ঢাকা ০২:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
স্থানীয় সরকার নির্বাচন একক প্রার্থী নির্ধারণে প্রস্তুতি বিএনপিতে নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ৬২৩, নিখোঁজ ২৪৮২ অটোরিকশাচালক থেকে কোটিপতি, আ.লীগ পুনর্বাসনের কারিগর কে এই ফিরোজ জেনে নিন বিনাখরচে কিভাবে মালয়েশিয়ায় যাওয়া যাবে নেপালে শুটিংয়ে গিয়ে তাণ্ডবের মুখোমুখি অপু, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা ৪২ কি.মি. যানজট: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আটকা শত শত গাড়ি ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব উপজেলায় আহ্বায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশ এনসিপির সারা দেশে বিশেষ অভিযানের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন আইরিন খান ১০১ মণের ‘বরকতি ড্যাগের’ খিচুড়ি, খেলেই নাকি রোগমুক্তি ও সন্তান লাভ

৪ কেজি ওজনের আম

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০৭:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুন ২০১৬
  • ৭০৪ বার

ছোট্ট একটি গাছে ১৬টি আম ধরেছে। এখনও আমের বিচি শক্ত হয়নি, তবুও একেকটির ওজন প্রায় ৩ কেজি হয়েছে। এ গাছের একটি আমের ওজন হয় চার কেজিরও বেশি। শখের ওই আম দেখতে অনেকেই ভিড় করছেন সেখানে। কেউ-কেউ একটি আম কিনতে দাম হাঁকছেন ৫শ’ টাকা পর্যন্ত।

মাগুরার শালিখা উপজেলার শতখালী গ্রামের আতিয়ার রহমানের নার্সারিতে রয়েছে ওই ৪ কেজি ওজনের আম। তিনি ওই আম ফলিয়ে এলাকায় ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছেন। মাগুরাসহ পার্শ্ববর্তী যশোর, নড়াইল ও ঝিনাইদহ জেলার উৎসাহী মানুষ প্রতিদিন আতিয়ার রহমানের বাগানে ভিড় করছেন বিশালাকৃতির ওই আম দেখতে। আবার অনেকে আম গাছের চারার জন্য ঘুরছেন।

আতিয়ার রহমান জানান, ৫ বছর আগে প্রবাসী আত্মীয় ইব্রাহীমের বাড়িতে ব্রুনাই থেকে আনা বিশেষ জাতের আমের কলম ডাল গ্রাফটিং করা হয়। ওই গাছে দেড় কেজি ওজনের দুটি আম ধরে। তিনি তখন ইব্রাহীমের বাড়ির ওই গাছ থেকে কলম ডাল সংগ্রহ করে তার বাগানের একটি ফজলি আম গাছে গ্রাফটিং করেন।

দুই বছর আগে তার ওই গাছে দুই কেজি ওজনের দুটি আম ধরে। গত বছর তার ওই আম গাছে চার কেজি ওজনের ১১টি আম ধরেছিল। এবার গাছে ১৬টি আম ধরেছে। তিনি আশা করছেন মাস খানেকের মধ্যে আমের ওজন ৪ কেজিরও বেশি হবে।

অতিয়ার রহমান আরো জানান, এ বছর তিনি ওই গাছ থেকে অল্প সংখ্যক কলম তৈরি করেছিলেন সেগুলো পাঁচশত টাকা করে বিক্রি হয়েছে। আরো নতুন করে প্রায় তিনশত চারার অর্ডার আছে।
চারা কিনতে আশা দীপঙ্কর মণ্ডল জানান, গত বছর তিনি দুটি চারা কিনেছিলেন এবার মুকুল এসেছিল। পরে গাছটি ভেঙে যায়। এবার তিনি আরো চারা কিনতে চান।

ঝিনাইদহ থেকে আসা ফজরআলী জানান, তিনি আত্মীয় বাড়িতে এসে এ আম খেয়েছিলেন সুস্বাদু। গতবার চারা নিতে চেয়েছিলেন পাননি, এবারও চারা নিতে এসেছেন।

