হয়।

মিরা রেজনিক সামরিক শিক্ষা, শান্তিরক্ষা এবং আগামী বছরের দুর্যোগে সাড়া প্রদানবিষয়ক অনুশীলন এবং বিনিময়সহ আসন্ন সামরিক মহড়া নিয়ে আলোচনা করেন। প্রসঙ্গত, মিরা রেজনিক বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলারের বেশি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রির দায়িত্ব পালন করে থাকেন। এ ছাড়া ব্যুরোর নিরাপত্তা সহায়তা অফিসেরও তত্ত্বাবধান করেন তিনি।

বছরে সাড়ে ৬ বিলিয়ন ডলারের নিরাপত্তা সহযোগিতার বিষয়টিও দেখভাল করেন মিরা রেজনিক।