জেলা সম্প্রাসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক পার্থ প্রতিম সাহা বলেন, আমরা বিষয়টি নজরে রেখেছি। চূড়ান্ত ফলনের পর ওজন পরিমাপ, মান ও স্বাদ পরীক্ষা করা হবে। তাছাড়া এটা একটা নতুন জাতের আম তৈরির জন্য গবেষণার বিষয় হতে পারে। সৌখিন আম চাষীদের কাছে এটা আকর্ষণীয় এবং জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

স্থানীয় সরকার নির্বাচন একক প্রার্থী নির্ধারণে প্রস্তুতি বিএনপিতে

৪ কেজি ওজনের আম

আপডেট টাইম : ১২:০৭:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুন ২০১৬

ছোট্ট একটি গাছে ১৬টি আম ধরেছে। এখনও আমের বিচি শক্ত হয়নি, তবুও একেকটির ওজন প্রায় ৩ কেজি হয়েছে। এ গাছের একটি আমের ওজন হয় চার কেজিরও বেশি। শখের ওই আম দেখতে অনেকেই ভিড় করছেন সেখানে। কেউ-কেউ একটি আম কিনতে দাম হাঁকছেন ৫শ’ টাকা পর্যন্ত।

মাগুরার শালিখা উপজেলার শতখালী গ্রামের আতিয়ার রহমানের নার্সারিতে রয়েছে ওই ৪ কেজি ওজনের আম। তিনি ওই আম ফলিয়ে এলাকায় ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছেন। মাগুরাসহ পার্শ্ববর্তী যশোর, নড়াইল ও ঝিনাইদহ জেলার উৎসাহী মানুষ প্রতিদিন আতিয়ার রহমানের বাগানে ভিড় করছেন বিশালাকৃতির ওই আম দেখতে। আবার অনেকে আম গাছের চারার জন্য ঘুরছেন।

আতিয়ার রহমান জানান, ৫ বছর আগে প্রবাসী আত্মীয় ইব্রাহীমের বাড়িতে ব্রুনাই থেকে আনা বিশেষ জাতের আমের কলম ডাল গ্রাফটিং করা হয়। ওই গাছে দেড় কেজি ওজনের দুটি আম ধরে। তিনি তখন ইব্রাহীমের বাড়ির ওই গাছ থেকে কলম ডাল সংগ্রহ করে তার বাগানের একটি ফজলি আম গাছে গ্রাফটিং করেন।

দুই বছর আগে তার ওই গাছে দুই কেজি ওজনের দুটি আম ধরে। গত বছর তার ওই আম গাছে চার কেজি ওজনের ১১টি আম ধরেছিল। এবার গাছে ১৬টি আম ধরেছে। তিনি আশা করছেন মাস খানেকের মধ্যে আমের ওজন ৪ কেজিরও বেশি হবে।

অতিয়ার রহমান আরো জানান, এ বছর তিনি ওই গাছ থেকে অল্প সংখ্যক কলম তৈরি করেছিলেন সেগুলো পাঁচশত টাকা করে বিক্রি হয়েছে। আরো নতুন করে প্রায় তিনশত চারার অর্ডার আছে।
চারা কিনতে আশা দীপঙ্কর মণ্ডল জানান, গত বছর তিনি দুটি চারা কিনেছিলেন এবার মুকুল এসেছিল। পরে গাছটি ভেঙে যায়। এবার তিনি আরো চারা কিনতে চান।

ঝিনাইদহ থেকে আসা ফজরআলী জানান, তিনি আত্মীয় বাড়িতে এসে এ আম খেয়েছিলেন সুস্বাদু। গতবার চারা নিতে চেয়েছিলেন পাননি, এবারও চারা নিতে এসেছেন।

জেলা সম্প্রাসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক পার্থ প্রতিম সাহা বলেন, আমরা বিষয়টি নজরে রেখেছি। চূড়ান্ত ফলনের পর ওজন পরিমাপ, মান ও স্বাদ পরীক্ষা করা হবে। তাছাড়া এটা একটা নতুন জাতের আম তৈরির জন্য গবেষণার বিষয় হতে পারে। সৌখিন আম চাষীদের কাছে এটা আকর্ষণীয় এবং জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।